ঢাকা, সোমবার 5 December 2016 ২১ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

জয় দিয়ে বিপিএল শেষ করলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স

স্পোর্টস রিপোর্টার : জয় দিয়েই বিপিএল শেষ করলো গত আসরের চ্যাম্পিয়ন্স কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। গতকাল রংপুর রাইডার্সকে ৮ রানে হারিয়েছে মাশরাফির দলটি। এই জয়ে ১২ খেলায় ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ষষ্ঠস্থানে থেকে বিপিএল শেষ করলো কুমিল্লা। আর ১২ খেলায় ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থস্থানে আছে রংপুর। তবে এই ম্যাচে কুমিল্লার জয়ে তৃতীয় দল হিসেবে সেরা চার নিশ্চিত হয়েছে রাজশাহীর। দিনের অন্য ম্যাচে ঢাকা ডায়নামাইটসের বিপক্ষে জিতে গেলেই প্লে-অফে খেলবে খুলনা টাইটানস। আর খুলনা হেরে গেলে রংপুরের সাথে রান রেটের হিসাব হবে। তাই খুলনার ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে রংপুরকে। তবে কুমিল্লার জয়ে তৃতীয় দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে রাজশাহী কিংস। গতকাল আগে ব্যাট করে মাশরাফির কুমিল্লা ৬ উইকেটে করে ১৭০ রান। জযের জন্য রংপুরের সামনে টার্গেট ছিল ১৭১ রান। ব্যাট করতে নেমে রংপুর রাইডার্স ৮ উইকেটে ১৬২ রান করলে কুমিল্লা জয় পায় ৮ রানে। এই জয়ের ফলে কুমিল্লা জয় দিয়ে বিপিএল শেষ করলে হেরে ক্ষতিটা হলো রংপুরেরই। কারণ শেষ চারে খেলার জন্য রংপুরকে তাকিয়ে থাকতে হয়েছে ঢাকা ডাইনামাইটস বনাম খুলনা টাইটানসের ম্যাচের দিকে। অবশ্য গতকাল কুমিল্লাকে হারাতে পারলে সহজেই সেরা চারে উঠে যেত রংপুর রাইডার্স। জয়ের জন্য ১৭১ রানের বড় টার্গেট ছিল রংপুরের সামনে। তবে ব্যাট করতে নেমে  শুরুটা খারাপ ছিলনা দলটির। ওপেনার মোহাম্মদ শেহজাদের ব্যাটে ভর করে এগিয়ে যাচ্ছিলো রংপুর। তবে অন্য প্রান্তের ব্যাটসম্যানরা তাকে সহায়তা করতে পারছিলেন না। অপর ওপেনার সৌম্য সরকার ৫ রানে, মোহাম্মদ মিথুন ২ রানে আর ডসন তিন রানে আউট হন। তার পরও দলকে এগিযে নিতে ব্যাট চালিয়েছেন শেহজাদ। তবে দলীয় ৫৭ রানে আর ব্যক্তিগত ৪৫ রানে আউট হন শেহজাদ। তার ৩১ বলের ইনিংসে ৫টি চার ও ২টি ছক্কা ছিলো।  তার বিদায়ে চাপে পড়ে যায় রংপুর। কিন্তু দলকে জয়ের দিকে নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন আরেক পাকিস্তানী  শহিদ আফ্রিদি ও জিয়াউর রহমান। কিন্তু দু’জনই ৩৮ রানের বেশি করতে পারেননি। ফলে ৮ উইকেটে ১৬২ রানে থেমে যায় রংপুরের ইনিংস। আফ্রিদি ৩টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৯ বলে এবং ১টি চার ও ৩টি ছক্কায় ২২ বলে নিজের ইনিংস সাজান জিয়াউর। কুমিল্লার মাশরাফি, নাবিল সামাদ ও আফগানিস্তানের রশিদ খান ২টি করে উইকেট নেন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন রশিদ। এর আগে,  টস হেরে আগে ব্যাটিং করার সুযোগ পায় কুমিল্লা। আর ব্যাট করতে নেমে দলকে দারুণ সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার ইমরুল কায়েস ও পাকিস্তানের খালিদ লতিফ। ৬২ বলে ৮৮ রানের জুটি গড়েন তারা। দলের বড় স্কোরের পথ তৈরি করার পথে এবারের আসরে হাফ- সঞ্চুরির স্বাদও পান ইমরুল। তবে হাফ সেঞ্চুরির পর ৫২ রানেই থেমে যান ইমরুল কায়েসের। ৩৫ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কা হাকাঁন তিনি। আরেক ওপেনার খালিদ লতিফ করেন ৪৩ রান। তার ৩৬ বলের ইনিংসে ৩টি চার ও ২টি ছক্কার মার ছিলো। দলীয় ১০৭ রানে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের মারলন স্যামুয়েলস, পাকিস্তানের আসার জাইদি ও আফগানিস্তানের রশিদ খান। স্যামুয়েলসের ২৪ বলে ৩০, জাইদির ১১ বলে ১৭ ও রশিদের ৪ বলে ১১ রানে বড় স্কোরই পায় কুমিল্লা। রংপুরের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন আরাফাত সানি ও রুবেল হোসেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ