ঢাকা, মঙ্গলবার 22 November 2016 ৮ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ২১ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রাজশাহীতে আড়াই মাসেও সংস্কার হয়নি পদ্মা বাঁধের রাস্তা ॥ পরিদর্শনেই সীমাবদ্ধ

রাজশাহী অফিস : আড়াই মাসেও সংস্কারের কোন কাজ শুরু করা হয়নি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সেখেরচক পাচানী মাঠ এলাকার পদ্মাপাড়ের ধসে যাওয়া রাস্তার। এদিকে ধসের কারণে পাশের ভাঙ্গা বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় মানুষরা। আবার ঝুঁকি নিয়ে সেখানেই বসবাস করছে অনেক পরিবারের লোকজন।
রাসিক ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই স্থান পরিদর্শন করলেও ধস সংস্কারে কোনো কাজ এখন পর্যন্ত শুরু হয়নি। অন্যদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে পরস্পরকে দোষারোপ ও ঠেলাঠেলি অব্যাহত আছে।
এর আগে গত ২৯ অক্টোবর ওই এলাকায় হঠাৎ ধস দেখা যায়। শহররক্ষা বাঁধের ওপরের প্রায় ২০০ মিটার সড়ক ধসে দেবে গেছে। এই সড়কের পাশের টাইলস বসানো ফুটপাত করা হয়েছিলো সেইগুলো দেবে গেছে। আর এ্ই রাস্তার সড়ক-সংলগ্ন সাতটি বাড়িতে ফাটল দেখা দেয়। যার মধ্যে তিনটি বাড়ির সীমানাপ্রাচীর রাস্তার সঙ্গেই দেবে গেছে। শুধু তাই নয় ধসের কারণে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি হেলে পড়েছে। দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে সড়কের দুই পাশে বাঁশ দিয়ে বেঁধে দিয়েছেন। সোমবার সকালে দেখা যায়, ধসের পাশের বাড়িগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই এলাকার কিছু বাড়িতে কয়েকজন কাজ করছিলো। এক বাসিন্দা বলেন, এলাকার মানুষ খুবই আতঙ্কে আছে। মানুষজন এদিক দিয়ে চলাচল করতেও ভয় পাচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনের কেউ কিছু করছে না, সবাই খালি দেখে যায়। তারা কোন ব্যবস্থা নেয় না। রাজশাহীর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এক প্রকৌশলী বলেন, ‘রাস্তা যেটা ধসে পড়েছে সেটা সিটি কর্পোরেশন দেখবে। বাঁধের যে অংশটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা মেরামতের জন্য নকশা জমা দিয়েছেন। অর্থ বরাদ্দের জন্যও আমরা ঢাকায় আবেদন জানিয়েছি। নকশা অনুমোদন করে অর্থ বরাদ্দ হলেই আমরা কাজ শুরু করতে পারব।’ অপরদিকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী বলছেন, ‘নদী শাসনের দিকটি ঠিক করা হলে তার পরে আমরা উদ্যাগে নিবো। আর পাউবো তা ঠিক করে দিলে আমরা রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু করতে পারবো।’
জামায়াত ও শিবিরের দুই কর্মীসহ ৪৩ জন আটক  : রোববার রাতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে জামায়াত ও শিবিরের দু’জন কর্মীসহ মোট ৪৩ জনকে আটক করা হয়। রাজশাহী মহানগরীর ৪টি থানা ও ডিবি পুলিশ মহানগরীর বিভিন্নস্থানে এই অভিযান চালায়।
এর মধ্যে বোয়ালিয়া মডেল থানা ১৩ জন, রাজপাড়া থানা ১১ জন, মতিহার থানা ১৩ জন, শাহমখদুম থানা ৫ জন ও ডিবি পুলিশ ১ জনকে আটক করে। যার মধ্যে ২১ জন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী, ৬ জন মাদক ব্যবসায়ী, ২ জন জামায়াত নেতা ও শিবির কর্মীসহ অন্যান্য অপরাধে গ্রেফতার ১৪ জন। বোয়ালিয়া থানা পুলিশ জামায়াত নেতা জিল্লুর রহমান (৬০)কে এবং মতিহার থানা পুলিশ শিবির কর্মী কামরুজ্জামান (২৩)কে আটক করে। অভিযানকালে বিভিন্ন স্থান থেকে কিছু মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ