ঢাকা, বুধবার 21 November 2018, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

চীনের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি রকেট লংমার্চ

অনলাইন ডেস্ক : গত ৩ নভেম্বর চীনের স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৩ মিনিটে, সমুদ্র তীর থেকে ৮০০ মিটার দুরে অবস্থিত ওয়েন ছাং উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে লংমার্চ-৫ পরিবাহক রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়।

এটি চীনের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি নতুন প্রজন্মের বড় আকারের পরিবাহক রকেট। আর লং মার্চ রকেটের ২৩৮তম উৎক্ষেপণ। মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠাতে রকেটের প্রয়োজন হয়। উন্নত দেশগুলো এ ক্ষেত্রে বরাবরই এগিয়ে ছিল। মহাকাশ অভিযানে অংশ নেওয়া শুরু করার পর চীনও রকেট তৈরি করা শুরু করে। চীনের লক্ষ্য মহাকাশে স্টেশান তৈরি করা, চাঁদে মানুষ পাঠানো, মঙ্গল গ্রহে অনুসন্ধানী যন্ত্র পাঠানো ইত্যাদি। এ জন্য চীনের চাই বড় আকারের রকেট, যা অনেক ভারী বস্তু বহন করে মহাকাশে নিয়ে যেতে পারবে। লং মার্চ-৫ তৈরি করা হয়েছে সে প্রয়োজন মেটাতেই। রকেটটির ডাক নাম 'মোটা ৫'। কারণ, এটি চীনে তৈরি বৃহত্তম রকেট। এর পরিবহন ক্ষমতাও বেশি।

লং মার্চ-৫ রকেটের দৈর্ঘ্য ৫৭ মিটার। এর চারপাশে আছে ৪টি ৩৫ মিটার ব্যাসের বুস্টার। রকেটটির ওজন ৮৭০ টন। এর ব্যাস ৫ মিটার। বলা বাহুল্য, এটি চীনের বৃহত্তম ব্যাসের রকেট। সাধারণত চীনা রকেটের ব্যাস ৩.৩৫ মিটার থেকে ৫ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। লং মার্চ-৫ রকেটের প্রধান ডিজাইনার লি তুং বললেন, "৩০ বছর আগে এ রকেট তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল এবং ১০ বছর আগে এটি তৈরির পরিকল্পনা বাস্তবায়নকাজ শুরু হয়। যদি আমরা মহাকাশযান বিষয়ে আরও অগ্রগতি অর্জন করতে চাই, তাহলে নতুন ধরনের রকেট তৈরি করতে হবে। ১.৬৫ মিটার ব্যাসের পরিবর্তন মানে রকেটশিল্পে ব্যাপক অগ্রগতি। রকেটটিতে আমরা প্রায় ১০০ শতাংশ নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি।"

রকেটের কার্যকারিতা বাড়াতে লং মার্চ-৫-এর জ্বালানি ট্যাংকের ভেতরের দেয়ালের সবচেয়ে পাতলা একটি জায়গার পুরুত্ব মাত্র ৩ মিলিমিটার। নতুন প্রযুক্তি ও উপকরণের সাহায্যে এটি সম্ভব হয়েছে।  সূত্র: চীনা বেতার-সিআরআই। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ