ঢাকা, শনিবার 07 January 2017, ২৪ পৌষ ১৪২৩, ০৮ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে লন্ডনে বিএনপির বিক্ষোভ

গত বৃহস্পতিবার বৃটেনের প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে যুক্তরাজ্য বিএনপি

মুহাম্মদ নূরে আলম (বরষণ) লন্ডন থেকে: ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ আখ্যায়িত করে গত বৃহস্পতিবার বৃটেনের প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুক্তরাজ্য বিএনপি। দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলা এ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীর শ্লোগানে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে উঠে। এসময় তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন প্রদর্শন করে ভোট চুরির প্রতিবাদ জানায়। যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সভাপতি এম এ মালিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে ব্রিটেনের বিভিন্ন জোনের নেতৃবৃন্দসহ, যুক্তরাজ্য যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, আইনজীবী ফোরাম, জাসাস ও মহিলা দলের শত শত নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সরকারের অত্যাচার নির্যাতনের কারণে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার পালন করতে পারছে না, তাই আমরা প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ৫ জানুয়ারির অবৈধ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ আসনে নিজেদের বিজয় দেখিয়ে গণতন্ত্রের কবর রচনা করে দেশে বাকশাল কায়েম করা হয়েছে। তিনি অবিলম্বে সকল দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী নিরেপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের জোর দাবি জানান।
যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সভাপতি এম এ মালিকের তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার যতোদিন অবৈধ ক্ষমতা আঁকড়ে থাকবে ততোদিন আমরা তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ওদেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যেসব বাহিনী রয়েছে তাদেরকে বিরোধী দল ও মতের নেতাকর্মীদের দমনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষের ভোটেরঅধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতা দখল করে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন করছেন শেখ হাসিনা। তাই গণতন্ত্রের পাদপীঠ ব্রিটেনে তার বিরুদ্ধে আমরা বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছি।
বক্তারা বলেন, আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম চলছে চলবে, বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে না আসা পর্যন্ত। বর্তমান অবৈধ সরকার ক্ষমতাকে দীর্ঘ করতে বিএনপি জামায়াতের নেতা কর্মীদের উপরে গুম খুন নির্যাতন চালাচ্ছে।
বিএনপির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যুক্তরাজ্য বিএনপির প্রধান উপদেস্টা শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিব, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-সভাপতি এম লুৎফর রহমান, শেখ শাসুদ্দিন শামিম, মোঃ গোলাম রাব্বানি, প্রফেসর এম ফরিদ উদ্দিন, গোলাম রাব্বানী সোহেল, উপদেষ্টা তইমুছ আলী, সলিসিটর ইকরামুল হক মজুমদার, মানবাধিকার সংগঠক ফরিদুল ইসলাম, এস এম মাহবুব, এস কে তরিকুল ইসলাম, হাসিবুল হাসান, নাসের খান অপু উকিল, সালেহ আহমেদ জিলান, সাংবাদিক মুহম্মদ নূরে আলম, সাংবাদিক মাহবুব আলী খানশূর,
 যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক সহিদুল ইসলাম মামুন, কামাল উদ্দিন, শরিফুজ্জামান চৌধুরী তপন,নাসিম আহমেদ চৌধুরি, সাদিক মিয়া, মেসবাউজ্জামান সোহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, আজমল হোসেন চৌধুরী জাবেদ,যুক্তরাজ্য যুবদলের আহ্বায়ক দেওয়ান মকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, খসরুজ্জামান খসরু, কে আর জসিম, কোষাধক্ষ্য আব্দুস সাত্তার, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান জাহিদ, যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হামিদ খান হেভেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক তাজবির চৌধুরী শিমুল, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের শেখ, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আখতার মাহমুদ, সহ-দফতর সম্পাদক সেলিম আহমেদ, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট লিয়াকত আলী, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক খিজির আহমেদ, সহ ক্রীড়া সম্পাদক সরফরাজ আহমদে সরফু, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হাসান গাজি প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ