ঢাকা, বুধবার 11 January 2017, ২৮ পৌষ ১৪২৩, ১২ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

নতুন বছরে রোমাঞ্চকর প্রযুক্তিপণ্যের হাতছানি

জাফর ইকবাল : গেল বছরেও নতুন নতুন প্রযুক্তিতে মাতোয়ারা ছিল সারা বিশ্ব। এবার নতুন বছরেও গ্রহাকদের জন্য হাতছানি দিচ্ছে অনেক রোমাঞ্চকর প্রযুক্তিপণ্য। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে সবার কাছে প্রিয় গেম। এছাড়া রয়েছে কম্পিউটার ও মোবাইল আইটেমও। নতুন বছরে এখন পর্যন্ত ইউটিউবে ট্রেলার দেখা আর গেইমিং সাইটগুলোর আলোচনায় দু’টি গেমকে ঘিরে প্রত্যাশা তুঙ্গে, রেড ডেড রিডেম্পশনের দ্বিতীয় পর্ব আর ঘোস্ট রিকন: ওয়াইল্ডল্যান্ডস। এ ছাড়া ধারণা করা হচ্ছে, গড অব ওয়ারের নতুন করে শুরুটা হবে এ বছরের শেষ নাগাদ। সব মিলিয়ে ভরপুর অ্যাকশনের হাতছানিই দিচ্ছে ২০১৭!
ইউবিসফট বলছে, ঘোস্ট রিকন ওয়াইল্ডল্যান্ডস আসছে এযাবত্কালের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল গেইম ম্যাপ নিয়ে। বলিভিয়ায় মাদকপাচারকারী কুখ্যাত ডাগ কার্টেলকে ধরতে মার্কিন একটি বিশেষ বাহিনীর অভিযান নিয়ে তৈরি হয়েছে ওপেন ওয়ার্ল্ড টেকটিক্যাল শ্যুটার ঘরানার গেমটি। নির্মাতারা বলছেন, গোটা বলিভিয়া দেশটাকেই ডিজিটাল মাধ্যমে রূপান্তর করে এ গেইমের ভূ-প্রকৃতি তৈরি করেছেন ডিজাইনাররা। জঙ্গল, পাহাড়, মরু, নোনা ভূঁই...কী নেই এই গেমে! সঙ্গে দিনরাতের বদল, ঝড়বৃষ্টি সব মিলিয়ে লাতিন আমেরিকার দেশটাকে দারুণভাবেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এ গেমে। এ তো গেল পরিবেশের কথা। গেমের কাহিনী ও কৌশলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে নির্মাতারা পরামর্শ নিয়েছেন সাবেক ডিইএ (ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি) ও ইউএস রেঞ্জার্সদের। টম ক্ল্যান্সির সৃষ্ট ‘ঘোস্ট রিকন’ একটি কাল্পনিক বিশেষায়িত বাহিনী। বিভিন্ন অপারেশনে তাদের দক্ষতা কাজে লাগানো হয়। এই বাহিনীর  বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, তারা ভূতের মতোই অস্তিত্ব টের পাওয়া যায় না। নিঃশব্দে এসে আক্রমণ করে শত্রুকে ধ্বংস করে মিলিয়ে যায় হাওয়ায়। ওয়াইল্ডল্যান্ডস পর্বে ‘ঘোস্ট’দের সামনে কঠিন এক চ্যালেঞ্জ। বলিভিয়ায় মাদকের কারবার অক্টোপাসের মতো ছড়িয়ে আছে, যেটা নিয়ন্ত্রণ করছে সান্তা বাঙ্কা ড্রাগ কার্টেল। প্রচণ্ড নিষ্ঠুর এই মাদক কারবারিরা! কেউ এদের বিরোধিতা করলেই কপালে নির্মম মৃত্যু। তাদের বিপক্ষেই লড়তে হবে ঘোস্ট রিকনের সৈনিকদের। কখনো দিনের আলোয়, কখনো রাতের অন্ধকারে, কখনো সঙ্গোপনে। কখনো বা বিধ্বংসী হামলা চালিয়ে ধ্বংস করতে হবে কার্টেলের মাদক কারখানা, গোডাউন নয়তো তাদের পোষা সন্ত্রাসীদের আড্ডা। অনলাইনে একই সঙ্গে চারজন পর্যন্ত খেলা যাবে গেইমটি, খেলা যাবে একাও। ঘোস্ট রিকন : ওয়াইল্ডল্যান্ডস মার্চের ৭ তারিখে মুক্তি দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে ইউবিসফট, খেলা যাবে উইন্ডোজ পিসি, এক্সবক্স ওয়ান ও পেস্টেশন ফোরে।
বলিভিয়া থেকে একেবারে বুনো পশ্চিমে! রেড ডেড রিডেম্পশনের দ্বিতীয় কিস্তি আসছে ছয় বছরের প্রতীক্ষার পর। আবারও ঘোড়া দাপিয়ে রিভলবার বাগিয়ে ঘুরতে দেখা যাবে জন মার্শটনকে। গত ২০ অক্টোবর ইউটিউবে মুক্তি পায় গেইমটির ট্রেলার। এক মিনিট ৯ সেকেন্ডের ট্রেলারটি এরই মধ্যে প্রায় এক কোটিবার দেখা হয়েছে। আর ‘লাইক’ দিয়েছেন ২০ লাখের বেশি! তাতেই বোঝা যাচ্ছে, গেইমারদের আগ্রহটা কত তুঙ্গে। চোখ ধাঁধানো গ্রাফিকসে বুনো পশ্চিমকে জীবন্ত করেছেন এনিমেটররা। গরুর র‌্যাঞ্চের বেড়ায় টাঙানো ষাঁড়ের খুলি, জঙ্গলে খরগোশের লাফ, বুনো হরিণের পেছনে শিকারীর ধাওয়া...পাহাড়ের ঢালে সূর্যাস্তÍসব কিছুই যেন জীবন্ত! মার্কিন গৃহযুদ্ধ, বুনো পশ্চিমের সংঘবদ্ধ ডাকাতদল সব কিছুই আছে ট্রেলারে। তবে মূল গল্পে কী আছে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে বছরের শেষ প্রান্তিক পর্যন্ত। গেইমটি খেলা যাবে উইন্ডোজ পিসি, এক্সবক্স ওয়ান ও পিএসফোরে। প্রকাশ করছে রকস্টার গেইমস।
২০১৭ সালে কয়েকটি নতুন ধারার প্রযুক্তিপণ্য জনপ্রিয়তা পাবে বলে ধারণা করছেন সংশিষ্টরা। স্মার্টফোনের ছবি বা ভিডিও বড় পর্দায় দেখাতে পারে ডিএলপি। প্রজেক্টরটির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ মাত্র ২ ইঞ্চি হলেও স্মার্টফোনের পর্দায় থাকা ছবি বা ভিডিও ১২০ ইঞ্চি পর্যন্ত বড় করে প্রদর্শন করতে পারে। আকারে ছোট ও ওজন কম হওয়ায় সহজে বহন করা যায়। রিমোট কন্ট্রোল ও রিচার্জেবল ব্যাটারি ব্যাকআপ সুবিধার প্রজেক্টরটি চাইলে ট্যাবলেট কম্পিউটার, ল্যাপটপসহ গেইমিং কনসোলেও ব্যবহার করা সম্ভব। আইফোনসহ অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা এইচডিএমআই পোর্ট সুবিধার ডিভাইসে কাজ করে প্রজেক্টরটি। অনলাইন বিকিকিনি সাইট অ্যামাজনে থাকা প্রজেক্টরটি কিনলেই পাওয়া যাবে রিমোট কন্ট্রোল, ট্রাইপড, এইচডিএমআই ও এমএইচএল কানেক্টর কেবল ও ইউএসবি চার্জার। দাম  পড়বে ২৯৯ ডলার।
 কোবল্ড ভিজি ১০০: দ্রুত বড় কাচের জানালা পরিষ্কার করতে পারে জার্মানিতে তৈরি ডিভাইস কোবল্ড ভিজি ১০০। অল ইন ওয়ান ডিভাইসটি কাচ ধোঁয়ার সময়ই পানি মোছার পাশাপাশি শুকিয়েও ফেলতে পারে। লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারিতে চলা ডিভাইসটির ওজনও বেশ কম, মাত্র ৯৯৫ গ্রাম। প্রতি চার্জে ৩০ মিনিট কাজ করতে সক্ষম ডিভাইসটিতে রয়েছে বিশেষ ধরনের মাইক্রো ফাইবারের কাপড়, পানি সংরক্ষণের বেসিন, বিশেষ ধরনের কাচ পরিষ্কার করার উপাদান। ব্যাটারি চার্জ করার জন্য চার্জারও রয়েছে ডিভাইসটির সঙ্গে। দাম : ৪৯৯ ডলার।
ফায়ার এইচডি৮ ট্যাবলেট: অ্যামাজনের তৈরি ফায়ার এইচডি৮ মডেলের ট্যাবলেট কম্পিউটারটির স্ক্রিনের আকার ৮ ইঞ্চি। ১৮৯ (পিপিআই/১২৮০ বাই ৮০০) পিক্সেল সুবিধার ট্যাবলেটটিতে রয়েছে ১.৫ গিগাহার্জ গতির কোয়াডকোর প্রসেসর। ওজনে হালকা ও গড়নে পাতলা ট্যাবলেটটির তথ্য ধারণক্ষমতা যথাক্রমে ৮ ও ১৬ গিগাবাইট। চাইলে ১২৮ গিগাবাইট ধারণক্ষমতার মেমোরি কার্ডও যুক্ত করা সম্ভব। ছবি তোলার জন্য পেছনে ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা রয়েছে। সামনে ছবি তোলার জন্যও রয়েছে এইচডি ক্যামেরা। এক চার্জে টানা আট ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। অ্যামাজনের প্রাইম মেম্বাররা ট্যাবলেটটি কাজে লাগিয়ে অ্যামাজনে থাকা হাজারও প্রাইম ভিডিও অনলাইনে দেখার সুযোগ পাবেন। শুধু তা-ই নয়, প্রায় আট লাখেরও বেশি বইপড়ার পাশাপাশি লক্ষাধিক গান শোনারও সুযোগ পাওয়া যাবে। চাইলে প্রাইম ভিডিও, সিনেমা, টিভি সিরিয়াল ডাউনলোড করা যাবে, যা পরে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই দেখা যাবে। দাম : ৮৫ পাউন্ড।
উইথিংস থার্মো: উইথিংস থার্মো মূলত স্মার্ট থার্মোমিটার। ১৬টি ইনফ্রারেড সেন্সর সুবিধার থার্মোমিটারটি কারো কপালের ওপর দিয়ে ঘুরিয়ে আনলেই নির্ভুলভাবে তাপমাত্রা শনাক্ত করে স্ক্রিনে দেখাতে পারে। ব্যাটারিতে চলা অ্যাপ নিয়ন্ত্রিত থার্মোমিটারটির পরিমাপ করা তাপমাত্রার তথ্যের পাশাপাশি রোগের উপসর্গ ও প্রয়োজনীয় তথ্য সরাসরি ব্যবহারকারীর স্মার্টফোনেও সংগ্রহ করা যায়। চাইলে অ্যাপটিতে পরিবারের সব সদস্যের আলাদা প্রোফাইল খুলে শরীরের তাপমাত্রা, রোগের উপসর্গ, ওষুধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন তথ্যের রেকর্ড রাখা সম্ভব। দাম : ৯৯ ডলার।
নয়েজ ক্যানসেলিং হেডফোন: ‘বোস কোয়াইট কমফোর্ট ৩৫’ নয়েজ ক্যানসেলিং হেডফোনটি ব্যবহারকারীদের আশপাশে থাকা কোলাহল বা আওয়াজ কানে প্রবেশে বাধা দিয়ে থাকে। ওয়্যারলেস প্রযুক্তিনির্ভর হেডফোনটি ব্লুটুথের মাধ্যমে মিউজিক্যাল ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত করা যায়। দাম: ২৯০ পাউন্ড।
অ্যামাজন ইকো ব্যাক: অ্যামাজন ইকো ব্যাক সাধারণ কোনো স্পিকার নয়, ব্যবহারকারীর মুখের কথায় অ্যালেক্সা ভয়েস সেবা কাজে লাগিয়ে অনলাইন থেকে অ্যামাজন মিউজিক, স্পটিফাইসহ বিভিন্ন সেবা থেকে নির্দিষ্ট গান শনাক্ত করে বাজাতে পারে। চাইলে ব্যবহারকারীর নির্দেশমতো বিভিন্ন সংবাদ শোনানোর পাশাপাশি অনলাইন বিকিকিনি সাইট অ্যামাজন থেকে বিভিন্ন পণ্য অর্ডারও করতে পারে। স্পিকারটির সাহায্যে ঘরের স্মার্ট লাইট, সুইচ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও উত্তর দিতে পারে। দাম : ১৫০ পাউন্ড,
 সাদা ও কালো দু’টি রঙে পাওয়া যাবে স্পিকারটি। পি৫এক্স বিশ্বের অন্যতম দ্রুতগতির সাইকেল। বিশেষ প্রযুক্তিতে তৈরি সাইকেলটিতে ব্যবহার করা হয়েছে এসআরএএম আরইডি ইট্যাপ দ্রুতগতিতে চলার পাশাপাশি এটি বেশ নিরাপদও। দাম : ১৫ হাজার ডলার।
যেকোনো বস্তুর ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) প্রিন্ট করতে জুড়ি নেই ইউপি মিনি২ থ্রিডি প্রিন্টারের। স্পর্শনির্ভর স্ক্রিনের থ্রিডি প্রিন্টারটিতে ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে স্মার্টফোন থেকেও সরাসরি প্রিন্ট করা সম্ভব। অ্যালুমিনিয়ামের হাতল থাকায় ওজনে হালকা প্রিন্টারটি সহজে বহনও করা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রকল্প  তৈরিতে কার্যকর থ্রিডি প্রিন্টারটি। দাম: ৩৪৯ ডলার।
২০১৭ হবে স্মার্ট ঘড়ির! স্মার্টফোনের এই যুগে দরকারি ডিভাইস স্মার্ট ঘড়ি। এ বছর ডিভাইসটির বাজার খুব ভালো যাবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। সেসব মডেলের স্মার্টওয়াচে নজর থাকবে ক্রেতাদের। 
অ্যাপল ওয়াচ ২: বর্তমান বাজারের স্মার্টওয়াচগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপল ওয়াচ ২। ওয়াচ ওএস৩, এস২ ডুয়াল কোর প্রসেসর এবং ১.৫৩ ইঞ্চি ওলেড ডিসপ্লেসমৃদ্ধ এই স্মার্টওয়াচটিতে আরো রয়েছে ৮ জিবি স্টোরেজ। ওয়্যারলেস চার্জারের মাধ্যমে একবার চার্জ করলে টানা ১৮ ঘণ্টা নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন। এ ছাড়া ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, এনএফসি তো থাকছেই। অ্যাপল ওয়াচের এই নতুন ইনস্টলেশনটি ওয়াটার রেসিস্ট্যান্ট বলে অন্য যেকোনো ঘড়ির চেয়ে এটি টিকবে বেশি, আর এর বিল্ট-ইন জিপিএস’র সাহায্যে আপনি জগিংয়ের হিসাবটাও রাখতে পারবেন খুব সহজেই। তবে বলে নেওয়া ভালো, এর দাম কিন্তু একটু বেশি এবং কিছু প্রয়োজনীয় অ্যাপ এটিতে ব্যবহার করতে পারবেন না।
স্যামসাং গিয়ার এস২: অ্যাপলের সঙ্গে পালা দিয়ে বাজারে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নতুন স্যামসাং গিয়ার এস২। টাইজেন ওএস, ১.০ গিগাহার্জ ডুয়াল কোর প্রসেসর, ৪ জিবি স্টোরেজ এবং ১.২ ইঞ্চি সুপার অ্যামলেড ডিসপেসমৃদ্ধ এই স্মার্টওয়াচটিতে চার্জ থাকবে দেড় দিন। আর ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, এনএফসি কানেকটিভিটি তো থাকছেই। স্যামসাং গিয়ার এস২-র সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফিচারটি হচ্ছে এর রোটেটিং বেজেল আর উজ্জ্বল ডিসপে। বাজারে প্রচলিত সব স্মার্টওয়াচের চেয়ে এর ডিসপ্লে অনেক বেশি উজ্জ্বল।
মোটো ৩৬০: মটোরোলা ব্র্যান্ডের এই স্মার্টওয়াচটিতে রয়েছে ওএস অ্যানড্রয়েড ওয়্যার, ১.৩৭ অথবা ১.৫৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ১.২৫ গিগাহার্জ কোয়াড কোর প্রসেসর এবং ৪ জিবি অনবোর্ড স্টোরেজ। এই স্মার্টওয়াচটিতে ওয়্যারলেস প্রযুক্তিতে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে এবং একবার চার্জ দিলে দেড় থেকে দুই দিন ব্যবহার করা সম্ভব। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার হচ্ছে, এই স্মার্টওয়াচটিত অ্যানড্রয়েড ও আইওএস দু’টির সঙ্গেই ব্যবহার করা যাবে। এ ছাড়া মাল্টিপল কানেকটিভিটি সিস্টেম, যেমন ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ইত্যাদি ডিভাইসটিকে আরো বেশি জনপ্রিয় করে তুলেছে।
হুয়াওয়ে ওয়াচ: হুয়াওয়ে ব্র্যান্ডের এই স্মার্টওয়াচটিতে রয়েছে ওএস অ্যানড্রয়েড ওয়্যার, ১.৪ ইঞ্চি অ্যামলেড ডিসপে, ১.২ গিগাহার্জ কোয়াড কোর প্রসেসর এবং ২ দিনের ব্যাটারি লাইফ। ওয়্যারলেস চার্জিং, ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই ইত্যাদি ছাড়া এর স্বল্প দামও মানুষকে বেশি আকর্ষণ করছে।
সনি স্মার্টওয়াচ ৩: সনি ব্র্যান্ডের নতুন এই স্মার্টওয়াচটির ওএস অ্যানড্রয়েড ওয়্যার এবং এতে রয়েছে ১.৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে আর ১.২ গিগাহার্জ কোয়াড কোর প্রসেসর। এ ছাড়া ৪ জিবি অনবোর্ড স্টোরেজ, বিল্ট-ইন জিপিএস আর দুই দিনের নন-স্টপ ব্যাটারি লাইফ ডিভাইসটিকে বেশ আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তবে এই ঘড়িতে আপনাকে মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট দিয়ে চার্জ দিতে হবে। একই ব্র্যান্ডের আরেকটি ভার্সনও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে, যার নাম সনি স্মার্টওয়াচ ৩ স্টিল। এর সব ফিচারই আগেরটির মতোই, কিন্তু পুরো বডি স্টিলের তৈরি আর দামও একটু বেশি।
আসুস জেনওয়াচ ২: আসুসের এই নতুন বাজেটবান্ধব স্মার্টওয়াচটিতে রয়েছে ওএস অ্যানড্রয়েড ওয়্যার, ১.৬৩ ইঞ্চি অ্যামলেড ডিসপে, অ্যানড্রয়েড ও আইওএস কম্প্যাটিবিলিটি, ১.২ গিগাহার্জ কোয়াড কোর প্রসেসর, ৪ জিবি অনবোর্ড স্টোরেজ, দুই দিনের ব্যাটারি লাইফ, ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই ইত্যাদি। আসুসের আগের জেনওয়াচ থেকে এই ঘড়িটির বিল্ড কোয়ালিটি ও পারফরম্যান্স অনেক ভালো আর দামও নাগালের মধ্যেই।
এলজি ওয়াচ আরবেইন: এলজির এই স্মার্টওয়াচটিতে রয়েছে ওএস অ্যানড্রয়েড ওয়্যার, ১.৩ ইঞ্চি পি ওলেড ডিসপে, ১.২ গিগাহার্জ কোয়াড কোর প্রসেসর, ৪ জিবি অনবোর্ড স্টোরেজ, দুই দিনের ব্যাটারি লাইফ, ওয়্যারলেস চার্জিং মেথড, অ্যানড্রয়েড ও আইওএস কম্প্যাটিবিলিটি, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি ইত্যাদি।
তবে ঘড়িটির দাম অনেক বেশি এবং এতে কোনো জিপিএসও নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ