ঢাকা, সোমবার 14 November 2016 ৩০ কার্তিক ১৪২৩, ১৩ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

আদমদীঘিতে ভাপা পিঠা তৈরি করে চলে অনেকের সংসার

আদমদীঘি (বগুড়া) সংবাদদাতা : হেমন্তের মাঝে টিনের চালায় টপ টপ শিশির পড়ার শব্দ আমাদের জানিয়ে দিচ্ছে কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে শীত এসেছে। কৃষকদের ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে নবান্ন উৎসব। গ্রামের গৃহবধূরা ঢেঁকিতে নতুন ধানের চাল থেকে আটা তৈরিতে ব্যস্ত। শীতের আগমনের সাথে সাথে শুরু হয়ে গেছে পিঠা পায়েসের উৎসব। ভাপা পিঠা, তেল পিঠা, চিতই পিঠা, পুলি পিঠা আরও হরেক রকম পিঠা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন গৃহবধূরা। শীত মানেই পিঠা খাওয়ার মোক্ষম সময়। শুধু গ্রামে নয়, শহরেও এখন পিঠা উৎসব শুরু হয়ে গেছে। 

আদমদীঘি উপজেলাসহ সান্তাহার শহরের বিভিন্ন মোড়ে ফুটপাতে বিশেষ করে সান্তাহার রেলগেটের পাশের দোকানিরা পিঠার পসরা সাজিয়ে বসে আছে। পুলি, চিতই, কুশলি এসব পিঠার পাশাপাশি ভাপা পিঠা বেশি নজর কাড়ে। দোকানিরা চালের আটায় নারকেল, গুড় নানা উপকরণ মিশিয়ে ভাপ দিয়ে ভাপা পিঠা তৈরি করছে। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অফিস থেকে ফেরার পথে, তরুণ-তরুণীরা সন্ধ্যার আড্ডায় এসব পিঠার দোকানে ভিড় জমায়। 

সান্তাহার শহরের রেলগেটে নূরজাহান বেগম নামে এক পিঠা বিক্রেতা জানায়, তারা দুপুরের রোদ পড়ে গেলে বিকেল হতে না হতেই পিঠার দোকান সাজিয়ে বসে। টাকা দরে প্রতিদিন অন্তত ৪০০ পিস পিঠা বিক্রি হয়। পিঠা বিক্রি করে প্রতিদিন - শত টাকা আয় করেন। দিয়ে সংসারের খরচ হয়ে যায়। শহরের টিকিট কাউন্টারের পাশের পিঠা বিক্রেতা এমদাদ হোসেন ইউনূছ আলী জানান, সারা বছর রিক্সা চালালেও শীতের এই তিন মাস তিনি ভাপা পিঠা বিক্রি করেন। দীর্ঘ / বছর ধরে তিনি শীতের সময় ভাপা পিঠা বিক্রি করে আসছেন। সময়ের বাড়তি আয় দিয়ে তিনি সংসারের বিভিন্ন চাহিদা পূরণ করে থাকেন। ভাপা পিঠা একদিকে যেমন সুস্বাদু একটি খাবার অন্যদিকে অনেকের কর্ম সংস্থান করে দেয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ