ঢাকা, সোমবার 21 November 2016 ৭ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ২০ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ডা. ইকবাল মাহমুদকে উদ্ধারে নেয়া পদক্ষেপ জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীতে অপহৃত চিকিৎসক ইকবাল মাহমুদকে উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কি পদক্ষেপ নিয়েছে আগামী ১০ দিনের মধ্যে তা আদালতকে জানাতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোট একইসঙ্গে ডা. ইকবাল মাহমুদকে উদ্ধারে নিষ্ক্রিয়তা কেন কর্তব্যে অবহেলা হিসেবে গ্রহণ করা হবে না তা জানতে চেয়েও রুল জারি করেছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সরকারের স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, ডিএমপি কমিশনার, র‌্যাাবের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

ইকবাল মাহমুদকে উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে তার বাবা এ কে এম নুরুল আলম হাইকোর্টে হেবিয়াস কর্পাস রিট দায়ের করেন। এই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে গতকাল রোববার বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি এম. ফারুক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাহবুবুর রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী জিয়াউদ্দিন কাসেম। অপরদিকে সরকার পক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল আমাতুল করিম।

গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত ১৫ অক্টোবর রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে ডা. ইকবাল মাহমুদকে গাড়িতে তুলে নেয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, রয়েল কোচ নামে একটি বাস সায়েন্স ল্যাবরেটরির মোড়ে ধানমন্ডি ১ নম্বর রোডের কাছে এসে থামে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা কর্মকর্তা ইকবাল মাহমুদ ওই বাস থেকে নেমে দাঁড়ান। সঙ্গে সঙ্গে সাত-আটজন তাকে ঘিরে ধরেন এবং খুব দ্রুত মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে চলে যায়। মাইক্রোবাসের পেছনে পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যানও যেতে দেখা যায় একটি ফুটেজে। অপহরণের পর গত দেড় মাসেও ওই চিকিৎসকের কোনো খোঁজ এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

২৮তম বিসিএস পাস করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে কাজ শুরু করেন ইকবাল মাহমুদ। অক্টোবর মাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) অ্যানেসথেশিয়া বিভাগে দুই মাসের প্রশিক্ষণ নিতে ঢাকায় আসেন তিনি। 

তার অপহরণের ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন ইকবাল মাহমুদের বাবা এ কে এম নুরুল আলম। তারপরও কোনো সন্ধান না পেয়ে তিনি ১৫ নবেম্বর হাইকোর্টে রিট আবেদনটি করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ