ঢাকা, মঙ্গলবার 27 December 2016 ১৩ পৌষ ১৪২৩, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

দায়িত্ব

রহিমা আক্তার মৌ : রাত তখন ১০টা বেজে ১১ মিনিট। কলিংবেল বেজে ওঠে। ড্রয়িংরুমে কেউ নেই নিশ্চয়ই। তাহলে এতক্ষণে দরজা খোলার শব্দ ঠিক পেত নাদিয়া জামান। নামাজে দাঁড়িয়েছে মাত্র। এশার ফরজ নামাজের ৪ রাকাতের মাত্র এক রাকাত শেষ হলো। নাদিয়া ছাড়াও বাসায় আছে নয়ন ও আঁখি। কিন্তু ওরা কোথায়। আবারও কলিংবেল বেজে উঠলো। নিশ্চয়ই জামান এসেছে।
প্রায় ৪৫ মিনিট আগেই কথা হয়েছে জামানের সাথে।
হ্যালো জামান, তুমি কোথায়?
এই তো আমি মায়ের বাসা থেকে বের হয়ে গাড়িতে উঠেছি। তোমরা খেয়ে নাও। আমি এখানে রাতের খাবার খেয়ে নিয়েছি।
জামানের সাথে কথা বলেই নাদিয়া আঁখি আর নয়নকে খাবার দেয়। গ্যাস্টিকের ওষুধ খেয়ে নামাজের ওযু করে নামাজে দাঁড়ায়। কিন্তু কেউ দরজা খুলল না দেখে নাদিয়া নামাজ ভেঙে উঠে গিয়ে দরজা খুলে দেয়।
জামান ভেতরে ঢুকে সোজা নিজের রুমে যায়। কোন কথা নেই। নাদিয়া নয়নের রুমে গিয়ে দেখে সে কানে হেড ফোন লাগিয়ে গান শুনছে আর অঙ্ক করছে। এটা ওর দৈনিকের স্বভাব। এই রুম ওই রুম খুঁজে দেখে আমি কোথাও নেই। তাহলে আঁখি কোথায়। অবশেষে তাকে ওয়াশরুমে দেখে। কাউকে কিছু না বলে আবার নামাজে দাঁড়ায় নাদিয়া। নামাজ শেষ করে মোনাজাতে বসে। তখনই নয়ন ডাকে মা, মা-
ইস্, আম্মু তুমি শুনতে পাওনা আমি যে ডাকছি। মা, ওমা- একটু আসো, এই অংক দেখিয়ে যাও। মোনাজাতে নাদিয়ার কানে কথাগুলো খুব লাগছে, আঁখি উঠে এসে নয়নকে বলে-
  মোনাজাত শেষ হয় নাদিয়ার। নয়নের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়।
দেখি কি অংক। আচ্ছা তোমার কি এই স্বভাব কোনদিন যাবে না। আমি নামাজে, তোমার বাবা এসে কলিংবেল দিচ্ছে তুমি শুনতে পাওনা। নামাজ ছেড়ে আমাকে যেতে হলো।
-মা আমি তো জানতাম না তুমি নামাজে। আমাকে বলে যেতে, তাহলে আমি কান থেকে ওটা সরিয়ে রাখতাম। কোন জবাব আর দেয় না নাদিয়া। নয়নের অংকের সমস্যা সমাধান করে দিয়ে জামানের রুমে যায়। মনে মনে ভাবে আসলে নয়ন বা আঁখির তেমন দোষ নেই। সবাই সবার কাজে ব্যস্ত। ঘরের এসব দায়িত্ব তো নাদিয়ার। কে আসবে কে যাবে সব। তবে নিজে নামাজে দাঁড়াচ্ছে তা ওদেরকে জানিয়ে গেলে হয়তো নামাজ ভেঙে আসতে হতো না।
জামান বিছানার অর্ধেক মেরে শুয়ে আছে। শরীরের উপরের অংশ বিছানায় থাকলেও নিচের অংশ খাট থেকে নিচের দিকে ঝুলছে। রুমে লাইট জ্বলে। চোখ বন্ধ করা। দেখে মনে হয় আধো ঘুম-আধো জেগে থাকা। বাহির থেকে আসলে জামান এমনটা করে না। ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে ফিটফাট হয়ে থাকে। তবে যখন খুব ক্লান্ত অনুভব করে, তখন ঠিক এমন করে শুয়ে থাকে। জামানকে এখন ডাক দেয়া ঠিক হবে না। ঘুম আসলে একটু ঘুমিয়ে নিক।
নাদিয়া রান্ন ঘরে গিয়ে নিজের জন্য খাবার নেয়। ড্রয়িং রুমে বসে টিভি অন করে। মাত্রই চ্যানেল আইয়ের ১০টা ৩০ মিনিটের সংবাদ শুরু হলো। সময়টা একেবারে ঠিক হয়েছে। এক সাথে খাওয়া আর সংবাদ দেখা।
জামানের রুম থেকে হালকা শব্দ শুনা যাচ্ছে। তার মানে সে উঠেছে। সংবাদ প্রায় মাঝামাঝিতে। জামান এসে বসে ড্রয়িংরুমের সিঙ্গেল সোফায়। ওকে কেমন জানি দেখা যাচ্ছে। মনে হয় খুব চিন্তায় আছে। তাও চিন্তার গভীরে। নাদিয়া দু’-চার বার তাকায় ওর দিকে। কিন্তু জামান তা নজরে নিচ্ছে না।
কিন্তু জামানের হয়েছে কি। আজ তো অফিস ছিল না। দিনের বেশির ভাগ সময় বাসায় ছিল। বিকেলে গাড়ি নিয়ে যায় মায়ের বাসায়। মা সালেহা বেওয়া গ্রাম থেকে এসেছেন ৩ দিন আগে। মূলত মায়ের সাথে দেখা করতেই যাওয়া। মায়ের সাথে খাবার খেয়ে এলো। এমন দিনে জামানের মন খারাপ থাকার কোন মানে নেই। কিন্তু নাদিয়া কিছু বলার সাহসও পাচ্ছে না। কালও জামানের অফিস বন্ধ। আজ নিশ্চয়ই ও একটু রাত জাগবে। টিভি দেখবে। রিমোটটা এগিয়ে দিয়ে নাদিয়া রান্না ঘরে যায়। আজকের রাতের শেষ দায়িত্বটুকু পালন করে বিছানায় যেতে যেতে রাত ১১টা ৪০ মিনিট।
আজকের ফজরের নামাজটা হয়তো পড়া হবে না। কারণ অফিস বন্ধ বলে একটু দেরীতেই উঠবে নাদিয়া।
কখন যে পুরো রাত পাড় হলো বুঝতেই পারেনি। কি খবর তোমরা কেউ আজ উঠবে না। বেলা তো অনেক হয়েছে। আমার তো খিদে পেয়েছে। নাস্তা খাব।
জামানের ডাকে ঘুম ভাঙে নাদিয়ার। ঘড়িতে তাকিয়ে দেখে ৯টা বেজে ১৭ মিনিট। চোখে মুখে পানি দিয়ে দৌড়ে যায় রান্না ঘরে। সবার আগে নাস্তা রেডি করে জামানকে দেয়। এই ফাঁকে নয়ন আঁখি ওরাও উঠে আসে। ওদেরকে দিয়ে চুলোয় চায়ের পানি দিয়ে নিজের নাস্তা নিয়ে টিভি’র সামনে বসে। একটু ধীর গতিতে নাস্তা খাচ্ছে। জামানকে স্বাভাবিক মনে হচ্ছে। নাদিয়া ভাবে, যাক কাল কিছু জিজ্ঞেস করিনি ভালো করেছি।
-নাদিয়া চায়ের পানি বসিয়েছো।
-হ্যাঁ, বসিয়েছি। আমার খাবার শেষ হলে চা দিব।
-কালকে তো একটা ঘটনা ঘটে গেছে।
একটু অবাক দৃষ্টিতে নাদিয়া তাকায় জামানের দিকে।
-কি ঘটনা-
-কাল যখন বাসা থেকে বের হয়েছি। প্রথমে একটা কাজে যাই। ওখানেই সন্ধ্যা হয়। এরপর মায়ের বাসায় যাই। তখন সন্ধ্যার পর। রাস্তায় পুলিশে গাড়ি ধরেছে।
-ধরেছে মানে?
-ধরেছে মানে গাড়ি থামাতে বলে। কুদ্দুস গাড়ি থামায়।
-তো, তোমাদের কাগজপত্র ঠিক ছিল না?
-হ্যাঁ ছিল তো।
পুলিশ প্রথমে কুদ্দুসের লাইসেন্স দেখতে চায়। কুদ্দুস তাই দেখায়। এরপর গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চায়। কুদ্দুস সব দেখায়। সব কাগজপত্র ওকেই ছিল। পুলিশ কুদ্দুসকে বলে-
-গাড়িতে কে বসা।
-স্যার।
-উনিই কি মালিক গাড়ির। নাম কি?
-জ্বী উনিই। নাম জামান সিকদার।
এরপর পুলিশ এ পাশে ঘুরে এসে আমার দরজা নক করে। আমি জানালা খুলি।
-আপনার সাথে একটু কথা আছে।
আমি দরজা খুলি। পুলিশের পোশাক পরা পুলিশ বাবু গাড়িতে উঠে বসেন।
-আপনার নাম-
-জামান সিকদার।
-চাকরি না ব্যবসা করেন।
-জ্বী সরকারি চাকরি করি।
-গাড়ি কিনেছেন কত দিন হলো?
-এই তো ৮/১০ মাস হয়েছে।
- কোন অফিসে চাকরি।
-একটা মন্ত্রণালয়ে।
আপনার গাড়িটা আমরা ৭ দিনের জন্য নিব। গাড়িটা থানার কাজে ব্যবহার করবো।
-আসলে আমার কিছু সমস্যা আছে তো, তাই....
-সমস্যা তো সবার থাকে। তবে আপনাকে ৭ দিনের জন্যে দিতেই হবে।
-আমার মেয়েটা এই গাড়িতে করে পড়তে যায়, ফিরতে রাত হয়ে যায়। ওর খুব কষ্ট হবে।
ওর কষ্ট হয়, তা আপনি দেখবেন আমার দেখার কাজ নয়। এইভাবে পুলিশ বাবুর সাথে কথা বলতে থাকে। বুঝাই যাচ্ছে উনি বসেছেন তো বসেছেন নামার কোন খবর নেই। আমি তো মহা টেনশান পড়েছি। কোনভাবেই গাড়ি দেওয়া ঠিক হবে না। ৭ দিনে গাড়ি আর ড্রাইভারের অবস্থা খারাপ করে ছাড়বে। এই ফাঁকে কুদ্দুস আমায় ইশারা দেয় স্যার ৫ শত টাকা দিন। দেখি কি হয়। আমি ৫শ’ টাকার একটা নোট বের করে কুদ্দুসের দিকে এগিয়ে দিই। কুদ্দুস টাকাটা পুলিশ বাবুকে দেয়। উনি টাকার পরিমাণ দেখে বলে আমাকে কি পেয়েছেন। এতে কিছু হয় নাকি। এটার প্রয়োজন নেই। আমি ৭ দিনের জন্যে গাড়ি বিয়ে যাব।
আমিও দিতে রাজি না। তিনিও না নিয়ে যাবেন না। কুদ্দুস বার বার এদিক ওদিক তাকায়। আশে পাশে অনেক লোক জন তবে কোন পুলিশের লোক দেখতে পাইনি। আমি আবারো অনুরোধ করি। অতপর তিন বলছেন- ঠিক আছে তাহলে ৫শ’ টাকা নয়, এক হাজার টাক দিন। কথাটা শুনে কুদ্দুস ইশারা দেয়। চুপে চুপে বলে স্যার তাই দিয়ে দিন। না হয় গাফলা করতে পারে। আমি পকেট থেকে আরো একটি ৫ টাকার নোট দিলাম। পুলিশ বাবু টাকাটা পকেটে ঢুকিয়ে গাড়ি থেকে নেমে গেলেন।
নাদিয়া কোন কথা বলেনি এতক্ষণ শুধু শুনেছে। আচ্ছা পুলিশ বাবুর পোশাকে কি ন্যাম প্লেট দেখালো। দেখেছি, তবে নামটা কেমন অদ্ভুত ধরনের। নাদিয়ার মাথায় কাজ করে না। দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলে এই কি আমার সোনার বাংলাদেশ।
এই দেশকে স্বাধীন করতে ৩০ লাখ প্রাণ গেছে। এই সোনার বাংলা কে স্বাধীন করতে নাদিয়ার বাবার মত লাখ লাখ মানুষ ঝাপিয়ে পড়েছে। স্বাধীনতার ৪৪ বছর হয়েছে। এখনো সাধারণ নাগরিক সামান্য একটি পোশাকের কাছে বন্দি। একটি পোাকের দাপটের কাছে সাধারণ মানুষগুলো কত অসহায়। এদের মুক্তির পথ কোথায়।
নাদিয়ার মনে পড়ে যায় ১৯৯৯/২০০০ সারের কথা। তখন নাদিয়ারা থাকতো সাভারে। সাভার ছেড়ে চলে আসে। এই ঢাকা শহরে ছোট একটা ট্রাকে করে সব জিনিসপত্র নিয়ে। ট্রাকের সামনে ড্রাইভারের পাশে বসে জামান, নাদিয়া আর ওদের একমাত্র সন্তান নয়। এর কয়েক বছর পর আঁখির জন্ম। তখন রাত ১০টার আগে ঢাকা শহরে ট্রাক ঢুকতে দেয়া হয় না।
তখন অতটা নিয়ম না থাকলেও বিভিন্ন জায়গায় কিছু নিয়ম পালন করা হতো। ট্রাক নিয়ে এই সময়ে আমার কারণে ট্রাফিক সিগনাল দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাফিক ট্রাক আটকায়। বাধ্য হয়ে ড্রাইভার যে দিন ট্রাফিকের হাতে ২০ টাকা তুলে দেয়। ২০ টাকা পেয়ে ট্রাফিক ট্রাকটাকে ছেড়ে দেয়। ১৯৯৯ সালের ২০ টাকা আজ ২০১৫ সালে বেড়ে ১০০০/- টাকায় স্থান করে নিয়েছে। দিন বদলায় তবে কিন্তু অনিয়ম কখনো বদলায় না। নয়ন এসএসসি পরীক্ষা দিবে। খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে নয়নকে নিয়ে কোচিং-এ যায় নাদিয়া। ক্লাস শুরু সকাল ৭টায়।
নয়নকে কোচিং এ নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে ধীর দতিতে নেমে আসছে নাদিয়া। তখনি হাতে থাকা মোবাইলটা বেজে উঠে মোবাইলর দিকে তাকিয়ে দেখে পুলিশ বাবুর নাম্বারটা ভেসে উঠলো। কিছুটা অবাক হলো পুলিশ বাবুর কল দেখে।
প্রায় দুই বছর আগে এই পুলিশ বাবুর সাথে নাদিয়ার পরিচয় হয়। একটা সামাজিক কাজের জন্যে যখন সবাই নাদিয়ার প্রশংসা করছিল তখন সেখানে উপস্থিত থাকেন পুলিশ বাবু প্রোগ্রাম শেষে সবাই চল যায়, দাঁড়িয়ে থাকে পুলিশ বাবু। নাদিয়ার সামনে এসে বলে ম্যাডাম আপনার সাথে কিছু কথা আছে।
জ্বি বলুন।
আপনাকে একটা স্যালুট করতে চাই। আজ আইনের পোশাক পরে আমি যা করতে পারিনি আপনি তা করেছেন। আপনার মত কিছু লোক নিশ্চয়ই আমাদের সমাজে আছে। আর আছে বলেই এখনো আমরা একটা সুন্দর স্বাধীন দেশে মুক্তির স্বপ্ন দেখি। তবে এটাও ঠিক যে এই ভাবে সাধারণ মানুষগুলো এগিয়ে এলে ন্যায় কখনো মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।
আমাদের সমাজের নিরিহ মানুষগুলো কিছু হলেও বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখতে পারে। আপনি অনেক বাড়িয়ে বলছেন। আসলে আমি তেমন কি আর করতে পেরেছি। যা সত্য তা বলেছি, যা দেখেছি এই বলেছি। এটা আমার দায়িত্ব কর্তব্য। সেই থেকে পুলিশ বাবুর সাথে যোগাযোগ চলছে। নাদিয়া মোবাইলটা রিসিপ করে হ্যাঁলো, নাদিয়া ম্যাডাম বলছেন।
জ্বি বলছি। কেমন আছেন?
ভালো আছি কিনা জানি না। তবে এত সকালে আপনাকে কল করার জন্যে দুঃখিত।
না, না, তাতে কি। নিশ্চয়ই আপনি প্রয়োজনে কল করেছেন। জানেন তো প্রয়োজন ছাড়া আমাদর কেউ কল করে না। একটা এলাকার নাম বলে পুলিশ বাবু নাদিয়াকে বলে মাজারের ঘটনা শুনেছেন। স্ত্রী তার স্বামীকে খুন করেছে। ইস্ এত বছরের সংসার। জানেন শুনলাম পরকীয়ার কারণে নাকী খুন করেছে মহিলা তার স্বামীকে।
আচ্ছা পরকীয়া কি ছিল মহিলার না পুরুষে।
তা এখনো জানতে পারিনি। আপনাকে খবরটা দিতে ইচ্ছে হয়েছে তাই দিলাম। শুনুন। স্বাীর পরকীয়ার কারণে স্বামীকে খুন করলে সেই নারীকে ধন্যবাদ দিতে হবে। পুরস্কার ও দিতে হবে। তবে মহিলার নিজের পরকীয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যদি স্বামীকে খুন করে থাকে তাহলে তো আপনারা আছেন। আপনারা আপনাদের কাজ চালিয়ে নিন।
নাদিয়ার সৎ সাহসের কাজ দেখে পুলিশ বাবু অনেক খুশি হয়। অনেক অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন। এই জন্য প্রায় নাদিয়াকে ধন্যবাদ ও দেয়। নাদিয়া এই দুই পুলিশ বাবুকে এক ভাবতে পারে না। কেউ পোশাকের ক্ষমতায় অন্যায় করে। কেউ পোশাকের ক্ষমতায় সৎ সাহসের পরিচয় দেয়। তবুও তাদের আমরা একই ভাবে চিনি। বাস্তবে এই চেনার মাঝে আকাশ পাতাল ব্যবধান। তা কেউ জানে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ