ঢাকা,বুধবার 14 November 2018, ৩০ কার্তিক ১৪২৫, ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সাগরকন্যা কুয়াকাটার মোহনীয় নৈসর্গিক দৃশ্য

অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে সাগরকন্যা খ্যাত ভ্রমণ গন্তব্য কুয়াকাটা৷ পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপালী ইউনিয়নে এর অবস্থান৷ এখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখা যায় বলে অন্যান্য সমুদ্র সৈকত থেকে এর গুরুত্ব আলাদা৷

কুয়াকাটার কুয়া

এই কুয়া বা পানির কূপকে ঘিরেই কুয়াকাটার নামকরণ৷ কথিত আছে ১৭৮৪ সালে বর্মী রাজা রাখাইনদের মাতৃভূমি আরাকান দখল করলে, বহু রাখাইন আরাকান ছেড়ে নৌকাযোগে অজানার উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়ে৷ চলতে চলতে তারা বঙ্গোপসাগরের তীরের রাঙ্গবালি দ্বীপ খুঁজে পেয়ে সেখানে বসতি স্থাপন করে৷ সাগরের লোনা পানি ব্যবহারের অনুপযোগী বলে মিষ্টি পানির জন্য তারা এখানে একটি কূপ খনন করে এবং এ স্থানের নাম দেয় কুয়াকাটা৷

হুমকির মুখে নারিকেল বাগান

জোয়ারের ঢেউয়ে বিলীন হতে বসেছে কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকতের নারিকেল বাগান৷ প্রতিবছরই বহু সংখ্যক নারিকেল গাছ বিলীন হচ্ছে সমুদ্র গর্ভে৷ গাছগুলোকে ঢেউ থেকে বাঁচানোর উদ্যোগ না নিলে দ্রুতই নারিকেল বাগান শূন্য হবে কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকত৷

সৈকতে সূর্যোদয়

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে সূর্যোদয়৷ ভালভাবে সূর্যোদয় দেখার জন্য সৈকতের পূর্ব পাশে গঙ্গামতির বাঁক আদর্শ জায়গা৷

সৈকতে সূর্যাস্ত

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে সূর্যাস্তের দৃশ্য৷ সৈকতে পশ্চিম প্রান্তের নারিকেল বাগান এলাকায় সূর্যাস্ত দেখার ভালো জায়গা৷

সীমা বৌদ্ধ মন্দির

কুয়াকাটার প্রাচীন কুয়াটির সামনেই সীমা বৌদ্ধ মন্দির৷ প্রাচীন এই মন্দিরে রয়েছে প্রায় ৩৭ মন ওজনের অষ্টধাতুর তৈরি ধ্যানমগ্ন বুদ্ধের মূর্তি৷

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রাখাইন সম্প্রদায়

সীমা বৌদ্ধ মন্দিরের পাশেই রাখাইন আদিবাসীদের পল্লি কেরানিপাড়া৷ এখানকার রাখাইন নারীদের প্রধান কাজ কাপড় বুনন৷ এদের তৈরি শীতের চাদর বেশ আকর্ষণীয়৷

শুঁটকি পল্লি

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম প্রান্তে বিশাল শুঁটকি পল্লি৷ শীত মৌসুমে জেলেরা পল্লিতে আসেন মাছের শুঁটকি তৈরি করতে৷

বিদেশে রপ্তানি

কুয়াকাটার শুঁটকি দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানিও হয়৷

গঙ্গামতির বন

কুয়াকাটা সুমুদ্র সৈকত পূর্ব দিকে শেষ হয়েছে গঙ্গামতির খালে গিয়ে৷ আর এখান থেকেই শুরু হয়েছে গঙ্গামতির বা গজমতির জঙ্গল৷ বিভিন্ন রককম গাছপালা ছাড়াও এই জঙ্গলে দেখা মিলতে পারে বন মোরগ, বানর ও নানা রকম পাখির৷ হিংস্র কোনো বন্যপ্রাণী নেই এ বনে৷

ফাতরার বন

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম প্রান্তে নদী পার হলেই সুন্দরবনের মতোই শ্বাসমূলীয় বন ‘ফাতরার বন’৷ অবিকল সুন্দরবনের মতো হলেও এ বনে হিংস্র বন্যপ্রাণি নেই বললেই চলে৷ বন মোরগ, বানর আর বিভিন্ন রকম পাখিই এ বনে বেশি দেখা যায়৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ