ঢাকা, বুধবার 11 January 2017, ২৮ পৌষ ১৪২৩, ১২ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ওপর ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে -হাসান সরকার

গাজীপুর সংবাদদাতা : বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক এমপি হাসান উদ্দিন সরকার বলেছেন, আওয়ামী লীগ ইয়াহুদি-নাসারাদের এজেন্ট হিসেবে বাংলাদেশে রাজনীতি করছে। এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ওপর ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে ইসলামের ভেতর বহু মতবাদ সৃষ্টি করতে পেরে ইসলাম বিরোধী শক্তি সফল হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার টঙ্গী আউচপাড়া সুলতানা রাজিয়া রোডে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে এক আলোচনাসভা ও সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সফলতা ও সুস্থতা কামনায় এক দোয়া মাহফিলে বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
গাজীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা নাজির আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি প্রভাষক বসির উদ্দিন আহমেদ, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা রাশেদুল ইসলাম কিরণ, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ মো. আলেক, মো. সেলিম হোসেন, বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম খান কালা, কসিম উদ্দিন, আনিসুর রহমান মিরণ, শেখ ইব্রাহিম, ফজলুল হক মৃধা ভুট্টু, মো. বাবর আলী, ফারুক হোসেন খান, আক্তারুজ্জামান নূর, শেখ সুমন, মামুন হাওলাদার, তানসির আহমেদ, কিবরিয়া খান জনি, হাবীবুর রহমান আজাদ, আব্দুল হালিম প্রমুখ।
হাসান সরকার আরো বলেন, স্কুল-কলেজে তথাকথিত ডিজিটালের নামে ছেলে-মেয়েদের সুকৌশলে ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। ডিজিটালের নামে স্কুলে বাচ্চাদেরকে অনৈতিক প্রেম-ভালবাসা শিখানো হচ্ছে। যারা বর্তমানে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করছেন তাদের সন্তানরা বিদেশে পড়াশুনা করে বলেই তারা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ভাল কিছু ভাবছেন না। ফলে এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হলে তাদের কিছু যায়-আসে না। হাসান সরকার বলেন, কেউ যদি আমাকে দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে জাতির কোন সর্বনাশার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে তাহলে আমি বললো আওয়ামীলীগ শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে জাতির সর্বনাশ করেছে। শিক্ষায় শুভঙ্করের ফাঁকি রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ফেস্টুনের রাজনীতিতে আমি বিশ্বাস করি না। ফেস্টুনে দলের প্রচারের চেয়ে ব্যক্তির প্রচারকে গুরুত্ব দেয়া হয়। ফেস্টুনে যাদের ছবি থাকার কথা তাদের ছবি থাকে না। অনৈতিক সুবিধার জন্য বিতর্কিতরা ফেস্টুনে নিজেদের ছবি প্রচার করে। আর ঘন ঘন নেতাদের বাসায় গিয়ে নেতাদের খুশি করে যে পদ নেয়া হয় সেপদ রাজনীতিতে কখনো কল্যাণকর নয়।
‘আমার শাষণ সমাজ চরমভাবে উপলব্দি করছে’ দাবি করে হাসান সরকার বলেন, আমি অসংখ্য লোককে চাকরি দিয়েছি। কোন বিনিময় গ্রহণ করিনি। শ্রমিকদের দাবি আদায় করতে গিয়ে কখনো মালিকদের কাছেও বিক্রি হইনি। আমি অনেকগুলি কারণে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিচরণ করছি। কিন্তু অনেকে রাজনীতিতে আমার সাথে চালাকি করে। একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, তুমি অন্যের সাথে প্রতারণা করে মূলত নিজের সাথেই প্রতারণা করছ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ