ঢাকা, রোববার 4 December 2016 ২০ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

জন্মভূমিতে এসে নতুন প্রেরণায় উজ্জীবিত হতে চাই

সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুই দিনব্যাপী ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী কালিকচ্ছ ৫ম সম্মিলনীর সমাপনী দিনে গত শুক্রবার উপজেলার কালিকচ্ছ পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী কালীকচ্ছ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ অধ্যায়ের আহ্বায়ক স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধার সভাপতিত্বে সমাপনী দিনে প্রধান আলোচক হিসেবে ভারতের ত্রিপুরা বিধান সভার ডেপুটি স্পিকার পবিত্র কর বলেন আমার জন্মভিটা সরাইল উপজেলার ঐতিহাসিক কালিকচ্ছ গ্রামে বার বার আসতে চাই। মা মাটির গন্ধ নিয়ে নতুন প্রেরণায় উজ্জীবিত হতে চাই। কালিকচ্ছ গ্রামের মতো দ্বিতীয় আর একটি গ্রাম খুজে পাওয়া দুষ্কর। যে গ্রামের কৃতী সন্তানরা শিক্ষাদিক্ষায়, সাংবাদিকতায়, গবেষণায়, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রযাত্রায় বিপুল ভূমিকা রেখে ভারতবর্ষের মান উজ্জল করেছেন । অনুষ্ঠানের সভাপতির সমাপনীর বক্তব্যে বলেন, উল্লাস কর দত্তের বাড়িটি অধিগ্রহণ করে সেখানে একটি যাদুঘর নির্মাণের জন্য সরকারের নিকট দাবি জানান। অনুষ্ঠানে আগত ভারতীয়দের মধ্যে অনুভূতি ব্যক্ত করেন এড: অরুন রায়, প্রনতী দেব, মন্দীরা নন্দী, সরাজ কান্তি রায়, জুয়েল দাস, সমর চন্দ্র, ড. বানী তলা পাত্র, এড: শংকর কুমারদেব, বেনু গোপাল ভূঁইয়া, মিসেস মাহবুবা বেগম নীরু এবং বাংলাদেশের ভৈরব পৌর সভার মেয়র এড: ফখরুল আলম আক্কাছ, মুক্তিযোদ্ধা মো: ছাদেক মিয়া, অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম, এড: আব্দুর রাশেদ ,ও আলী আমজাদ প্রমুখ। উল্লেখ্য, উদ্বোধনী দিনে সম্মিলনীতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো: নজরুল ইসলাম হীরু বীর প্রতীক এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রধান বিজ্ঞানী ড. সুনিল তলাপাত্র, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান, পুলিশ সুপার মো: মিজানুর রহমান পিপিএ বার, সরাইল ইউ এন ও সৈয়দা নাহিদা হাবিবা প্রমুখ। এছাড়া সম্মিলনীতে ২’শতাধীক ভারতীয় নাগরিক অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী আলোচনা সভা, কবিতা আবৃত্তি, স্মৃতিচারণ ও তারত-বাংলাদেশ শিল্পীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্মিলনী সমাপ্তি হয়। উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে গত ২০০৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় প্রথম, ২০১০ সালে ত্রিপুরার খয়েরপুরে দ্বিতীয়, ২০১১ সালে সরাইলের কালীকচ্ছ গ্রামে তৃতীয় এবং ২০১৫ সালে ফের ত্রিপুরার খয়েরপুরে চতুর্থ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ