ঢাকা, রোববার 13 November 2016 ২৯ কার্তিক ১৪২৩, ১২ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

যত্রতত্র মোবাইল টাওয়ারের ভয়াবহ বিকিরণে জন্ম নিচ্ছে নানা রকম ব্যাধি

মোহাম্মদ জাফর ইকবাল : যত্রতত্র মোবাইল টাওয়ারে ছেয়ে যাচ্ছে পুরো দেশ। বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানিগুলো বাসার ছাদে এবং যত্রতত্র এসব টাওয়ার নির্মাণ করেই চলেছে। সিটি কর্পোরেশন বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এসব টাওয়ার বসানোর জন্য নেওয়া হচ্ছে না কোনো ধরনের অনুমতি। শুধু ভবন মালিকের সঙ্গে চুক্তি করেই টাওয়ারগুলো বসানো হচ্ছে। টাওয়ারের কারণে সংশ্লিষ্ট ভবনটিও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তারহীন মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর টাওয়ারের রেডিয়েশনের (ত্বরিৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ) কারণে নানা রকম ব্যাধির জন্ম নিচ্ছে। বিশেষ করে এ কারণে ভয়াবহ ক্যান্সার ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের মানুষ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাটি দূষণ, বায়ু দূষণ, পানি দূষণ, শব্দ দূষণের চেয়েও ভয়াবহ ত্বরিৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ। মোবাইল প্রতিষ্ঠানগুলোর কল্যাণে এ ভয়াবহ বিকিরণের কবলে এখন সারাদেশ। এটা গন্ধ, বর্ণ ও শব্দহীন এবং অদৃশ্য কিন্তু মানব দেহ ও জীব জগতের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে আবাসিক এলাকা, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে অনেক দূরে এবং অনেক উঁচুতে মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করা হয়। অথচ আমাদের দেশে মোবাইল ফোনের ৯০ শতাংশ টাওয়ার লোকালয়, বাড়ি, হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাদে স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশনের মাত্রা মনিটরও আমাদের দেশে তেমন একটা করা হচ্ছে না।
 রেডিওলজিস্ট ও ক্যান্সার হাসপাতালের ক্যান্সার এপিডিমিয়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন বলেন, যে কোনো ধরনের রেডিয়েশনই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। এটি দৃশ্যমান নয়। আজকে যে রেডিয়েশনের শিকার হচ্ছে, কয়েক বছর পর এর প্রভাব পরিলক্ষিত হবে। তিনি বলেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষণায় দেখা গেছে, রেডিয়েশনের কারণে ব্রেন টিউমার হচ্ছে। যেটা অবশ্যই আশঙ্কার।
সূত্র মতে, বাংলাদেশে বিভিন্ন ভবনের ছাদে ৬টি মোবাইল ফোন অপারেটরের এ ধরনের প্রায় ৪১ হাজার টাওয়ার রয়েছে। এসব টাওয়ার থেকে কি পরিমাণ তেজস্ক্রিয়তা ছড়াচ্ছে তার কোনো হিসাব নেই। এসব টাওয়ারের মধ্যে গ্রামীণফোনের ১২ হাজার, বাংলালিংকের ৯ হাজার, রবির সাড়ে ৮ হাজার, এয়ারটেলের ৬ হাজার, টেলিটকের ৩ হাজার ৭০০ এবং সিটিসেলের দেড় হাজার। টাওয়ারগুলোর অধিকাংশই বিভিন্ন ভবনের ছাদে বসানো।
জানা গেছে, টাওয়ার ব্যবস্থাপনার একটি নীতিমালা তৈরি হচ্ছে। এই নীতিমালা বিটিআরসি থেকে মন্ত্রণালয়, আর মন্ত্রণালয় থেকে বিটিআরসির মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে। অথচ তা আলোর মুখ দেখছে না। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গাইডলাইনটা চূড়ান্ত হয়ে গেলে টাওয়ার ব্যবস্থাপনা তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে দেওয়া যেত। তখন অনেক অযাচিত টাওয়ার খুলে ফেলাও সম্ভব হতো। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, দেশের সব গ্রাহককে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার জন্য বর্তমানে যত সংখ্যক টাওয়ার আছে এর এক তৃতীয়াংশ টাওয়ার হলেই যথেষ্ট।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন ভবনের ছাদে মোবাইল ফোন কোম্পানির যে টাওয়ার বসানো আছে, তার জন্য আমাদের কাছ থেকে তারা কোনো অনুমতি নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে আমরা নতুন করে ভাবছি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, ভবনের ছাদে বসানো টাওয়ারে কর দেওয়ার একটা নীতিমালা আছে। অথচ মোবাইল ফোন কোম্পানির টাওয়ার বসাতে আমাদের কাছ থেকে কেউ অনুমতি নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবছি, কিছু একটা করা যায় কি-না।
বিশেষজ্ঞরা জানান, শিশুদের থেকে কমপক্ষে ৫ ফুট দূরে মোবাইল রাখতে হবে। রাতে ঘুমানোর সময় মোবাইল কমপক্ষে ৭ ফুট দূরে রাখতে হবে। আবাসিক এলাকা থেকে দূরে লোকালয়ের বাইরে কমপক্ষে ৪০ তলা ভবন সমান উঁচুতে মোবাইলের টাওয়ার স্থাপন করতে হবে। কিন্ত এ নিয়মের কোন বালাই নেই এখানে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ছাদে মোবাইল টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষকের ছেলেমেয়েরা পড়ালেখা করেন উদয়ন স্কুলে। এই স্কুলের ছাদে কয়েকটি মোবাইল কোম্পানির টাওয়ার স্থাপিত আছে। টাওয়ার গুলো সরিয়ে নেয়ার আবেদন করা হলেও কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি বলে জানা গেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. গোলাম মোহাম্মদ ভুঞা তার গবেষণায় উল্লেখ করেন, মানব দেহের শত ট্রিলিয়ন কোষ নিন্ম শক্তির তড়িৎ চৌম্বকীয় সংকেত ও রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে। নিরবচ্ছিন্ন বহিঃ তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণে অবস্থান করলে এই বিকিরণ ক্ষেত্র আন্তঃকোষীয় যোগাযোগ পথকে সাংঘাতিকভাবে বিকৃত করে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে। ফলে ভুল ও বিকৃত সংকেতের কারণে কোষের ভেতরে অস্বাভাবিক কর্মকান্ড শুরু হয় এবং কোষ পর্দা শক্ত হয়ে যায়। কোন পুষ্টি কোষের ভিতরে ঢুকতে পারে না এবং বিষাক্ত দ্রব্য বের হতে পারে না। ফলে কোষটি বিষাক্ত হয়ে যায়। তখন জেনেটিক পরিবর্তন, অল্প বয়সে বৃদ্ধ হওয়া, স্মরণশক্তি লোপ, অবসন্নতা, লিউকেমিয়া ও ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগ দেখা দেয়। অন্য একটি গবেষণার উল্লেখ করে তিনি বলেন, মোবাইল ফোন ব্যবহারের পূর্বে ১৯৭০ সালে ১০ হাজার শিশুর মধ্যে অটিজমে (মানসিক প্রতিবন্ধী) আক্রান্তের সংখ্যা পাওয়া যেত একজন। ২০০৩ সালে এ হার হয়েছে ১৬৬ জন শিশুর মধ্যে একজন। বর্তমানে গবেষণায় অনেক বিজ্ঞানী ও ডাক্তার এই ইঙ্গিত পাচ্ছেন যে, তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণের আঘাতে শিশুদের দেহ কোষ ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে। ফলে জেনেটিক ড্যামেজ সংঘটিত হচ্ছে। যা অটিজম থেকেও বেশি মারাত্মক। বিকিরণের ভয়াবহতা সম্পর্কে আর কোন সন্দেহ থাকতে পারে না। আর এই দূষণে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে বাড়ি, হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাদে মোবাইল কোম্পানিগুলোর নির্মিত স্বল্প উচ্চ বেইজ স্টেশন বা টাওয়ার এন্টেনা।
তিনি বলেন, ১৫ কোটি মানুষের এই দেশে মোবাইল ফোনের ব্যবহারকারীর সংখ্যা দেশের অর্থনীতি অনুযায়ী যা হওয়ার কথা তার চেয়ে বেশি। ফলে অপরিকল্পিতভাবে টাওয়ার এন্টেনা বসানোর সংখ্যাও অধিক। বিকিরণের ভবিষ্যৎ ভয়াবহতা সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন মহল এখনও অজ্ঞাত রয়েছেন বলে মনে হয়। এ কারণে যেখানে সেখানে টাওয়ার স্থাপনের অনুমতি দেয়া হচ্ছে। প্রত্যেকটি এন্টেনা দিয়ে উচ্চ ক্ষমতার বিকিরণ প্রতিনিয়ত চারদিকে ছড়াচ্ছে। আর সম্মিলিত তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে কয়েক হাজার শিশু প্রতিদিন ৬/৭ ঘণ্টা অতিবাহিত করছে। ফলে এই শিশুরা ২০ বছর পরে বিকিরণের প্রভাবে লিউকেমিয়া, ব্রেন ক্যান্সার, স্মৃতিশক্তি হারানোসহ মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হতে পারে 
ড. গোলাম মোহাম্মদ ভূঞা তার গবেষণায় আরও বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করার জন্য যারা শক্তিশালী তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণে বেশিক্ষণ অবস্থান করছেন তারাই বেশি ব্রেন ক্যান্সার, লিউকেমিয়া ও লিমফোম্মিয়ায় অনেক বেশি আক্রান্ত হবে। বিশেষ করে লাইনম্যান, টেলিফোন লাইনম্যান, ইলেকট্রিক রেলওয়ে অপারেটর, ইলেকট্রিসিয়ান, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। লস-অ্যানজেলস-এর ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্কুল অফ পাবলিক হেলথ’ এর গবেষক সুসান প্রিসটন মারটিন এবং তাদের সহকর্মীদের দ্বারা শুধু ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কারের উপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায়, অন্যান্য পেশার লোকদের তুলনায় এই পেশায় নিয়োজিত লোকদের ব্রেনে এসটোসিটোমা নামের মালিগনেন্ট টিউমার দশগুণ বেশি।
১৯৭৯ সালে আমেরিকান জার্নাল অফ ইপিডেমিওলজিতে প্রকাশিত ড. নেনসি ভিওরথিমের গবেষণা থেকে দেখা যায় যে, আমেরিকার ডেনবার ও কলোরেডো এলাকায় উচ্চ তড়িৎ প্রবাহ লাইনের নিকটে অবস্থিত বাড়িসমূহে অবস্থানকারী শিশুদের মধ্যে লিউকেমিয়া ও ব্রেন ক্যান্সারের মাত্রা নি¤œ তড়িৎ প্রবাহ লাইনের পাশের বাড়িতে অবস্থানরত শিশুদের চেয়ে দুই গুণের বেশি। স্টকহোমের কারোলিনসা ইনস্টিটিউট-এর ড. মারিয়া ফেসিটিং এবং তার সহকর্মীগণ ১৯৯০ সালে একটি গবেষণা পরিচালনা করে দেখতে পান, যেসব বাড়িতে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিমাণ তিন মিলিগাউসের বেশি তাদের লিউকোমিয়া হওয়ার ঝুঁকি চার গুণেরও বেশি। এছাড়া ব্রিটিশ জার্নাল অফ মেডিসিন, স্কানডেনেভিয়ান জার্নাল অফ মেডিসিন এবং বায়ো ইলেকট্রোমেগনেটিকস জার্নালেও এরকম আরও অনেক গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান, ইলেকট্রনিক্স ও কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সুব্রত কুমার আদিতা বলেন, আবাসিক এলাকায় মোবাইলের টাওয়ার স্থাপন করা উচিত নয়। মোবাইলের টাওয়ারের রেডিয়েশনের প্রভাবে দেহের অনেক ক্ষতি হতে পারে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে মোবাইলের টাওয়ার আবাসিক এলাকায় স্থাপন করা হয় না।’
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট)র ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার বলেন, আবাসিক এলাকায় মোবাইলের টাওয়ার বসানো মোটেও ঠিক না। একটানা দীর্ঘক্ষণ মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন গ্রহণ করলে স্কিন ক্যান্সারসহ ভয়াবহ রোগের আশংকা থাকে। রেডিয়েশন গ্রহণের ফলে ঝিম ঝিম ভাব, ভয়, কাজের ব্যাঘাত ঘটে। তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলোতে রেডিয়েশনের মাত্রা নিয়মিত মনিটর করা হয়। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) মনিটর করার কোন যন্ত্রপাতি নেই। এ ব্যাপারে একাধিক মোবাইল কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা রেডিয়েশন সম্পর্কে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে তারা বলেছেন সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী তারা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
আন্তর্জাতিক ক্যান্সার রিসার্চ সংস্থার মতে, অতিমাত্রায় রেডিয়েশনের কারণে ব্রেইন ক্যান্সার হতে পারে। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন এর মতে, মোবাইল টাওয়ার রেডিয়েশনের কারণে মানুষের টিউমার, আলঝেইমার, ব্রেইন টিউমার, ক্যান্সার, বন্ধ্যাত্ব, নিদ্রাহীনতা, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও গর্ভপাতসহ বিভিন্ন  রোগ অতিত্রায় বেড়ে গেছে। সম্প্রতি ভারতে মোবাইল টাওয়ারের ক্ষতিকর দিক বর্ণনা করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। মোবাইল ফোনের টাওয়ার থেকে বিচ্ছুরিত তড়িৎ্-চুম্বকীয় বিকিরণের জন্য চড়ুই, মৌমাছি, ব্যাঙ, বাদুড় চামচিকা, শালিক, টুনটুনি, ময়না, টিয়া প্রভৃতি অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন। বিকিরণের জন্য বদলে যাচ্ছে পশু-পাখি-পতঙ্গকুলের আচরণ। সাথে সাথে তাদের প্রজননেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেন, বর্তমানে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের যোগাযোগের অন্যতম হাতিয়ার মোবাইল ও টেলিফোন সেক্টর অনেক বিস্তৃত ও আধুনিকায়ন হয়েছে। বিশাল এই সেক্টরটি মনিটর করার পর্যাপ্ত জনবল ও যন্ত্রপাতির অভাব রয়েছে। তবে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই সেক্টরটির উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, মোবাইল টাওয়ারের রেডিয়েশন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসরণ করে বিটিআরসি মোবাইল টাওয়ার বসানোর অনুমতি দিচ্ছে। তবে একথাও ঠিক যে এগুলো যথাযথভাবে মনিটর করার মতো প্রযুক্তি ও জনবল আমাদের নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ