ঢাকা, শুক্রবার 9 December 2016 ২৫ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

জলবায়ু পরিবর্তনে কৃষি উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব পড়েছে -কৃষিমন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার: কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে কৃষিতে সৃষ্ট সমস্যা নিরসনে সরকার সচেষ্ট। 

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো: আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বিকাল ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি ক্ষেত্রের প্রভাব মোকাবেলায় রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় লবণাক্ততাসহিঞ্চু ধানের চাষ, জলাবদ্ধতাসহিঞ্চু ধানের চাষ, খরাসহিঞ্চু ফসল ও ধানের চাষ, বিষমুক্ত সবজি ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (আইপিএম) পদ্ধতিতে ধান চাষ এবং সেচের পানি কম লাগে এমন ফসলের চাষ এবং জৈব সারের ব্যবহার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো: অয়েন উদ্দিনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ আধুনিক চাষাবাদ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে: সারের ক্রয় মূল্য কমানোর ফলে সুষম সার ব্যবহার নিশ্চিতকরণ। বোরো মৌসুমে সেচ কাজে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে অগ্রাধিকার, উচ্চ ফলনশীল ও মানসম্পন্ন বীজের সরবরাহ বৃদ্ধি। সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ দ্বারা সেচ প্রদানে স্মার্ট কার্ড প্রচলন। বর্তমান ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ও ডিএপি সারের বাজার মূল্য কেজি প্রতি যথাক্রম ১২টাকা, ২২ টাকা, ১৫ টাকা এবং ২৫ টাকা নিধারণ।

কৃষিমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতি ও প্রযুক্তির মাধ্যমে সেচ সুবিধা প্রদান করে অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের আওতায় ২০০৯-১০ হতে ৪৫টি প্রকল্প ও ১৬৪টি কর্মসূচির সেচ উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করছে এবং তা অব্যাহত আছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ