ঢাকা, সোমবার 14 November 2016 ৩০ কার্তিক ১৪২৩, ১৩ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

৮ জনের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের মামলা চলবে

স্টাফ রিপোর্টার : পূর্বাচলে খাস জায়গার গাছ ব্যক্তিমালিকানা দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ও কানুনগো পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ আটজনের মামলার কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তাদের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করায় এখন ওই আটজনের বিরুদ্ধে মামলা চলতে আর বাধা নেই। আট আসামী হলেন শেরপুর সদরের কানুনগো আবু তাহের, রুপগঞ্জের কানুনগো আব্দুল হালিম ভূঁইয়া, রাজউকের স্টেট ইন্সপেক্টর মো. জাকের হোসেন, কিশোরগঞ্জের এএলএও মো. মইনুল হক, রাজউকের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান, টঙ্গীর জনৈক আলী আমজাত খান, আব্দুস সালাম খান ও আলী আফজাল খান দুলু।
হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে দুদকের আবেদনের শুনানি শেষে গতকাল রোববার প্রধান বিচারপতির সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান। আসামীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন।
চলতি বছরের ২৯ আগস্ট দুদকের সহকারী পরিচালক আব্দুস সালাম আলী মোল্লা ১২ জনের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানায় মামলা করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামীরা অসৎ উদ্দেশে অন্যায়ভাবে আর্থিক লাভের জন্য একে অপরের সহযোগিতায় রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পের কামতা মৌজায় বাস্তবের বেশি গাছ দেখিয়ে এবং খাস জায়গার গাছ ব্যক্তিমালিকানায় দেখিয়ে ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৫১ হাজার ৮৯৭ টাকা আত্মসাৎ করেন। এরপর ১২ জনের মধ্যে আট আসামী হাইকোর্টে একটি আবেদন করেন। এ  আবেদনের শুনানি নিয়ে ২১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে রুল জারি করেন। এ আদেশের বিরুদ্ধে দুদক আপিলে আবেদন করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ