ঢাকা, শুক্রবার 02 December 2016 ১৮ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ০১ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ন য় ন আ হ মে দ

রোহিঙ্গা-১
হাঁটুমুড়ে বসে আছে একটা সংখ্যালঘু ব্যাকুলতা;
হাহাকারের সাথে করছে কোলাকুলি।
গালে হাত দিয়ে শূন্যতার প্রতিশব্দ হয়ে আছে
আর একজন ভ্রাতৃপ্রতীম বিষাদ-
তাকিয়ে দেখছে- বড় সংকীর্ণ হয়ে গেছে তাদের পৃথিবী।
স্বপ্ন রাখবার জন্য এক বর্গইঞ্চি জায়গাও আর অবশিষ্ট নেই!
পাখিরা কি বহন করবে দানা দানা বাস্তবতা? স্বপ্নবীজ?
ও পাখি, উড়ে যাও এই উড়ালচারি ব্রত নিয়ে।
হৃদয়ের দেশে যাও।
জমা থাক আমাদের শস্যরাশি।

আহা, আরো ছোট হয়ে আসছে তাদের পৃথিবী!
কোনো পালঙ্ক নেই, সে শুইয়ে দিতে পারে একপ্রস্থ জীবন!

দু’টো হাত...সংখ্যালঘু।
দু’টো চোখ...সংখ্যালঘু।
দু’টো পা...সংখ্যালঘু।

ও মানুষেরা, দেখতে থাকো, স্থির হয়ে আছে অবদমিত কান্নাসমগ্র।
পৃথিবী এখন প্লেটে প্লেটে বেড়ে পরিবেশন করবে এই উপাদেয়
দারুণ আহার।

প্রতিটি কান্না-ই রোহিঙ্গা।


রোহিঙ্গা-২
দু’টো পালক নিয়ে এলো একটা প্রেম; আমার ঘরে।
পাখি নয় সে; তবু আছে পাখি পাখি ঠোঁট, খড়কুটো-ভরা মুগ্ধ নীড়ের ভাষাকাল।
চোখে আছে দৃশ্যমান ভোর;
সমুদ্রসংলগ্ন বন্দর।

পাখিটা কুড়োয় ঘরের ছাউনির মতো মহাকাল।
বোঝে বিশ্রাম, অবকাশ।

আমি তার কবরীবাঁধা আহ্বান
একটা পূর্ণ জীবন ভেবে শোকেসে
সাজিয়ে রেখেছি।

ও পাখি, নীড় হারালে প্রতিটি মানুষ-ই রোহিঙ্গা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ