ঢাকা, বুধবার 11 January 2017, ২৮ পৌষ ১৪২৩, ১২ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

দাগনভূঞার মাতুভূঞা ইউনিয়নের সড়কগুলোর বেহাল দশা

দাগনভূঞা (ফেনী) সংবাদদাতা : দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক খানাখন্দে ভরে গেছে। ৮ বছর হয়েছে ইউনিয়নের কোন সড়কে কাজ হয়নি। এসব সড়কে চলতে গিয়ে প্রতিদিনই ঘটছে দুর্ঘটনা। রাস্তার মাঝখানেই বিকল হচ্ছে গাড়ি। এই সুযোগ দুই থেকে তিনগুন ভাড়া বৃদ্ধি করেছে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা ও অন্যান্য পরিবহন। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ইউনিয়নটির সড়ক গুলোতে দীর্ঘ দিন পর্যন্ত কোন সংস্কার করেনি কর্তৃপক্ষ। পাকা রাস্তাগুলোর পিচ উঠে গেছে সেই অনেক আগেই। পুরো রাস্তা জুড়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গাড়ি চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সহ নানা রকম  ভোগান্তি সইতে হচ্ছে ইউনিয়নবাসীদের। গত বর্ষায় সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পর বর্তমানে এসব রাস্তাগুলোতে চলতে গিয়ে ঘটছে প্রায়ই দুর্ঘটনা। সড়ক সমস্যার করণে অনেক চালক এসব সড়কে গাড়ি নিতে চায়না। আবার কেউ কেউ ভাড়া বাড়িয়েছে দুই থেকে তিনগুন পর্যন্ত। তার পরও জীবন জীবিকার প্রেেয়াজনে এসব সড়কই যাতায়াত করতে হয় এখানকার স্থানীয়দের। ব্যংক কর্মকর্তা অনোয়ার হোসেন জানান,মাতুভূঞা এলাকায় তার বাড়ি। প্রতিদিন অফিসে আসতে যাতায়াত সমস্যা ও সময় ম্যান্টেন না হওয়ায় তিনি উপজেলা শহরে গত ২ মাস যাবত ভাড়া বাসায় উঠেছেন। এতে করে একদিকে পারিবারিক নানা সমস্যা বাড়ছে। অন্যদিকে বাড়ছে নানা ধরনের ব্যয় ও দুশ্চিন্তা। দাগনভূঞা বদরেন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রহিম উল্যাহ বাবুল জানান,প্রতিদিন কর্মস্থলে যেতে গাড়ি ভাড়া দ্বিগুণ দিতে হয় এবং ১০ মিনিটের পথ সময় লাগে এক ঘন্টা। তাছাড়া স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা পড়েছে বিপাকে তাদেরকে অর্থ এবং সময় দুটোই ব্যয় করতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সিএনজি চালক মনির আহম্মদ জানান, ভাঙ্গা রাস্তা গুলো দিয়ে গাড়ি চালালে তাদের গাড়ির নিত্য সমস্যা দেখা দেয়। সে আরো জানায়, গর্ভবতী মহিলারা ডাক্তার দেখাতে এসব সড়ক দিয়ে যেতে ভয় পায়। এ ব্যপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান আবদুল্লা আল মামুন জনান,অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সড়তগুলো মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে। শ্রীর্ঘই এসব সড়ক মেরামতে কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ