ঢাকা, বৃহস্পতিবার 12 January 2017, ২৯ পৌষ ১৪২৩, ১৩ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

নবাবগঞ্জে যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত

দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) সংবাদদাতা : ঢাকার নবাবগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মো. রকি দেওয়ান নামে এক যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। মারপিট থামাতে গেলে ঐ যুবকের মা ও বোনের উপরও হামলা করা হয়।
সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার মাঝিরকান্দা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় একদল বখাটে যুবক এ ঘটনা ঘটায়। এব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। আহত রকি দেওয়ান মাঝিরকান্দা গ্রামের বাবুল দেওয়ানের ছেলে। রাতে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, সম্প্রতি তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মাঝিরকান্দা ও কলাকোপা গ্রামের দু’পক্ষ যুবকের ৩ দফা হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে সোমবার বিকালে কলাকোপা আলহাদিপুর গ্রামের ইমরান, মাঝিরকান্দা গ্রামের নিলু খান, সাদাপুর গ্রামের মাসুদ মিয়া, খন্দকারহাটি গ্রামের মুন্না, ইমন, কলাকোপা গ্রামের অনিক, ফয়সাল, সায়মন হাতুড়ি ও লাঠিসোটাসহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে রকিদের বাড়ির সামনে ওঁত পেতে থাকে। তারা রকিকে বাড়ির সামনে রাস্তায় একা পেয়ে হাতুড়ি দিয়ে পিটাতে থাকে। তার চিৎকারে রকির মা ও বোন এগিয়ে এলে তাদের চড়-থাপ্পর দেয় এবং ধারালো অস্ত্রের ভয়ও দেখায় হামলাকারীরা। রকিকে আহত করে তারা পালায়। পরে স্থানীয় ও স্বজনরা রকিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করেন। ঘটনার পর থেকে বখাটেরা পলাতক রয়েছে। এবিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
রকির বাবা বাবুল দেওয়ান অভিযোগ করেন, তারা এলাকার বখাটে যুবক। হামলাকারীরা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে চায়।
নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (সেকেন্ড অফিসার) সফিকুল ইসলাম সুমন জানান, এবিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।
লাশ উদ্ধার
ঢাকার দোহার উপজেলায় অজ্ঞাত এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে দোহার থানা পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের মেঘুলা গ্রামের কালী বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় থেকে লাশ উদ্ধার করে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দোহার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জামিল হোসেন জানান, এলাকাবাসীর সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকালে মেঘুলা বাজার সংলগ্ন কালী বাড়ির পাশের একটি নালার সামনে আনুমানিক এক দিনের নবজাতকের লাশটি পাওয়া যায়।  মঙ্গলবার কোনো একসময় নবজাতকটির জন্ম হয়েছিল। লাশে সদ্য জন্ম নেওয়া সব চিহ্ন আছে। শপিং ব্যাগের মধ্যে রেখে নবজাতকের লাশটি ফেলে দেওয়া হয়।  পরে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে নবজাতকের লাশটি মেঘুলা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ