ঢাকা, বুধবার 11 January 2017, ২৮ পৌষ ১৪২৩, ১২ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মানিকগঞ্জে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা : মানিকগঞ্জের সিংগাইরে স্ত্রী মমতাজ বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী আলমগীর হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার  দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান খান জনাকীর্ণ আদালতে আসামীর অনুপস্থিতিতে এই রায় প্রদান করেন।
মামলার বিবরণীতে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ১৪ এপ্রিল মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার নাজিরপুর গ্রামে দাম্পত্য কলহে মমতাজ বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ গোয়ালঘরে বেঁধে রাখে স্বামী আলমগীর। পরের দিন মমতাজের মা আনেছা বেগম বাদী হয়ে আলমগীরকে আাসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ আসামী আলমগীরকে গ্রেফতার করে। মামলায় আদালত ২০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। ২০০৭ সালের ২৩ জুলাই মামলার অভিযোগ প্রদান করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহ আলম মুন্সি। উল্লেখ্য যে, গত ২০১৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আসামী আলমগীর ৬ মাসের জামিন নিয়ে পলাতক থাকেন। আসামী আলমগীর হোসেনের বাড়ি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কালীদাসপুর গ্রামে।
আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মাধব সাহা ও আতাউর রহমান ভুঁইয়া ও বাদী পক্ষে ছিলেন পাবলিক পসিউকিটর (পিপি) আব্দুস সালাম।
স্বামীর দায়ের
কোপে প্রাণ
গেলো স্ত্রীর
চট্টগ্রাম অফিস : চট্টগ্রামে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী শাহিন আকতার (৩৫)কে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে পাষ- স্বামী আবু তৈয়ব। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলীর জাফরাবাদে এ ঘটনা ঘটে। চন্দনাইশ থানার এসআই বাবুল মিয়া বলেন, কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আবু তৈয়ব তার স্ত্রী শাহিন আকতারকে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শাহিন আকতারকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আবু তৈয়বও বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে বলে জানান তিনি।
৫ দিন পরে ইছামতী থেকে
নিখোঁঁজ গৃহবধূর লাশ উদ্ধার
কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা : নিখোঁজের ৫ দিন পরে ষোড়শী গৃহবধূ আমেনার লাশ গতকাল মঙ্গলবার সকালে কলারোয়ার চান্দুড়িয়া সীমান্তের ইছামতী নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘর থেকে প্রাকৃতিক কর্মে বের হয়ে আমেনা আর ফিরে আসেনি। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দেড় মাস আগে চান্দুড়িয়া গ্রামের দীন আলীর পুত্র ওমর আলীর সংগে পার্শ্ববর্তী গ্রাম গোয়ালপাড়ার আব্বাস আলীর কন্যা আমেনার বিয়ে হয়। সুখে দিন কাটতে থাকে এই অপ্রাপ্ত বয়স্ক দম্পতির। গত ৬ জানুয়ারী শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির বিদ্যুত লাইনের কাটআউট কেটে যাওয়ায় কেরোসিনের কুপি জ্বালায়ে গৃহবধূ আমেনা বাথরুমে রওনা হয়। আর বাড়ির সকলে পার্শ্ববর্তী চান্দুড়িয়া বাজারে থাকায় কাটআউট লাগানোর জন্য পাশের বাড়িতে লোক ডাকতে যায়। বাড়ি ফিরে শাশুড়ী আমেনাকে না পেয়ে পাশের বাড়ি গুলোতে খুজতে শুরু করে। খবর পেয়ে আমেনার স্বামী ওমর ও শ্বশুর দীনো বাড়ি এসে খুজে না পেয়ে স্থানীয় মেম্বরকে জানায়। এই ঘটনায় অবশ্য আমেনার পিতা এবং শশুরের পক্ষ থেকে পরস্পরকে দায়ী করে পৃথক ভাবে দুটি জিডি করা হয়। তবে গত কয়েক দিন তল্লাসী করে কোথাও আমেনার হদিস পাওয়া যায় নি। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উঠে তীরবর্তী লোকজন ইছামতী নদীর বাংলাদেশ কিনারায় পানিতে ভাসমান একটি মহিলার লাশ দেখতে পায়। পানি থেকে উদ্ধারের পরে লাশটি নিখোঁজ গৃহবধূ আমেনা বলে তার স্বজনরা সানাক্ত করেন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে কলারোয়া পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ঘটনায় কলারোয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ