ঢাকা, মঙ্গলবার 13 December 2016 ২৯ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

চৌগাছা হাসপাতালে ৭৭টি পদ শূন্য চিকিৎসা ব্যাহত

যশোরের চৌগাছা ৫০ শয্যা মডেল হাসপাতাল

এম এ রহিম, চৌগাছা (যশোর) : যশোরের চৌগাছা মডেল হাপাতালে এ্যানেসথেসিয়া, মেডিসেন, অর্থোপেডিক্স, চক্ষু, প্যাথলজিষ্ট, সহকারী সার্জন, জুনিয়ার কনসাল্টেন্ট সার্জারী, জুনিয়ার কনসালটেন্ট কার্ডিও, জুনিয়ার কনসালটেন্ট ইএনটি, জুনিয়ার কনসালটেন্ট চর্ম ও যৌন কোন ডাক্তার নেই। ফলে সেবার মান ধরে রাখতে দারুন ভাবে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসদের।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ফাটা, কাটা, ছোটখাট রোগীসহ প্রসূতি মায়েদের অন্যত্র রেফার্ড করা হচ্ছে। ফলে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে উপজেলার মা, শিশু ও সাধারণ রোগীরা। তাই স্বাস্থ্যসেবাই বাংলাদেশের মডেল চৌগাছা হাসপাতালের সেই মডেল কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। চিকিৎসা সেবা মডেল হওয়ায় পার্শ্ববর্তি কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, ঝিকরগাছা, কালিগঞ্জ, শার্শা ও যশোর সদর উপজেলার প্রসূতি মা ,শিশু, সহ সাধারণ রোগীরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসে।
এছাড়া সেবার মান ধরে রাখার মুল চালিকা শক্তি সিনিয়র স্টাফ নার্স ৫ জন, মিডওয়াইফ ৩ জন, তৃতীয় শ্রেণীর ৩৫ জন, চতুর্থ শ্রেণীর ৯ জন, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার কর্মী ২ জন, উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ৯ জন, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ৪ জনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে মোট ৭৭ জন জনবল দীর্ঘদিন যাবৎ শূন্য থাকায় স্বাস্থ্যসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তব্যরত ডাক্তার ও নার্সরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় চৌগাছা হাসপাতালটির মা শিশু স্বাস্থ্য সেবায় পর পর ৫ বার সারা বাংলাদেশের মধ্যে ১ম স্থান অধিকার করেছে। চৌগাছা হাসপাতালটি স্বাস্থ্য সেবায় সারা দেশের মডেল হিসাবে খ্যাতি অর্জন করায় বর্তমানে মহেশপুর, কোটচাঁদপুর, ঝিকরগাছা, কালিগঞ্জ, যশোর সদরসহ বিভিন্ন জেলার জটিল রোগীরা বিশেষ করে মা ও শিশু রোগীরা এই মডেল হাসপাতালটিতে সেবা নিতে আসেন। প্রতিদিন প্রায় ৭’শ থেকে ১ হাজার রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসে। এদিকে জনবল না থাকায় তাদের যথাযথ সেবা প্রদান করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
১১ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ২৩টি কমিউনিটি ক্লিনিকে ডাক্তার না থাকায় গ্রাম এলাকার মা ও শিশুসহ সব ধরনের রোগীরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো সরকার ও জন সাধারণের কোন কাজে আসছে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ