ঢাকা, সোমবার 21 November 2016 ৭ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ২০ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

শুকনো মওসুমের আগেই কমতে শুরু করেছে তিস্তার পানি

সংগ্রাম ডেস্ক : নবেম্বরেই কমতে শুরু করেছে উত্তরের জীবন খ্যাত তিস্তা নদীর পানি। ১৯৮৭ সাল থেকে তিস্তার পানি একতরফাভাবে প্রত্যাহার করে আসছে ভারত। আমাদের সময়.কম।
২০১৫ সালে রেকর্ড ভেঙ্গে এই নদীর পানি নেমেছিল প্রায় শূন্যের কোঠায়। কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে তিস্তা চুক্তি জরুরি হয়ে পড়েছে।
তিস্তা ব্যারেজের উজানে নদীর উৎসমুখ। ভারতের গজলডোবায় সুইজগেট নির্মাণ করে এ নদীর উচ্ছল, দুর্বার গতি রোধ করে দেয়া হয়েছে।
বর্ষায় রাক্ষসী নদী এখন আর কোন নদী নয়, যেন মরা খাল। শুকনো মওসুমের শুরুতেই জেগে উঠেছে নতুন চর। ক্ষীণ ধারায় যে পানি প্রবাহিত হচ্ছে তাতে পায়ের পাতা ভেজা দায়। এতে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এই অঞ্চলের প্রান্তিক কৃষক।
এক জেলে বলেন, ‘নদীর পানি প্রতিদিন ১ ফুট করে কমে যাচ্ছে। এখন পানি না থাকার কারণে আমাদের ভীষণ সমস্যা হচ্ছে। একদিকে কোন মাছ ধরতে পারছি না, অন্যদিকে পানির অভাবে চাষাবাদে সমস্যা হচ্ছে’।
গত কয়েক বছর ধরে তিস্তায় পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না। তাই বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে দেয়া হয়েছে। নদীতে এ বছর কি পরিমাণ পানি পাওয়া যাবে তারও কোন সঠিক পরিসংখ্যান নেই।
উত্তরের তিন জেলার কৃষি চিত্র পাল্টে দিয়েছে তিস্তা সেচ প্রকল্প। আসছে বোরো মওসুমে এবারও নদীতে পানি না পেলে চাষাবাদে বিপর্যয় ঘটবে এমন আশঙ্কা অনেকের। সূত্র: চ্যানেল টোয়েন্টিফোর।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ