ঢাকা, শুক্রবার 9 December 2016 ২৫ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) সংবাদদাতা : মঠবাড়িয়ায় কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় রুমা বেগম (১৯) নামের এক স্কুল শিক্ষিকাকে মারধর করেছে এমাদুল হাং (২৪) নামের এক বখাটে। 

এঘটনায় আহত রুমা বেগম বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামী করে সোমবার মঠবাড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন। রুমা বেগম উপজেলার ছোট মাছুয়া রেড গ্রিন কিন্ডার গার্টেনের সহকারী শিক্ষিকা ও শাখারীকাঠি গ্রামের আঃ রহমান আকনের মেয়ে। 

আহত রুমা বেগম ও হাচান কাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছে।

মামলা সূত্রে জানাগেছে, স্কুল শিক্ষিকা রুমা বেগমকে বিয়ের পূর্ব থেকেই কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল ফুফাতো ভাই এমাদুল হাং। পরবর্তীতে বিয়ের পরও মোবাইলে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল এমাদুল। কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ২ ডিসেম্বর শুক্রবার সকালে রুমা বেগম ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে মঠবাড়িয়া যাওয়ার পথে এমাদুল হাং পথরোধ করে তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়। 

এসময় রুমা বেগম প্রতিবাদ করলে এমাদুল হাং তাকে লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে আহত করে। বিষয়টি নিয়ে ফয়সালার জন্য সালিশ বৈঠকের আয়োজন করলে সালিশ বৈঠকে এমাদুল হাওলাদারকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এতে এমাদুলের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দিয়ে চলে যায়। 

পরবর্তীতে গত ৫ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে স্বামী হাচান কাজী স্ত্রী রুমা বেগম ও শাশুড়ি দুলিয়া বেগমকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি ভান্ডারিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলে পথিমধ্যে জানখালী বাজারে এমাদুলের বাবা সত্তার হাওলাদার, চাচা সুলতান হাওলাদার ও ভাই আবুল হাওলাদার পথরোধ করে রুমা বেগমকে মারধর শুরু করে। 

এসময় স্বামী ও শাশুড়ি বাঁধা দিলে তাদেরকেও মারধর করে রাস্তায় ফেলে দেয়। 

মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ