ঢাকা, শনিবার 07 January 2017, ২৪ পৌষ ১৪২৩, ০৮ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সরু চাল ব্রয়লার মুরগি গোশতের দাম বৃদ্ধি

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। কেজি প্রতি ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ১০-১৫ টাকা। অপরদিকে গরু ও খাসির গোশতের দামও কিছুটা বেড়েছে। আর সরু চালের দাম কেজি প্রতি ১-২ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর সেগুন বাগিচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির দাম কেজি প্রতি ১০-১৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১৬৫ টাকা থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর গরুর গোশত বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা কেজি, খাসির গোশত ৭শ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক ছুটির সুবাদে বিভিন্ন ধরনের উৎসব ও বিয়ের হিড়িক পরায় গোশতের দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে প্রচুর সরবরাহ থাকায় সবজির দাম এখন অনেকটাই ক্রেতারদের নাগালে। আর সরু চালের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ১ থেকে ২টাকা। মিনিকেটের দাম বাড়লেও আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে মোটা চাল। স্থিতিশীল রয়েছে মাছ, ডালসহ অন্যান্য পণ্যের দাম।
গোশত বিক্রেতা আবুল বারেক বলেন, শীতের এ সময়টা বিয়ের মওসুম হিসেবে পরিচিত। সেই সঙ্গে সামাজিক অনুষ্ঠানও বেশি পালিত হচ্ছে। ফলে গোশতের চাহিদা বেড়েছে। এ কারণেই দাম উর্দ্ধমূখী। তাছাড়া বাজারে গরু ও খাসির সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে।
রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নতুন আসা আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি দরে। আগের সপ্তাহে একই আলু বিক্রি হয়েছে ২৫ টাকায়। ৪০ টাকা থেকে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিকেজি বেগুনের দাম নেমে এসেছে ৩০ টাকায়। বড় আকারের প্রতিটি ফুলকপি শুক্রবার বিক্রি হয়েছে ২০ টাকায়। আগের সপ্তাহে ভালো মানের ফুলকপি বিক্রি হয়েছে ২৫ টাকায়। একই হারে কমেছে বাধাকপির দামও। আগের সপ্তাহে ৬০ টাকা কেজি দরে করলা বিক্রি হলেও শুক্রবার এ পণ্যটি পাওয়া গেছে ৪০ টাকা কেজি দরে।
এ ছাড়া প্রতিকেজি গাজর ২০ থেকে ২৫ টাকা, মুলা ১৫ টাকা, শশা ২৫-৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, সিম ২৫ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, ব্রকলি ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। আগের সপ্তাহে এ সব সবজির দাম ছিল কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১৫ টাকা বেশি। তবে কিছুটা বেড়ে টমেটো বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে। আগের সপ্তাহে পণ্যটি ৪০ টাকা কেজিতে।
মুদি দোকানে দেশি পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে বিক্রি হচ্ছে ২৮-৩০ টাকা কেজি দরে। আগের সপ্তাহে পণ্যটি ৩৩ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বিদেশি পেয়াঁজের দাম সামান্য বেড়ে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। আমদানি করা রসুনের দাম রাখা হচ্ছে কেজিপ্রতি ২০০ টাকা। আর দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা কেজি দরে।
বাজারে সরবরাহ ভালো থাকায় মাছের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। বড় আকারের পাঙ্গাস মাছ ১০০ থেকে ১২০ টাকা কোজি দরে বিক্রি হয়েছে। চাষের কই ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, তেলাপিয়া ৯০ থেকে ১০০ টাকা, সিলভার কার্প ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। মাঝারি আকারের রুই ও কাতলা ২৫০ টাকা রূপচাঁদা ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা, শোল মাছ ৪০০ টাকা এবং বড় আকারের গলদা চিংড়ি ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজারে সব ধরনের মিনিকেট চালের দাম কেজিতে এক থেকে দুই টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গুটি স্বর্ণা, আটাশ, পারিজাত আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি মিনিকেট চাল শুক্রবার বিক্রি হচ্ছে ৪৯ থেকে ৫২ টাকায়। পারিজাত চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৬ থেকে ৩৮ টাকায়। এ ছাড়া ২৮ চাল ৪১ থেকে ৪২ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ