ঢাকা, সোমবার 07 November 2016 ২৩ কার্তিক ১৪২৩, ৬ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রফতানি আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬.৮৪ শতাংশ কম

স্টাফ রিপোর্টার : চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে রফতানি আয় বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ কম হয়েছে। জুলাই-অক্টোবর মেয়াদে অর্থাৎ প্রথম ৪ মাসে রফতানি খাতে আয় হয়েছে ১ হাজার ৭৯ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। যা গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসের তুলনায় ৬৬ কোটি ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকা বা ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) নবেম্বর মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এতে জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সব ধরনের পণ্য রফতানিতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়েছে মোট ৩ হাজার ৪২৫ কোটি ৭১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রথম ৪ মাসে ১ হাজার ১৫৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার রফতানি আয় লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আয় হয়েছে ১ হাজার ৭৯ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ কম।
ইপিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত অক্টোবর মাসে রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২৬৩ কোটি ৮০ লাখ ডলারের। এ সময়ে রফতানি আয় হয়েছে ২৭১ কোটি ২৮ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেশি। একইসঙ্গে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের অক্টোবর মাসের আয়ের তুলনায়ও এ সময়ের আয় ১৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। গত অর্থবছরের চতুর্থ মাসে সব ধরনের পণ্য রফতানিতে আয় হয়েছিল ২৩৭ কোটি ১৫ লাখ মার্কিন ডলার।
২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসে তৈরি পোশাক খাতের পণ্য রফতানিতে আয় হয়েছে ৮৮২ কোটি ১৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। এ খাতের রফতানি আয় আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭ দশমিক ০৮ শতাংশ বাড়লেও অর্জিত হয়নি নতুন লক্ষ্যমাত্রা। এর মধ্যে নিটওয়্যার খাতের পণ্য রফতানিতে ৪৫৩ কোটি ৫১ লাখ ৪০ হাজার এবং ওভেন গার্মেন্ট পণ্য রফতানিতে ৪২৮ কোটি ৬৩ লাখ মার্কিন ডলার আয় হয়েছে।
আলোচ্য সময়ে রফতানি কৃষি পণ্যের রফতানি আয় ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ কমেছে। আর রাবারে ১৯ দশমিক ১৫ শতাংশ, পেট্রোলিয়াম বায়োপ্রোডাক্টে ৪৭ দশমিক ১৩ শতাংশ,  হোম টেক্সটাইলে ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ, সিরামিক পণ্যে দশমিক ৬১ শতাংশ, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যে ২৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ কমেছে।
তবে রফতানি আয় বাড়ার তালিকায় আছে- হিমায়িত খাদ্যে ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ, কেমিক্যাল পণ্যে ২৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ, প্লাস্টিক পণ্যে ৭৬ দশমিক ০৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাতীয় পণ্যে ১৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ, পাট ও পাটজাতীয় পণ্যে ৪ দশমিক ১৫ শতাংশ, কম্পিউটার সার্ভিসে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ