ঢাকা, বৃহস্পতিবার 17 November 2016 ৩ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ১৬ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রামপাল বিমানবন্দরের অধিগ্রহণকৃত জমির তালিকা প্রণয়ন সম্পন্ন

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদাতা: রামপালের খানজাহান আলী বিমানবন্দরের নির্মাণকল্পে প্রস্তাবিত জমি অধিগ্রহণ ও খাস জমি বন্দোবস্তের তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কতৃপক্ষের পরিচালক মোঃ আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত এক খসড়া বিবরণীতে মৌজাভিত্তিক জমি বন্দোবস্তের তালিকা প্রণয়ন করা হয়।
বেসরকারী বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, বিমানবন্দর এলাকার আশপাশের ৯টি মৌজায় প্রস্তাবিত মালিকানাধীন জমির পরিমাণ ৪৬৮ একর ৫৪ শতাংশ এবং খাস জমি ৬৭ একর ৪৫ শতাংশ দেখানো হয়েছে।
এর মধ্যে গোবিন্দপুর মৌজায় মালিকানাধীন ৮০ টি দাগে ১৮ একর ০৪ শতাংশ এবং ৫টি দাগে খাস জমি ৯৫ শতাংশ।
ধলদাহ মৌজায় মালিকানাধীন  ২০৪ টি দাগে ৭২ একর ২৫ শতাংশ এবং ২৩ টি দাগে খাস জমি  ৪ একর ৭৭ শতাংশ।
ঝালবাড়ি মৌজায় মালিকানাধীন  ৪৩ টি দাগে ১৭ একর ২৭ শতাংশ এবং ৩ টি দাগে খাস জমি ২ একর ১৫ শতাংশ।
হোগলডাঙ্গা মৌজায় মালিকানাধীন  ৫৭১ টি দাগে ২২৩ একর ১০৬ শতাংশ এবং ৪১ টি দাগে খাস জমি  ৪৫ একর ১২৫ শতাংশ।
চাঁচড়ী মৌজায় মালিকানাধীন  ১৩২ টি দাগে ৬০ একর ১১২ শতাংশ এবং ১৩ টি দাগে খাস জমি ৮ একর ৯৭ শতাংশ।
বড় নবাবপুর মৌজায় মালিকানাধীন  ২২ টি দাগে ৬ একর ২৪ শতাংশ এবং ০৩ টি দাগে খাস জমি ২ একর ১৯ শতাংশ।
বামনডহর মৌজায় মালিকানাধীন  ৪২ টি দাগে ৮ একর ৩০ শতাংশ এবং ১ টি দাগে খাস জমি ০৮  শতাংশ। কদমদী মৌজায় মালিকানাধীন  ৪৪ টি দাগে ৩ একর ৯৪ শতাংশ এবং ০৩ টি দাগে খাস জমি ৩৮ শতাংশ এবং দেবীপুর মৌজায়  মালিকানাধীন  ৩২০ টি দাগে ৫৭ একর ৩১ শতাংশ এবং ১১ টি দাগে খাস জমি  ২ একর ২৪ শতাংশ।
প্রসঙ্গত ১৯৯৬ সালে খানজাহান আলী বিমানবন্দও নির্মাণের জন্য প্রথমে ৯৪ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। 
মাটি ভরাটসহ বেশ কিছু দৃশ্যমান কাজ হলেও বিগত বছরগুলোতে তেমন কোন কাজ হয়নি। গত বছরের ৫ মে একনেক সভায় সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন করে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য জমির পরিমাণ নির্ধারণ করে ৫৩৬ একর বাড়ানো হয়।
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য পরবর্তীতে ঐ ৯টি মৌজা থেকে জমি অধিগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অপরদিকে বাস্তবাড়ি রক্ষা সংগ্রাম কমিটির মতে, খানজাহান আলী বিমানবন্দরের নির্মান হলে এ এলাকার দাউদখালী ও জৌখালী নদীসহ বৃহৎ বেশ কয়েকটি খাল যা মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলের প্রধানতম পানি প্রবাহের উৎস্য সম্পন্ন বন্ধ হয়ে যাবে।
প্রসংগত এলাকার পরিবেশ প্রতিবেশ বিপন্ন এবং মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল আবারও হুমকির মুখে পড়বে বলে পরিবেশবাদীরাও প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ