ঢাকা, বৃহস্পতিবার 15 December 2016 ১ পৌষ ১৪২৩, ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে দুষ্কৃৃতকারীরা ফের সক্রিয়!

কক্সবাজার সংবাদদাতা: আসন্ন পর্যটন মৌসুমকে ঘিরে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় দুষ্কৃতকারীরা ফের সক্রিয় হতে চলেছে। ছিনতাইকারী চক্র, মলম পার্টি, ছিঁচকে চোর, চাঁদাবাজ, জুয়াড়ী ও মাদককারবারীরা ফের মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিতে তারা এখন বিভিন্ন কৌশল রপ্ত করেছে। আবার কেউ কেউ স্থানীয় একটি শ্রমিক সংগঠনের উঁচু পদের নেতাদের আশ্রয়ে রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়েই মূলত এসব দুষ্কৃতকারীরা এমন চাঙ্গাভাব দেখাচ্ছে বলে মনে করছে স্থানীয় ভোক্তভোগীরা।
অন্যদিকে পুলিশ প্রশাসনকে কোনঠাসা করতেও মরিয়া হয়ে উঠেছে এসব অপরাধীরা। সরেজমিন খোঁজ নিতে স্থানীয় জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা যায়, টার্মিনাল এলাকায় বহিরাগত একদল চাঁদাবাজ রয়েছে। তারা এখানে প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে। এবং চাঁদা না দিলে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে ছাড়ে। আরাকান সড়কের শ্রমিক-চালক সমিতির একজন ড্রাইভার তার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, টার্মিনাল এলাকার প্রতি গাড়ি পিছু ৩০ টাকা হারে চাঁদা আদায় করে ওই দুষ্কৃতিকারীর দল। শুধুমাত্র সৌদিয়া এবং এস. আলম ছাড়া আর অন্যসব গাড়ি হতে তারা দৈনিক ৩০ টাকা হারে প্রতিমাসে কমপক্ষে ৩০/৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে থাকে। আদায়কৃত চাঁদা উক্ত সড়কের একটি প্রভাবশালী শ্রমিক সংগঠনের নেতার পকেটে জমা রাখা হয় বলেও জানান। এ টাকা দিয়ে তিনি চাঁদাবাজের দলটি লালন করে থাকেন। এছাড়াও তাদের আমোদ ফূর্তির জন্যে আয়োজন করেন জুয়া ও মাদকের আসর। ক্ষেত্র বিশেষে ওই নেতা মাদককারবারীদেরও হাতে রাখেন বলে জানান।
তবে এব্যাপারে প্রশাসনের বক্তব্য হলো, দুষ্কৃতকারীরা আগে সক্রিয় ছিল। তারা এখন নেই। যদি নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চালায় তাহলে আমরাও তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রাখবো, কথাগুলো জানাচ্ছিলেন টার্মিনাল ফাঁড়ির পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন। তিনি আরোও জানান, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভাল এবং উন্নত। ইতোমধ্যে অনেক অপরাধীদের আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এবং বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়াও পর্যটন মৌসুম হিসেবে সড়কে এখন আমাদের পর্যাপ্ত ডিউটি রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ