ঢাকা, সোমবার 07 November 2016 ২৩ কার্তিক ১৪২৩, ৬ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সরকার বিএনপির জনসমর্থনকে ভয় পেয়ে লালদীঘিতে জনসভার অনুমতি দেয়নি

চট্টগ্রাম অফিস : বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মহান ৭ নবেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে সিপাহী-জনতা একত্রিত হয়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে এনে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। এ অবৈধ সরকার প্রশাসনের উপর ভর করে টিকে আছে, সরকার বিএনপির জনসমর্থনকে ভয় পায় বলেই লাল দীঘির মাঠে জনসভার অনুমতি দেয়নি। এ অবৈধ সরকার ফ্যাসিস্ট কায়দায় দেশ শাসন করছে। তারা গণতন্ত্র চায় না। তারা গণতন্ত্রের লেবাসে দেশে স্বৈরাতন্ত্র চালাচ্ছে। দেশের গণতন্ত্র আজ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার শিকলে বন্দী। ঐতিহাসিক ৭ নবেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস জাতির জন্য একটি অবস্মরণীয় দিন। এই দিনটিতে সিপাহী-জনতা একত্রিত হয়ে স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে এনেছিলেন। ডা. শাহাদাত আরও বলেন, আজ এই অবৈধ সরকার বিএনপিকে ৭ নবেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশের অনুমতি দিচ্ছে না। এতে বুঝা যায় সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই। সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছে। জনগণের সমর্থনহীন এ অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। জনগণকে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
 তিনি গতকাল ৬ নবেম্বর রোববার বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে মহান ৭ নবেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহাগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, দেশে গণতন্ত্রের লেশমাত্র নেই। আছে স্বৈরতন্ত্র, এ অবৈধ সরকার ৭৫’র ন্যায় দেশে একদলীয় বাকশাল কায়েমের পাঁয়তারায় লিপ্ত। ৭ নবেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিবস, এই দিনে সিপাহী-জনতা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে এনেছিলেন।
কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি গাজী মোঃ সিরাজ উল্লাহ’র সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, বাবু টিংকু দাশ, কামরুল ইসলাম, নবাব খান, নগর ছাত্রদল সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম সম্পাদক জালালুদ্দীন সোহেল, মহিলা দল নেত্রী মাহমুদা সুলতানা ঝর্ণা, সাবেক ছাত্রদল নেতা মোঃ মুছা, কোতোয়ালী থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছাদেকুর রহমান রিপন, বাকলিয়া থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাকিম মাহমুদসহ বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড ও কলেজ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ