ঢাকা, বৃহস্পতিবার 15 December 2016 ১ পৌষ ১৪২৩, ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

চিরিরবন্দরে গ্রামীণ সড়ক-সেতুর সংস্কার নেই ॥ জনজীবনে দুর্ভোগ

চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা: দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় ১২টি ইউনিয়নের যত্রতত্র ইটভাটা নির্মাণের কারণে ভারী যানবাহন চলাচল করায় প্রতিটি গ্রামের কাঁচা রাস্তাগুলোর বেহাল দশা।
গত কয়েক বছরের তুলনায় চিরিরবন্দর উপজেলায় এ বছর ৯টি নতুন ইটভাটা নির্মাণ হয়েছে। বিশেষ করে নশরতপুর, সাতনালা, ফতেজংপুর, সাইতীড়া, আব্দুলপুর ও ইসবপুর এসব  ইউনিয়নের কাঁচা রাস্তা গুলিতে প্রায় সব রাস্তার অলিগলিতে দাফিয়ে বেড়াচ্ছে ট্রাক্টর। বর্ষা কালে টানা বর্ষণে রাস্তাগুলো দুই দিক থেকে ভেঙ্গে গেছে। আবার তার উপর দিয়ে মওসুমে নদী থেকে বালি, আর ভাটা থেকে ইট আর ইটভাটার মাটি বহন করে  ট্রাক্টরগুলো দিন রাত ছোটাছুটি করছে উপজেলার বিভিন্ন সড়কে।
এছাড়া কিছু নতুন ভাটা যোগ হাওয়ায় ভাটার মাটি সংগ্রহ করতে ব্যাস্ত ইটভাটা মালিকরা। গ্রামের যেখান থেকে পাচ্ছে মাটি কেটে নিয়ে আসছে।
উপজেলার প্রায় সব এলাকা থেকে মাটি সংরক্ষণ করছে। মাটি সংরক্ষণ করতে গিয়ে ট্রাক্টরের আনাগোনা বেড়েই চলছে। বাদ যাচ্ছে না কোন কাঁচা রাস্তা। মানুষের যাতায়েতে জনদুর্ভোগের শেষ নেই। কাঁচা রাস্তাগুলোতে তৈরী হয়েছে বড় বড় গর্ত আর তৈরি হয়েছে এক হাঁটু ধূলা, অতীষ্ঠ জনজীবন।
সাতনালা ইউনিয়নের বাসিন্দা এক স্কুলশিক্ষক মো: শাহীনুর রহমান বলেন, এভাবে ট্রাক্টর যাতায়েত বেড়ে চললে কাঁচা রাস্তাগুলো আর রাস্তা থাকবে না, বৈরী আবাওয়া থাকলে ধুলোর কারণে বাড়ি থেকে বের হাওয়া মুশকিল হয়ে যাবে। তাছাড়া  চিরিরবন্দর উপজেলায় অনুমোদনহীন তৈরী হচ্ছে ইটভাটা। এরা মানছে না কোন পরিবেশ দূষণ যার প্রভাব পড়ছে স্কুলগামী ছাত্র ছাত্রীদের।
এ ব্যাপারে সাতনালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: ফজলুর রহমান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা সমন্বয় কমিটি হাওয়ার কথা আছে সেখানেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। নশরতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নূর আলম নুরু জানান, আমরা বরাদ্দ পেলেই এই কাঁচা রাস্তাগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
উপজেলা প্রকৌশলী মো: ফিরোজ আহমেদ জানান, কিছু কাঁচা রাস্তার সংস্কারের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে অনুমোদন আসলেই কাঁচারাস্তাগুলোর সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ