ঢাকা, সোমবার 14 November 2016 ৩০ কার্তিক ১৪২৩, ১৩ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সংঘাত-সংঘর্ষ-সহিংসতার প্রেতাত্মা

সংঘাত-সংঘর্ষ-সহিংসতার প্রেতাত্মারা রাজনীতিকে তছনছ করার পর এখন সমাজের আনাচে-কানাচে দৌরাত্ম্য দেখাচ্ছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নিধনের উৎসব শেষে এইসব দুষ্ট প্রেতাত্মারা দুর্বল ও সংখ্যালঘু মানুষের জান-মাল নিয়ে বর্বর ও পৈশাচিক উন্মত্ততা প্রদর্শন করছে। নাসিরনগরের হিন্দু সম্প্রদায় এবং উত্তরবঙ্গের সাঁওতালগণ যে বীভৎসতার অসহায় শিকার। নিজের কোন্দল আর ক্ষমতার মদমত্ততায় রাজনীতির অশুভ প্রেতাত্মারা বলিতে চড়াচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়কে। প্রথম আলো, বিডিনিউজ২৪ এবং দেশের প্রায়-সকল গণমাধ্যম ও মিডিয়ায় ঘটনার প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করেছে। ধর্মনিরপেক্ষতার ছদ্মবেশে চরম সাম্প্রদায়িকতার প্রকাশের ঘৃণ্য ঘটনার নিন্দা জানানোর ভাষাও আমাদের নেই। সেদিন যদি ইসলামী নেতৃবৃন্দ সমাবেশ করে ঐক্য স্থাপন না করতেন, তাহলে সংঘাত-সংঘর্ষ-সহিংসতার প্রেতাত্মারা প্রলয়ের অগ্নিতে হিন্দুদের চিতা জ্বালিয়ে দিত। আক্রান্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের সাধারণ মানুষ স্পষ্ট বলেছেন, “প্রতিবেশী মুসলিমগণ আমাদের বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে না পড়লে আমরা বেঁচে থাকতে পারতাম না।” যদিও কতিপয় হিন্দু সাম্প্রদায়িক, যারা সে সম্প্রদায়ের মানুষদের নিয়ে নোংরা রাজনৈতিক খেলায় লিপ্ত, তারা প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে পূর্বের মতোই সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়েছে। কিন্তু কেউ তাদের বিশ্বাস করে নি। হিন্দুদের অধিকার রক্ষার একমাত্র চ্যাম্পিয়ান আওয়ামী লীগ এবার প্রকাশ্যে যা করলো, সেটা আড়াল করার কোনো পথই পাচ্ছে না বশংবদরা।
আমরা যদি প্রকৃত মানবিক জায়গা থেকে হিন্দুদের ওপর আক্রমণের ঘটনাটিকে বিশ্লেষণ করি, তাহলে কুশাসনের কুৎসিত চেহারাই দেখতে পাবো। যদিও বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় একতরফা, অগ্রহণযোগ্য, জনঅংশগ্রহণহীন শাসনের কথা কল্পনাও করা যায় না, তথাপি আমরা এমনই পরিস্থিতির শিকার। যার কারণে গণতান্ত্রিক প্রতিপক্ষ এবং এখন সংখ্যালঘুরাও আক্রান্ত।  একদলীয় শাসন বর্তমান প্রেক্ষাপটে বৈধতা পাচ্ছে না, এটা জেনেই শক্তির মহড়া চলছে এবং সেটা ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়ে হিন্দু, সাঁওতাল, আদিবাসী ইত্যাদি শ্রেণি ও সম্প্রদায়কেও পুড়িয়ে মারছে। লগি আর বৈঠার সন্ত্রাস যারা শুরু করেছিল, তারা সেটাকে থামানো দুরস্ত, দেশব্যাপী সম্প্রসারিতই করেছে। এহেন সংঘাতের প্রচলন গণতন্ত্রের কথা নয়। গণতন্ত্র বলবো বটে, কিন্তু আইনের ন্যায়বিচার ও শাসন করবো না, মানুষের বাক-ব্যক্তি-মৌলিক অধিকার দিবো না, এটা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তথাকথিত ছদ্ম-গণতন্ত্রই এসব কারণে বার বার প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।
অথচ সংঘাত এড়িয়ে সমন্বয়ের কাজটিই গণতন্ত্রের প্রাণ। আর গণতন্ত্রের প্রাণ প্রতিষ্ঠার পূর্ণ সুযোগ নিতে হলে বাকস্বাধীনতাই শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। সকলের নিরাপত্তাই প্রধান কথা।  কিন্তু‘অসৌজন্যের রাজনীতি’ বাক-সংযমের বদলে বল্গাহীন বক্তব্যে সমন্বয়কে নস্যাৎ করে সংঘাতকেই তীব্র করে। একই সঙ্গে ‘আক্রমণের প্রবণতা’-এর কারণে গণতন্ত্রের প্রাণ তো প্রতিষ্ঠা পায়ই না, বরং ওষ্ঠাগত হয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘অসৌজন্য’, ‘শক্তি প্রয়োগ’, ‘ক্ষমতার দম্ভ’ এবং ‘বাক-বিকৃতি’ এতোটাই প্রবল হয়েছে যে, সন্ত্রাস, হানাহানি, বাগাড়ম্বর, মিথ্যা, কুরুচি এসে ঠাঁই নিয়েছে। বক্তৃতা, বিবৃতি, ভাষণ ইত্যাকার প্রকাশযোগ্য প্রতিটি মাধ্যমেই এখন বাকস্বাধীনতার নামে একতরফা যা চলছে, তা ভয়াবহ। কথা আর কথায় থাকছে না; চোখ উপড়ে ফেলতে চাচ্ছে। উদাহরণটি পুরাতন। নিত্য নতুন উদাহরণ আমরা প্রতিদিনের পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত অমৃত-বচন (!) থেকে পেয়ে থাকি। যার প্রতিফল সমাজে ও রাজনীতিতে দেখা যাচ্ছে। বিএনপি, জামায়াতের নেতাদের ধরে ধরে মারা এবং হিন্দু বা সাঁওতালদের টার্গেট করে উৎসবের মতো আনন্দে মারতে যাওয়ার পেছনে আদর্শ তো একটিই। আর সেটা হচ্ছে, গণতন্ত্রের প্রতি অশ্রদ্ধা ও অমান্যতা। গণতন্ত্রের পোশাক নিয়ে যারা চলছে, তারা যে আদপে গণতান্ত্রিক নয়, সেটা নিজেদের কথা ও কাজের দ্বারাই সোৎসাহে প্রমাণ দিচ্ছে।    
গণতন্ত্রের অবক্ষয় ও অচলাবস্থা আমরা প্রতিনিয়ত দেখতে পাই, প্রবল সামাজিক অস্থিরতায়। এই অবক্ষয়ের দরুন সমাজের ছোট-বড়, নেতা-কর্মী, শিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত সকলের কথা-বার্তায়, আচার-আচরণে সৌজন্য ও শালীনতার অভাব দিনে দিনে প্রকট হচ্ছে। বাসে-ট্রেনে-বাজারে-মাঠে-ময়দানে অসৌজন্যের উত্তেজিত ভঙ্গি বন্য মোষের মতো ধেয়ে আসছে। নাসিরনগর বা উত্তরবঙ্গে তেমনই নোংরামির প্রকাশ ঘটেছে।  কেউ বিন্দুমাত্র সহ্য করতে, পরমতসহিষ্ণুতা প্রদর্শন করতে বা উদারতা দেখাতে পারছে না। অথচ শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধের মাধ্যমেই মানুষকে উন্নত, মহৎ, আধুনিক ও গণতান্ত্রিক হয়ে উঠতে হয়। এজন্যই উদার, গণতান্ত্রিক, ভদ্র ও সভ্য মনুষ্যসমাজের অন্যতম মৌলিক শর্ত হল সৌজন্য ও শিষ্টাচার। ছদ্ম-গণতন্ত্রের নেতা-কর্মীগণই গণতন্ত্রের ন্যূনতম শর্ত মানছেন না। তাই, নাসিরনগরের ঘটনায় মন্ত্রী, নেতাদের অশালীন ও অভব্য মন্তব্যের সমালোচনা হচ্ছে। তাদের ইন্ধনের সূত্র বের হয়ে আসছে। ছদ্ম-গণতন্ত্রের নামে এহেন ঘৃণ্য কুকর্ম করে তারা আসল গণতন্ত্রেরই বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছেন।
পরিতাপের বিষয়, অবক্ষয়ের ধারায় ব্যক্তি, সমাজ, রাজনীতি সৌজন্য ও শিষ্টাচারের আদর্শ থেকে ভ্রষ্ট হচ্ছে। এখন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী-সমর্থকরা উৎকটভাবে স্বার্থের দড়ি টানাটানিতে মদমত্ত। আত্মম্ভরিতা ও স্বার্থলিপ্সার উদগ্র মোহ এমন নিকৃষ্টভাবে তাদের মতিভ্রম ঘটাচ্ছে যে, তাদের কথাবার্তা, অঙ্গভঙ্গি, আচার-আচরণকে মনে হচ্ছে অসৌজন্য ও অভদ্রতার আকর। গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারী হয়েও অনেকেই প্রায়শ নিজেদের আত্মপ্রকাশের সময় ন্যূনতম সৌজন্য ও শালীনতা প্রদর্শনে কুণ্ঠা বোধ করছেন! প্রতিপক্ষকে আক্রমণের সময় নির্লজ্জ আচরণ করছেন। এবং যেসব ক্ষুদ্র ব্যক্তি ও সম্প্রদায় সহযোগী ও বন্ধু বলে পরিচিত, তাদেরকেও স্বার্থের কারণে নির্মমভাবে মারপিট করছেন; ঘর-বাড়ি ভাঙছেন; গালিগালাজ করছেন। এতে স্বৈরাচারের উৎকৃষ্ট নমুনা হিসাবে তারা নিজেদেরকে উপস্থাপিত করছেন, সে খেয়াল রাখার প্রয়োজনও বোধ করছেন না।    
এটা ঠিক যে, সমাজে ও রাজনীতিতে মতাদর্শ বা কাজকর্মের ব্যাপারে ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে, দলের মধ্যে মতপার্থক্য কিংবা বিরোধিতা থাকতে পারে; থাকা স্বাভাবিকও বটে; তবে তা কখনওই পারস্পরিক সৌজন্য-শালীনতাকে লংঘন করবে না। কিন্তু বিরোধ বা বৈসাদৃশ্যের জন্য একজন আরেকজনকে অবমাননার স্তরে টেনে নামালে তদপেক্ষা নৈরাশ্যজনক আর কিছু হয় না। কর্তাগণের এহেন কর্মে [পড়ুন ‘অপকর্মে’] জনগণের মাথা হেঁট হয়ে আসে। স্তাবক ও স্বার্থলোভী সমর্থকরা এমনতর কুশিক্ষায় আরও এক ধাপ এগিয়ে অসৌজন্য আর অশালীনতার মচ্ছব লাগিয়ে ফেলে। এমন দুরবস্থায় সহিংসতা উস্কে ওঠে স্ফুলিঙ্গের মতো। কিন্তু এই উগ্রদের  আরেকটি জিনিস দেয়ার কথাও বিশেষভাবে চিন্তা করতে হয়; যার কথা বলে গেছেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ: “যাকে কিছু দেওয়া যায় না, তাকেও একটি জিনিস দেওয়া যায়, তার নাম সৌজন্য।” নারী, শিশু, সংখ্যালঘুরা, প্রতিপক্ষগণ  সমাজের ক্ষমতাসীন-বৃহৎ অংশের কাছ থেকে সৌজন্যটুকুও পাচ্ছে না; পাচ্ছে আগুন, হামলা, রক্ত, মৃত্যু। যেমন বিরূপতা নিত্যদিন পাচ্ছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষগণ।  
তারপরেও সমাজের শান্তি-স্থিতি-নিরাপত্তার জন্য ক্ষমতাধারীদের কাছ থেকে সৌজন্য ও শিষ্টাচারের উদাহরণ আশা করতে ইচ্ছে করে। কারণ সৌজন্য ও শিষ্টাচারের মাধ্যমেই তারা অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তিসমূহের কাছ থেকে সৌজন্য ও শিষ্টাচার দাবি করতে পারবেন; মানুষের প্রকৃত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অর্জন করতে পারবেন। তা না হলে, হত্যা, গুম, হামলা, মামলা, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, শেয়ার-হলমার্ক-ডেসটিনি কেলেঙ্কারী, সাগর-রুনী হত্যা রহস্যসহ অন্যান্য কাজে ব্যর্থতার মতো সংখ্যালঘু ও আদিবাসী নির্যাতন, অসৌজন্য ও অশিষ্টাচারের দায়ভারও তাদেরকে বহন করতে হবে। বিরাট কলঙ্ক তিলক মস্তকে বহন করেও সংশ্লিষ্টরা যে ভাষায় কথা বলেছে; এবং যেমন বীরদর্পে সারা দেশ দাপিয়ে বেড়িয়েছে, তাতে মানুষ বিস্মিত হয়ে গেছে। অপরাধ স্বীকারের মতো সৎসাহস দেখানোর কেউ ছিল না। অপরাধ হয়েছে অথচ সংশ্লিষ্ট কেউ অপরাধ স্বীকার করছে না। তাহলে এসব গায়েব অপরাধের দায়িত্ব কার? নির্বাচনের সময় জনগণ সেটা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেবে-এতে কোনওই সন্দেহ নেই। যারা অন্ধভাবে বিশেষ মহলকে রাজনৈতিক-পুজা করে, আক্রান্ত হওয়ার পর তাদেরও মোহমুক্তি ঘটার সময় এসেছে।
শাসন মানে নর্দন-কুর্দন নয়, রণহুঙ্কার বা বাগাড়ম্বর বা হামলা নয়, সকলকে নিয়ে চলা। ছোট-বড় সবার প্রতি আইনানুগত আচরণ করা। প্রতিপক্ষকেও ন্যায়বিচারের স্বীকৃত মানদণ্ডের মাধ্যমে বিচার করা। অথচ এখন সর্বত্র উচ্চারিত হচ্ছে যে, সব করা হচ্ছে প্রতিপক্ষ নিধনের জন্য, রাজনৈতিক উদ্দেশ সিদ্ধির জন্য। জনগণ তো কাউকে স্বার্থসিদ্ধির জন্য ক্ষমতায় দেখতে চায় না। ক্ষমতা তো হিংসা মেটানোর জায়গা নয়। ক্ষমতার দিকে তাকিয়ে জনগণ সুশাসনের আশায় থাকে। সেই জনআশায় ছাই দিয়ে অতীতে কেউ পার পেতে পারে নি; ভবিষ্যতেও পারবে না। সাদা আর কালো, সত্য আর মিথ্যা দিবালোকের মতো স্পষ্ট হয়ে যাবে। আজকে রাজনীতি যখন দাবি করে জনগণের ভাগ্য-উন্নয়ন, সমৃদ্ধি, নিরাপত্তা, আয়-রোজগার বৃদ্ধির মতো এজেন্ডা, তখন বেছে বেছে ধর্ম বিশ্বাসী, দেশপ্রেমিক, জাতীয়তাবাদীদের প্রহসনের মাধ্যমে বধ করার কারণ কি? উত্তরবঙ্গের সাঁওতাল ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও নাসিরনগরে হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপরই বা হামলা হবে কেন?  প্রতিপক্ষ ও দুর্বলদের বিরুদ্ধে কি ভয়ঙ্কর নির্মমতায় বিচারের বাণীকে ভ্রষ্ট করা হচ্ছে; সাক্ষী-সাবুদ লোপাট করা হচ্ছে; গায়ের জোরে একটি সুপরিকল্পিত নীলনকশার দিকে এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে, ভাবলে শিউড়ে উঠতে হয়। দেশী-বিদেশী সর্বমহলেই আজকে প্রশ্নের পর প্রশ্ন। এইসব প্রশ্নের জবাব না দিয়ে সহজে পার পাওয়া যাবে না।
জনগণ শুধু নির্বাচনের সময় জবাবদিহি করে, এমন নয়। ক্ষমতার নামে কেমন কাজ করা হচ্ছে, সেটা মূল্যায়ন করে সর্বদা। গণতন্ত্রে একদলীয় শাসন যেমন কেউ মানে না; একদলীয় বা স্বৈরতান্ত্রিক আচরণও কেউ মেনে নেয় না। বহুদলীয় গণতন্ত্রের ঐতিহ্যে বিকশিত বাংলাদেশে জনপ্রতিনিধিত্বমূলক শাসন শুধু তত্ত্বগত বাস্তবতাই নয়, বাস্তব প্রয়োজনীয় বিষয়ও বটে। বাংলাদেশ বহু চেষ্টা ও সাধনায় বহুদলীয় গণতন্ত্রের যে ধারা সৃষ্টি করেছে, সেটাও নস্যাৎ হবে যদি সকল মহলকে আস্থা ও নিরাপত্তার মধ্যে আনা না হয়। যদি শাসনের মানবিকতা, স্বচ্ছতা, পবিত্রতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা সকলের কাছে প্রমাণিত না হয়, তাহলে সেটা কারো কাছে কাম্য হবে না। পুরো প্রক্রিয়াটিই তখন গণমানুষের বিরুদ্ধের বলে চিহ্নিত হবে। প্রকৃত গণতন্ত্রমনা শক্তি কখনোই এমনটি চাইতে পারে না। তাই নাসিরনগর ও উত্তরবঙ্গের হামলার বিচার এবং সমাজ ও রাজনীতি থেকে সংঘাত-সংঘর্ষ-সহিংসতার প্রেতাত্মাদের আশু অবসান দরকার। দরকার সমাজ ও রাজনীতিতে সকলের প্রতি সমান আচরণ এবং প্রকৃত গণতান্ত্রিক সুশাসন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ