ঢাকা, সোমবার 14 November 2016 ৩০ কার্তিক ১৪২৩, ১৩ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মহাসড়কের পাশে দোকানপাট গড়ে উঠায় সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) সংবাদদাতা: দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ ভায়া ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়কের জায়গা দখল করে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় সরু হয়ে আসছে রাস্তাটি, ফলে বাড়ছে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা। সড়ক ও জনপদের কোন নজরদারী না থাকায়, রাস্তা দখল করে একের পর এক দোকান পাট গড়ে উঠছে বাধাহীন ভাবে। তবে সড়ক ও জনপদের কর্মকর্তারা বলছেন, অচিরেই উচ্ছেদ অভিযানে নামবেন তারা, কিন্তু কতদিন পর সেই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে সেই বিষয়ে কেউ  বলতে পারেন না।এ দিকে দিনাজপুর সড়ক বিভাগ অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কয়েকদফা নোটিশ দিলেও তারা দখল ছাড়েননি।
দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কটি দিয়ে, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় জেলার ফুলবাড়ী শহরের মাঝদিয়ে, রাজধানী শহর ঢাকাসহ, রাজশাহী রংপুর, খুলনা, সিলেট, চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করে, ফলে এই আঞ্চলিক মহাসড়কটি সর্বদাই থাকে ব্যস্ত। এই ব্যস্ততম সড়কটির জায়গা দখল করে দোকান পাট-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠায় যানজট লেগে থাকে, ও প্রায় সময় ঘটে থাকে ছোট-বড় সড়ক দুর্ঘটনা।
সড়ক ও জনপদের কয়েক জন পদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন কয়েক দফা উচ্ছেদ অভিযানের সিদ্ধান্ত হলেও রাজনৈতিক কারণে তা আর পরিচালনা করা হয়নি, তবে তারা বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হবে।
মটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার আলী দুলাল বলেন, দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কটি অন্যন্য যে কোন মহাসড়কের তুলনায় অনেক ব্যস্ততম একটি সড়ক, এই সড়কটি দিয়ে যে পরিমাণ যানবাহন চলাচল করে, অনেক মহাসড়ক দিয়েও এত পরিমাণ যানবাহন চলাচল করে না।
কিন্তু ঘোড়াঘাট থেকে দিনাজপুর সড়কটি প্রশস্ত না হওয়ায় একটি গাড়ী অপর গাড়ীকে ক্রস করতে পারেনা। রাস্তাটি বারবার সংস্কার নাকরে পুন:নির্মাণ করলে যানবাহন চলাচল আরও সহজ হবে। রাস্তাটি লক্ষিপুর,ফুলবাড়ী ঢাকামোড় নামক জায়গায় মারাত্মক গর্ত হওয়ায় যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
গত ২০০৭-২০০৮ সালে তত্তাবধায়ক সরকারের সময় এই সড়কটি দখল মুক্ত করা হয়েছিল, এরপর রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে পুনরায় সড়কের জায়গা দখল হওয়া শুরু হয়। ২০০৮ সালের পর আজও কোন উচ্ছেদ অভিযান চলেনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ