ঢাকা, শুক্রবার 9 December 2016 ২৫ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

প্রেয়সীর মুখ বলে এখন আর কিছু নেই

এ কে আজাদ

একটা তৃষ্ণার গাছ সেই ভোর থেকেই বাড়তে শুরু করল,
বাড়তে বাড়তে পাঁথার পুকুরের বিশাল অশ্বত্থ বৃক্ষ হয়ে গেল মনের অজান্তেই।
ভাবলাম- চৈত্রের এই কাঠফাটা রোদে এক বাটি ছায়ামুড়ি নেব,
কোঁচরে ভরে খাইতে খাইতে ক্লান্ত রাখাল হবো মধ্য দুপুরে; গাছের তলায় গামছা পেতে স্বস্তির জল খাব এক চুমুক।
হায়রে কপাল! বৃক্ষের চোখে চোখ রেখে দেখি সেই অচেনা বুনো মোষ, রাখালের পোষ মানেনি যে কোনদিন;
আশা বৃক্ষের সেই যে শীর্ষ ডালটা, এতটাই দূরে রয়ে গেছে যে, সে আমার ধরা ছোঁয়ার অনেক বাইরে
অথবা সে আপনই হয়নি কোনদিন!
কেবলই এক মরীচিকার পেছনে ছুটে চলেছে এক তৃষ্ণার্ত আবেগী মেষপালক।
যতই বেলা বাড়ছে, ততই যেন বিশ্বাসের দূর্বাঘাসের ডগা থেকে ঝরে পড়ছে আবেগের শিশির,
মিশে যাচ্ছে নিরুদ্দেশ!
প্রেয়সীর মুখ বলে এখন আর কিছু নেই, কেবলই লাখো রোহিঙ্গার রক্তে রঞ্জিত অংসান সুচির নোবেলজয়ী পোস্টার, মানব থুতুর বৃষ্টিতে ভেজা ঘৃণিত এক মুখচ্ছবি যাকে পদদলিত করেই তৃপ্তির হাসি হাসতে চায় সাধারণ মানুষ!

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ