ঢাকা, বুধবার 30 November 2016 ১৬ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ২৯ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

জেলা পরিষদ নির্বাচন স্থগিতে রিট

স্টাফ রিপোর্টার : জেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে দায়ের করা রিটের শুনানি হবে আগামী রোববার। জেলা পরিষদ আইনের কয়েকটি ধারা সংবিধান পরিপন্থী দাবি করে দায়ের করা রিট আবেদনটি গতকাল মঙ্গলবার কার্যতালিকায় শুনানির জন্য অন্তর্ভুক্ত হলে আদালত শুনানির এই দিন ধার্য করেন। একটি সম্পূরক আবেদনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড.ইউনুস আলী আকন্দ রিটটি দায়ের করেন।
বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ শুনানির এ দিন ধার্য করেন।
আদালতে রিটকারী আইনজীবী ইউনূছ আলী আকন্দ নিজেই রিটটি উপস্থাপন করেন। সরকার পক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
রিটের বিষয়ে আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, জেলা পরিষদ আইন ২০০০ সালের ৪ (২) ও ১৭ ধারা এবং জেলা পরিষদ সংশোধিত আইনের ৫ ধারাকে রিটে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এসব ধারায় বলা হয়েছে জেলার অন্তর্ভুক্ত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান যেমন-সিটি কর্পোরেশন (যদি থাকে), উপজেলা পরিষদ, পৌর কর্পোরেশন ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ নির্বাচক মন্ডলীর সদস্য হবেন এবং তারা জেলা পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন।
তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদ আইনের এই তিনটি ধারা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭, ১১, ২৬, ২৭, ৩১ ও ৫৯ অনুচ্ছেদ এবং প্রস্তাবনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এরমধ্যে সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। আর ৫৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্থানীয় সরকারের প্রত্যেক ইউনিটে প্রতিনিধিরা আইন অনুযায়ী নির্বাচিত হবেন। বাংলাদেশে ইলেক্টোরাল ভোটের নিয়ম নেই। ইলেকক্টোরাল ভোট গ্রহণ করার আগে এ সংক্রান্ত বিধি করতে হবে। তা না করেই ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সঠিক হচ্ছে না।
তিনি আরও জানান, ২০১৬ সালে জেলা পরিষদ আইনে যে সংশোধনী আনা হয়েছে সেটিও সঠিক হয়নি। তাছাড়া এই নির্বাচনের মনোনয়নের সময় পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী সরকারি দল থেকে বলা হয়েছে, যারা মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য হতে পারেননি দলে পদ-পদবীও নেই এসব নেতাদের খোঁজে বের করে দলীয় প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দেয়া হয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় আইনের বিধানসমূহ ১৬ কোটি মানুষের স্বার্থে নয় দলীয় স্বার্থে করা হয়েছে। এসব যুক্তি দেখিয়ে রিটটি দায়ের করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ