ঢাকা, শুক্রবার 9 December 2016 ২৫ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

এসডিজি বাস্তবায়ন বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

স্টাফ রিপোর্টার : টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে (এসডিজি) সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ দেয়া হয়েছে। এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্র অর্জন বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে সরকার।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে ২০২০ সাল পর্যন্ত এসডিজির বিভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়ন বিষয়ক একটি গাইডলাইন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তাগিদ দেয়া হয়। এ সময় বক্তারা বলেন, এসজিডি অর্জনে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে এনজিও, সিভিল সোসাইটি এবং উন্নয়ন সহযোগীদের একযোগে কাজ করার বিকল্প নেই।

পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, ইউএনডিপির বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদিপ্ত মূর্খাজি, ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের লিড ইকনোমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন, তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান ও রাশেদা কে চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 খন্দকার মোশারফ হোসেন বলেন, এমডিজির (২০০০-২০১৫) বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল হয়েছে। এখন ২০৩০ সাল মেয়াদি এসডিজির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের রোল মডেল হওয়ার সুযোগ আছে। এজন্য সবার আগে ক্ষুধা ও দারিদ্র নির্মূল করতে হবে। তিনি বলেন, সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় জিইডির গাইড লাইনে এসডিজি অর্জনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে যে টার্গেট দেয়া হয়েছে তা অর্জনে সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এনজিও সুশিল সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগীদের এগিয়ে আসার আহবান জানান মন্ত্রী।

পররাষ্টমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, এসডিজির অনেক আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা করেছেন। এখন এসডিজি অর্জনে একযোগে কাজ করার বিষয়টি সুসমন্বিত হতে হবে। তবে এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্তের অপ্রতুলতাকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে তিনি উল্লেখ করেন তিনি।

 আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি দেখা গেছে মালয়েশিয়ার শ্রমখাতে ব্যবস্থাপকদের ৩৭ শতাংশই বাংলাদেশি। অর্থাৎ বাংলাদেশ বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এগিয়ে যাচ্ছে। দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানব সম্পদ গড়ে তুলতে পারলে ২০৩০ সালের আগে এসডিজি অর্জিত হবে।

বিশ্বব্যাংকের ড. জাহিদ হোসেন বলেন, এসডিজির কতগুলো লক্ষ্য অর্জনে ব্যাপক অর্থসংস্থান প্রয়োজন। এজন্য বাংলাদেশকে নিজস্ব সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার ও বিদেশী বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তিনি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসডিজির ৪টি লক্ষ্য-দারিদ্র দূর করা, ক্ষুধা নির্মূল, কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি এবং বৈষম্য কমানোর বিষয়টি বিশেষ মনোযোগ দেয়ার পরামর্শ দেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ