ঢাকা, শুক্রবার 16 November 2018, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

খুলে দেয়া হলো সিটিসেল

অনলাইন ডেস্ক: ঢানা ১৭ দিন বন্ধ থাকার পর আদালতের নির্দেশে রোববার সন্ধ্যার পরপরই খুলে দেয়া হলো সিটিসেলের স্পেকট্রাম । রোববার সন্ধ্যায় বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ৩ নভেম্বর শর্তসাপেক্ষে বেসরকারি সিটিসেলের তরঙ্গ খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে সিটিসেল কর্তৃপক্ষকে ১৯ নভেম্বরের মধ্যে ১০০ কোটি টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। অন্যথায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) তরঙ্গ বরাদ্দ বাতিল করতে পারবে।

কিন্তু রোববারের মধ্যেও স্পেকট্রাম খুলে না দেয়ায় রোববার সকালে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ এই বিষয়ে দুপুরের মধ্যে বিটিআরসিকে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

বিটিআরসি দাবি করেছে, সিটিসেলের কাছে সরকারের পাওনা রয়েছে ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। যদিও এই পাওনা নিয়ে পরস্পর বিরোধী দাবি রয়েছে। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে আপিল বিভাগ ছয় সপ্তাহের মধ্যে পাওনা টাকার তিন ভাগের দুই ভাগ এবং অবশিষ্ট টাকা দুই মাসের মধ্যে জমা দেয়ার জন্য সিটিসেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিল। 

সিটিসেল তাদের হিসাবমত বকেয়া টাকার মধ্যে ১৩০ কোটি বিটিআরসিকে এবং ১৪ কোটি টাকা এনবিআরের খাতে জমা করে। কিন্তু বিটিআরসি দাবি করে প্রথম কিস্তির টাকার অঙ্ক ৩১৮ কোটি টাকা। টাকার অঙ্ক নিয়ে দুই পক্ষের এই মতবিরোধের মধ্যে বিটিআরসি সিটিসেলের তরঙ্গ বরাদ্দ স্থগিত করে দেয়। এ পরিস্থিতিতে তরঙ্গ বরাদ্দ ফিরে পেতে সিটিসেল আপিল বিভাগে ওই আবেদন করে।

বিটিআরসি ও সিটিসেলের দাবিকৃত টাকার অঙ্ক নিয়ে যে বিরোধ দেখা দিয়েছে তা নিস্পত্তির জন্য বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি করে দেয়া হয়েছে। ওই কমিটি দাবিকৃত টাকা নিয়ে যে বিরোধ দেখা দিয়েছে তা নিস্পত্তি করবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ