ঢাকা, মঙ্গলবার 20 December 2016 ৬ পৌষ ১৪২৩, ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েও অর্থাভাবে ভর্তি হতে পারছে না সোহাগ !

নাটোর সংবাদদাতা : কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ইঞ্জিনিয়ারিং (ই) ইউনিটে ১২ হাজার ৩৯১জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে পিছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করা দরিদ্র পরিবারের সন্তান সোহাগ এখন ভর্তির টাকা যোগার করতেই দিশেহারা হয়ে পড়েছে। সোহাগ এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় নাটোর সিটি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ৪.৮৩ জিপিএ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। সে নাটোর সদর উপজেলার পাইকেরদৌল সেখেরহাট এলাকার দিনমুজুর মোজাম্মেল হক ও শাহানারা বেগমের একমাত্র ছেলে। সোহাগের বড় বোনও বর্তমানে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অর্নাসে পড়ছে। কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় সোহাগ ইঞ্জিনিয়ারিং (ই) ইউনিটে প্রথম স্থান অর্জন করা ছাড়াও সে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ইউনিটে ১২৮তম স্থান অর্জন করেছে। সোহাগের বাবার কোন জমিজমা নেই, দুটি মাটির ঘরে তাদের বসবাস। তার বাবা দিন মুজুরি করে যা আয় করেন তা দিয়ে চারজনের সংসারে তিন বেলা দু মুঠো অন্ন যোগানোই কঠিন। তার উপরে দুই সন্তানের উচ্চ শিক্ষার ব্যয়ভার বহন করা কোন ভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। তাই সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বানদের মেধাবী ছাত্র সোহাগের শিক্ষাজীবন চালু রাখতে তার পাশে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে তার বাবা দিন মুজুর মোজাম্মেল হক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ