ঢাকা, শুক্রবার 9 December 2016 ২৫ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ওয়ালটন প্লাজা হোম ও ইলেকট্রিক্যাল এ্যাপ্লায়েন্স আলোচনা সভা

দেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন দেশেই তৈরি করছে উচ্চমানের হোম ও ইলেকট্রিক্যাল এ্যাপ্লায়েন্সেস।  অভ্যন্তরীণ বাজারে চলতি বছর এসব পণ্যের বাজারজাত শুরুর পর দ্রুতই গ্রাহক পর্যায়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এবারের লক্ষ্য-২০১৭ সালে দেশের সিংহভাগ বাজার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়া। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত বিক্রি প্রতিনিধিদের সঙ্গে দিনব্যাপী মতবিনিময় সভা করলো ওয়ালটন। সভায় সিংহভাগ বাজার দখলে সঠিক, সময়োপযোগী ও আধুনিক বিক্রয় কৌশলের উপর জোর দেয়া হয়।  গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন মাইক্রো-টেক করপোরেশন প্রাঙ্গণে বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হয় ওয়ালটন প্লাজা হোম ও ইলেকট্রিক্যাল এ্যাপ্লায়েন্স এর আলোচনা সভা-২০১৬। এতে অংশ নেন প্রায় ৩০০ বিপণন কর্মকর্তা। তারা মাঠ পর্যায় থেকে লব্ধ জ্ঞান ও তাদের সৃজনশীল মেধাকে কাজে লাগিয়ে নতুন বছরে ওয়ালটন হোম ও ইলেকট্রিক্যাল এ্যাপ্লায়েন্সের শক্তিশালী বাজার তৈরিতে দৃঢ়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
দিনব্যাপী আলোচনা সভার উদ্বোধন করেন ওয়ালটন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম শামসুল আলম। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের পরিচালক এসএম মাহবুবুল আলম. নির্বাহী পরিচালক ও বিপণন বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক ইভা রেজওয়ানা, নির্বাহী পরিচালক ও বিপণন বিভাগের প্রধান এমদাদুল হক সরকার, প্লাজা সেলস ও ডেভলপমেন্ট বিভাগের সিনিয়র এ্যাডিশনাল ডিরেক্টর কামাল হোসেন ও মতিউর রহমান, মিডিয়া উপদেষ্টা এনায়েত ফেরদৌস প্রমুখ। 
সভায় জানানো হয়, ওয়ালটন মাইক্রো-টেক করপোরেশনে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি করা হচ্ছে ইন্ডাকশন কুকার, গ্যাস স্টোভ, ব্লেন্ডার, সিলিং ও দেয়াল ফ্যান, বিভিন্ন ধরণের ইলেকট্রিক সুইচ-সকেট, রিচার্জেবল ব্যাটারি, এলইডি লাইট, প্যানেল লাইট, রিমোট কন্ট্রোল ফ্যান, রেগুলেটরসহ অন্যান্য হোম ও ইলেকট্রিক্যাল এ্যাপ্লায়েন্সেস। পরিকল্পনায় রয়েছে নতুন বছরে আরো বেশ কিছু হোম এ্যাপ্লায়েন্সেস উৎপাদনের। প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করে জার্মানি, জাপান, তাইওয়ানের প্রযুক্তিগত সহায়তায় মেধাবী, দক্ষ প্রকৌশলী ও টেকনিশিয়ানরা তৈরি করছেন এসকল পণ্য। মান নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতির অনুসরণ করে ইন্টারন্যাশনাল ইলেকট্রোটেকনিক্যাল কমিশন (আইইসি)-এর স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত এসব পণ্য তৈরি হচ্ছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ