ঢাকা, বুধবার 11 January 2017, ২৮ পৌষ ১৪২৩, ১২ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ট্রাম্পকে মার্কিন দূতাবাস জেরুসালেমে স্থানান্তর না করার আহ্বান আব্বাসের

১০ জানুয়ারি, ওয়াফা : ইসরায়েলে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসকে তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে না সরাতে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। এক চিঠিতে তিনি এ আহ্বান জানান বলে খবর প্রকাশ করেছে ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যমগুলো।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন সময়ে দূতাবাসকে স্থানান্তরিত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। গত মাসে কট্টরপন্থী আইনজীবী ডেভিড ফ্রাইডম্যানকে ইসরায়েলের দূত মনোনীত করেন ট্রাম্প। এমনকি গত মাসে ট্রাম্পের মুখপাত্র কেলিয়ান কনওয়েও এক মার্কিন রেডিওকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেনে, দূতাবাস সরানোটা ট্রাম্পের বড় ধরনের প্রাধান্যের বিষয়।
গত সোমবার ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানায়, ‘ট্রাম্পের এ ধরনের পদক্ষেপ শান্তি প্রক্রিয়া, দ্বি-রাষ্ট্র নীতিজনিত সমাধান এবং পুরো অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সর্বনাশা প্রভাব তৈরি করবে বলে এক চিঠিতে আব্বাস সতর্ক করেছেন।’
ওয়াফার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস সরিয়ে নিলে কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি করবে তা নিয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার কথা ভাবছেন আব্বাস। এ ধরনের পদক্ষেপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বিরত রাখার জন্য ‘কোনও প্রচেষ্টা না ছাড়ার’ আহ্বান জানিয়ে রাশিয়া, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের ক্ষমতাধরদের কাছেও চিঠি পাঠিয়েছেন আব্বাস।
প্রসঙ্গত, ১৯৯০ এর দশকের শুরু থেকে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে বেশ কয়েক দফায় শান্তি আলোচনা হয়েছে। ফিলিস্তিনিরা চায় পশ্চিম তীরে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে এবং পূর্ব জেরুজালেমকে এর রাজধানী বানাতে।
১৯৬৭ সালের আরব যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে রেখেছে। পূর্ব জেরুজালেমকে নিজেদের অবিভাজ্য রাজধানী বলে দাবি করে থাকে ইসরায়েল। অবশ্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পূর্ব জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। ১৯৬৭ সালের পর পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ১শরও বেশি বসতি স্থাপন করেছে ইসরায়েল।
আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় এ বসতি স্থাপনকে অবৈধ বলে বিবেচনা করা হলেও ইসরাইল তা মানতে চায় না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ