ঢাকা, সোমবার 21 November 2016 ৭ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ২০ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

এসএমই খাতের উন্নয়নে শিগগিরই নীতিমালা ঘোষণা -শিল্পমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু জানিয়েছেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের দক্ষতা বাড়াতে শিগগিরই জাতীয় এসএমই নীতিমালা ঘোষণা করা হবে।
গতকাল রোববার শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. আবদুল জলিল জানান, শিল্পমন্ত্রী শনিবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সহায়তায় বাস্তবায়িত বাংলাদেশ ইন্সপায়ার্ড প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ইন্সপায়ার্ড প্রকল্পের পরিচালক ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুষেণ চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সিনিয়র শিল্পসচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এনডিসি, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদুন এবং প্রকল্পের টিম লিডার আলী সাবেত বক্তব্য রাখেন।
 শিল্পমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ইন্সপায়ার্ড প্রকল্পের আওতায় একটি যুগোপযোগী এসএমই নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত এটি চূড়ান্ত হবে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের জন্য বিশ্ব দরবারে এক নতুন মডেল। ধারাবাহিকভাবে ৬ শতাংশের বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করে বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়নে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সাফল্যের ধারাবাহিকতায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। ২০১৮ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের আগেই উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি ইন্সপায়ার্ড প্রকল্পের অভিজ্ঞতার আলোকে দেশে টেকসই শিল্প খাতের উন্নয়নে ‘প্রিজম’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইন্সপায়ার্ড প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে দেশের হস্ত ও কারুশিল্প, তৈরি পোশাক, প্লাস্টিক, ফার্নিচার, কৃষি পণ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ওষুধ, চামড়াসহ বিভিন্ন শিল্প খাতে গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নতি হয়েছে। পাশাপাশি অপ্রচলিত পণ্য ব্যবহার করে দাম সংযোজিত পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ জোরদার হয়েছে।
এ প্রকল্প এসএমই খাতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি স্থানান্তর, অর্থায়ন, পণ্য বিপণন ও উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মানোন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রেখেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ