ঢাকা, শুক্রবার 18 November 2016 ৪ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ১৭ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ট্রাম্পের সমালোচনা করায় মার্কিন অধ্যাপক আটক

১৭ নবেম্বর, দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট : যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির রুটজার বিশ্ববিদ্যালযরে উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক কেভিন অলরেড। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে দেওয়া পোস্টে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করেছিলেন তিনি। আর এটাই কাল হয়েছে তার। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পোস্ট দেওয়ার ‘অপরাধে’ তাকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট। তবে শ্বেতাঙ্গবিরোধীতার অতীত নজিরও রয়েছে এই অধ্যাপকের।

টুইটারে যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে ট্রাম্পের যে পরিকল্পনা তার সমালোচনা করেন অধ্যাপক কেভিন অলরেড। এরপরই ক্যাম্পাস পুলিশ তাকে ‘হুমকি’ হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করে।

অধ্যাপক কেভিন অলরেড বলেন, মন্তব্যকে টুইটার নেটওয়ার্ক ও ক্যাম্পাসের জন্য বিপজ্জনক আখ্যা দিয়ে তাকে আটক করা হয়। এমনকি মুক্তির আগে তাকে হাসপাতালে মনোরোগ সংক্রান্ত মূল্যায়নে যেতেও বাধ্য করা হয়।

কেভিন অলরেড-এর ভাষায়, ‘নিউ ইয়র্ক পুলিশ আমার বাসায় আসে। কারণ ক্যাম্পাস ও টুইটারে আমার রাজনৈতিক বক্তব্যকে রুটজার পুলিশ হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তারা নিউ ইয়র্ক পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছে। কার্যত আমি গ্রেফতার না হলেও তারা আমাকে জোরপƒর্বক একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন করা হয়।

টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন অধ্যাপক কেভিন অলরেড। মার্কিন সংবিধানের এ নিয়মের দোহাই দিয়ে দেশটির বন্দুক অধিকার কর্মীরা দাবি করেন যে, সংবিধান তাদের অস্ত্র বহনের অধিকার দিয়েছে।

কেভিন অলরেড বলেন, হ্যাঁ, দ্বিতীয় সংশোধনী নিয়ে আমার টুইট জ্বালাময়ী ছিল। তবে এটা ছিল পুরোপুরি বাকস্বাধীনতার মধ্যে থেকেই করা হয়েছে। এখানে সরাসরি হুমকির মাত্রা শূন্য। এটা ছিল একটা তাত্ত্বিক প্রশ্নের মতো।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ