ঢাকা, শনিবার 19 November 2016 ৫ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ১৮ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

চিরিরবন্দর কৃষকদের শীতের সবজিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা

চিরিরবন্দর : একটি সবজি খেত

মানিক হোসেন, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা : চিরিরবব্দর উপজেলায় সকাল হলেই গ্রামারের প্রতিটি হাট-বাজারে পাইকারি ও খুচরা দামে শীতের সবজি উঠতে শুরু করেছে। ভটভটি, ভ্যানে এসব সবজি বাজারে আসছে। কেনা বেচাও ভালো। ফলে লাভের মুখ দেখছেন এখানকার চাষিরা। ধান সহ অন্যান্য ফসল আবাদ করে একের পর এক লোকসান গুনে এবার শীতের সবজিতে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন উপজেলার কৃষকেরা।
উপজেলার সাইতীড়া, ইসবপুর, সাতনালা, আউলিয়াপুকুর, পুন্ট্রি, ফতেজংপুর ও ভিয়াইল ইউনিয়নে ঘুরে দেখা গেছে, ব্যাপক সবজি চাষ করা হয়েছে। উপজেলার বাংলাবাজার,ওকরাবাড়ি, কিষ্টহরি বাজার, দুর্গাডাঙ্গা, আতারবাজার,কালীতলা, বেলতলী, বিন্যাকুড়ি, জোত সাতনালা প্রভৃতি এলাকায়  দিনরাত সবজির নিবির পরিচর্যা করছেন কৃষকেরা। কেউ কেউ পোকামাকড় দমনে কেউবা কৃষি লোক লাগিয়ে সবজির পরিচর্যা করেছেন।
সাতনালা এলাকার চাষি মো: মুকুল, জাকির হোসেন ও মতিয়ার হোসেন বলেন, কযেক বছর ধরে ধান চাষে আমরা কৃষকেরা ভালো দাম না পাওয়ায় শীতের সবজি আবাদ করে দুটো টাকার মুখ দেখছি । আমরা এই এলাকার কৃষকরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছি।
চিরিরবন্দর রাণীরবন্দর বাজারের পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি শিম ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৩৫ টাকা, ফুলকপি ৩৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ৫০ টাকা, ধনেপাতা ১৫০ টাকা, নাপাশাক ২৫ টাকা, সরিষাশাক ২০ টাকা,লাউ ৪০ টাকা, মুলাশাক ১০ টাকা, ও মুলা ২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এখানকার পাইকারি বাজার থেকে কিনে খুচরা দোকানিরা কেজিতে ৫ থেকে সর্বোচ্চ ২০ টাকা লাভ করছেন। অথচ পাইকারি বাজার থেকে খুচরা দোকানিদের দূরত্ব মাত্র ২০০ গজ। এ ছাডা এই বাজার থেকে পাইকারেরা শীতের সবজি কিনে ট্রাকযোগে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি অফিসার মো: মাহামুদুল হাসান বলেন, চিরিরবন্দর উপজেলায় বেশী ভাগ জমি উচুঁ ও সমতল জমি সবজি চাষের জন্য উপযোগী। ধান ও অন্যান্য ফসল চাষাবাদ করে কৃষকেরা ভাগ্য বদলাতে পারেননি। ফলে চলতি মৌসুমে সবজি চাষ করা হয়েছে। এতে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন এবং ঘুরে দাড়ানোর চেষ্টা করছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ