ঢাকা, রোববার 4 December 2016 ২০ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সিম চাষে ভাগ্য বদল হয়েছে জলিলের

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা : কুড়িগ্রামের রাজারহাটে সিম চাষে ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে আব্দুল জলিলের। রিক্ত হস্তে শুরু করে সিম চাষকে পেশা হিসেবে গ্রহণের পর তিনি এখন স্বাবলম্বী।
সরেজমিনে আঃ জলিলের সাথে কথা হলে তিনি জানান, কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের চাকিরপশার পাঠক গ্রামের আব্দুল জলিলের সিম ক্ষেত। এ সময় সিম ক্ষেতে তার স্ত্রী সন্তান সহ শ্রমিকদের কাজ করতে দেখা যায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে যখন কর্মসংস্থানের অভাবে মানবেতর দিনাতিপাত করতাম , ঠিক সেই সময় স্বল্প খরচে অল্প সময়ে সিম চাষ করার পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত হই। এরপর সিম চাষের মনস্থ করি। কিন্তু নিজের .৭ শতক ভিটে মাটি ছাড়া আর কোন আবাদি জমি না থাকায় সমস্যায় পড়তে হয়। তারপরও পিছপা হইনি । চার বছর পূর্বে বাড়ির পার্শ্ববর্তী ১৫ শতক জমি বর্গা নিয়ে সিম চাষ করে ব্যাপক সফলতা অর্জন করি। এরপর প্রতিবছর সিম চাষ করে আসছি।
চলতি মৌসুমে ৩৫ শতক জমি মৌসুমে ৫ মন ধান দেয়ার শর্তে বর্গা নিয়ে সিম চাষ করছেন । এতে নিজের বাড়ির গোবর সার দিয়ে পরিশ্রম করে এবং জমি চাষাবাদে ট্রিলারের খরচ ও বীজ ক্রয় করতে তার খরচ হয়েছে মাত্র ৩ হাজার টাকা। বারি জাতের সিম বীজ রোপনের পর নিড়ানী, সার প্রয়োগ স্প্রে’র কাজ তিনি ও তার স্ত্রী নিজেরাই করেন। তবে মাঝে মধ্যে নিড়ানী ও জাংলা দিতে পুরো মৌসুমে প্রায় ৭ হাজার টাকা খরচ হবে বলেন। ২৬ নবেম্বর শনিবার উপজেলা কৃষি অফিসার ষষ্টি চন্দ্র রায় জানান ,আমরা এ ধরনের  প্রদর্শনীতে সব ধরনের সেবা ও সহযোগীতা করতে প্রস্তুত, তিনি এব্যাপারে কোন প্রকার যোগাযোগ করেননি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ