ঢাকা, শনিবার 14 January 2017, ১ মাঘ ১৪২৩, ১৫ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ছুটির দিনে বাণিজ্য মেলায় উপচেপড়া ভিড় ॥ ঝোঁক ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে

গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় দর্শক-ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার গতকাল ছিল দ্বিতীয় শুক্রবার। ছুটির দিনে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভীড় ছিল চোখে পড়ার মত। ১৩তম দিনে চিরচেনা রূপ ফিরে পেয়েছে মেলা। দর্শনার্থীর পাশাপাশি বেড়েছে বেচাকেনাও। বাণিজ্য মেলা যেন ক্রেতা-বিক্রেতার মিলন মেলা। গতকাল সকাল থেকে মেলার প্রবেশ গেটে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। অনেকে দীর্ঘ লাইনের কারণে মেলায় প্রবেশ না করেই বাসায় ফিরে গেছেন। আনন্দের এই যাত্রায় বাধা ছিল দীর্ঘ যানজট।

মেলা ঘুরে দেখা গেছে, দুপুরের পরপরই পার্কিং স্পেসসহ আশপাশের স্থানগুলো ভরে উঠেছে কানায় কানায়। এমনকি সন্ধ্যায় মেলা ছাড়াও আশপাশের কোথাও খালি জায়গা ছিল না। এদিন অনেকেই গাড়ি রাখারও জায়গা পায়নি। সারাদিনই মেলার ভেতরে ও বাইরে মানুষের স্রোত ছিল চোখে পড়ার মত। মেলাকে কেন্দ্র করে পুরো শেরেবাংলা নগরেই আশপাশের রাস্তায় প্রচুর যানজট দেখা থাকে। খামার বাড়ি থেকে শুরু করে তালতলা-শেওড়াপাড়া পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের। যানজটের কারণে স্ত্রী/সন্তানদের নিয়ে পায়ে হেঁটেই এদিকে মিরপুর অন্যদিকে ফার্মগেটে এসে গাড়িতে চড়তে হয়েছে।

দেশের রাজনৈতিক অরাজকতা না থাকায় মেলায় প্রচুর ক্রেতা-দর্শকের সমাগম ঘটছে। এজন্য সন্তোষ প্রকাশ করলেন বিক্রেতারাও। জানালেন, ছুটির দিনে ভালো বিক্রির খবর। এক দিকে ছুটির দিন অন্যদিকে শীতের আমেজ হওয়ায় স্টল-প্যাভিলিয়নে ক্রেতাদের ভিড় ছিল বেশি। এ কারণে বিকেলের দিকে মেলার আশপাশের সড়কগুলোতে যানবাহনের জটলা লেগে যায়। এদিন টিকিট কাউন্টার ও মেলার মূল প্রবেশ পথেও দেখা গেছে দীর্ঘ লাইন। 

এ প্রসঙ্গে মেলার ইজারাদার মীর শহীদুল ইসলাম বলেন, এবার দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় মেলা শুরু থেকেই জমে উঠেছে। ছুটির দিনগুলোতে আশানুরূপ ক্রেতা সমাগম ঘটেছে বলে তিনি জানান। 

বাণিজ্যমেলা আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি মেলার ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রথম কয়েক দিন একটু ঢিলেঢালা থাকে। তবে এবার তেমনটা হয়নি। মেলার শুরু থেকেই দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে সবাই খুশি। সামনের দিনগুলোতে মেলা আরো জমবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কর্মকর্তারা। 

মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, অন্যদিনের তুলনায় গতকাল অধিকাংশ স্টল-প্যাভিলিয়নেই প্রচুর ক্রেতা সমাগম। খোলা জায়গাগুলোতেও চোখে পড়ে মানুষের ভিড়। মেলায় অংশ নেয়া হোটেলগুলোতে খাদ্যের মূল্য বেশি হওয়ার কারণে অনেককেই বাসা থেকে খাবার রান্না করে নিয়ে আসতে দেখা গেছে। বিছানার চাদর খোলা মাঠে বিছিয়ে স্ত্র¿ী/সন্তানদের নিয়ে দুপুরের খাবার গ্রহণ করতে দেখা গেছে। বাণিজ্য মেলার অংশ নেয়া হোটেলগুলোতে খাদ্যমূল্যের নামে হয়রানির কারণে মেলার দর্শনার্থীরা কম খাচ্ছে। তবে গত বছরের তুলনায় এবার হোটেলগুলোতে হয়রানি কিছুটা কমেছে।

মেলায় তিল ধারণের জায়গা ছিল না। বিশেষ করে ইলেক্ট্রিক, ইলেক্ট্রনিক্স, সিরামিক ও গৃহস্থালি পণ্যের স্টল-প্যাভিলিয়নগুলোয় বেচাকেনা হচ্ছে অপেক্ষাকৃত বেশি। তবে অনেকেই আবার মেলায় আসছেন বিভিন্ন কোম্পানির নতুন নতুন পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে। কেউ আসছেন বিশেষ মূল্য ছাড়ে কেনাকাটা করতে।  প্রতি বছর মেলার শেষ দিকে ক্রেতা-দর্শনার্থীর ভিড় বাড়লেও এবার তা দেখা যাচ্ছে শুরু থেকেই। এছাড়া দেশি-বিদেশি তৈরি পোশাক, ভোগ্যপণ্য, ফার্নিচার, সৌখিন পণ্যের প্রায় সব স্টল-প্যাভিলিয়নেও ক্রেতা-দর্শনার্থীর ভিড় দেখা গেছে।

সরেজমিন মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে, রাজধানীতে শীতের মাত্রা কম হলেও গতকাল শীতের মাত্রা কিছুটা বেড়েছে। ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ও বেচাবিক্রি আশানুরূপ হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, ক্রেতাদের বেশির ভাগই অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক্স পণ্যের প্যাভিলিয়ন ও স্টলগুলোতেই ভিড় করছে। বাণিজ্য মেলায় নিজেদের ব্র্যান্ডের পাশাপাশি জনপ্রিয় বিদেশি ব্র্যান্ডের নতুন মডেলের পণ্যের প্রদর্শনীকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য প্রস্তুত ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। গড়ে তুলেছে দৃষ্টিনন্দন প্যাভেলিয়ন। দেখলে যে কেউ একটু ঢুঁ মারতে চাইবেন। ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় এ রকম অর্ধশতাধিক বড় প্যাভেলিয়ন আছে যেগুলো যে কারোরই নজর কাড়ে। আর এ তালিকায় এগিয়ে আছে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের প্যাভিলিয়নগুলো। এর অংশ হিসেবে মেলার শুরুতেই চমক দেখিয়েছে শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন ও সনি। এসব প্যাভেলিয়নের পণ্য প্রদর্শন আর বিক্রয়কর্মীর উপস্থাপন মুগ্ধ করছে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের। জনপ্রিয় এদুইটি ব্র্যান্ড নিয়ে এসেছে সবচেয়ে দামি স্মার্ট টেলিভিশন। 

দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন প্রতি বছরই মেলায় আসে ভিন্ন সাজে। পণ্যের মধ্যেও থাকে নতুনত্ব। গতকাল এ প্যাভিলিয়নকে ঘিরে তরুণ-তরুণীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। প্যাভেলিয়নে ঢুকতেই চোখে পড়বে ৭৫ ইঞ্চি ও ৯৮ ইঞ্চির স্মার্ট টেলিভিশন। প্যাভেলিয়নের নিচতলায় প্রদর্শনের জন্য রাখা ওয়ালটন ব্র্যান্ডের রেফ্রিজারেটর, ফ্রিজার, এলইডি টেলিভিশন, ওয়াশিং মেশিন, ইলেক্ট্রিক ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ইন্ডাকশন কুকার, ব্লেন্ডার, এলইডি বাল্ব, সুইচ, সকেট, রিচার্জেবল ব্যাটারি, জেনারেটরসহ চার শতাধিক মডেলের ইলেক্ট্রনিক্স হোম এপ¬ায়েন্স পণ্য। প্রতিষ্ঠানটি মেলা উপলক্ষে নিয়ে এসেছে ৫৫ ইঞ্চি ই-এলইডি, ও-এলইডি, স্মার্ট ৪-কে টেলিভিশন। এসব পণ্য ঘিরে দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা গেছে ওয়ালটনের প্যাভেলিয়নে। বিক্রেতারা জানান, ১২ হাজার ৯৫০ টাকা থেকে ৮৫ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন আকারের এলইডি টেলিভিশন। 

মেলায় একমাত্র প্যাভিলিয়ন সেখানে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক লিফট। প্যাভিলিয়নের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় তলায় উঠতে এই লিফট ব্যবহার হচ্ছে। প্যাভেলিয়নের উপরের তলায় রাখা হয়েছে স্মার্ট ফোন। এক্স-৪-প্রো নামের নতুন একটি স্মার্ট ফোন মেলায় উদ্বোধন করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত পণ্যের মধ্যে আছে প্রিমো এনএক্স-৩, প্রিমো আর-৪, প্রিমো ভি-২, প্রিমো জেডএক্স-২, প্রিমো ডি-৭। ৩ হাজার ৬৯০ টাকা থেকে ১৬ হাজার ৪৯০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের স্মার্ট ফোন। 

নতুন পণ্যের পাশাপাশি রয়েছে ৩৬ মডেলের ফ্রিজ ও এসি, ওয়াশিং মেশিন, রাইস কুকার, ব্লেন্ডার, জুসার, কাপড় শুকানোর মেশিন এবং মিক্সার। প্রতিটি পণ্যের সাথে বিভিন্ন রকমের গিফট আইটেম থাকছে বলে জানান প্যাভেলিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাব্বির আহম্মেদ সাকিল।

প্যাভিলিয়নের ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলাম জানান, মেলার শুরু থেকেই তাদের প্যাভিলিয়নে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপস্থিতি আশানুরূপ। একই সঙ্গে বেচাবিক্রি। তিনি বলেন, আশা করছি মেলা বাকি দিনগুলোতে এখনকার চেয়ে আরো বেশি লোক তাদের প্যাভিলিয়নের থাকবেন। 

অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য নিয়ে মেলায় হাজির হয়েছে মিনিস্টার-মাইওয়ান, যমুনা ইলেক্ট্রনিক্স, শার্প, সনি-র‌্যাংগস। মিনিস্টার-মাইওয়ানের ৩২ ইঞ্চি টেলিভিশন পাওয়া যাচ্ছে ১৯ হাজার ৯৯০ টাকায়। সাথে বছরের ওয়ারেন্টি। বিক্রেতারা বলেন, কিস্তিতে ৬ মাসে মূল্য পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। এছাড়া টিভির সাথে ৭ মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টিও আছে। মেলা উপলক্ষে শার্প দিচ্ছে পণ্য ভেদে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল্য ছাড়। ৩২ ইঞ্চি থেকে ৬০ ইঞ্চি পর্যন্ত বিভিন্ন সাইজের টেলিভিশন বিক্রি করছে প্রতিষ্ঠানটি। দাম ২৩ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে।  

সনি-র‌্যাংগস নিয়ে এসেছে ৪৩ থেকে ৮৫ ইঞ্চির ফোর-কে টিভি। যার দাম ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৯০ টাকা থেকে ২২ লাখ টাকা পর্যন্ত। ৩২ এবং ৪০ ইঞ্চির ২টি মডেলের এক্সট্রা প্রটেক্টেবল টিভির দাম যথাক্রমে ৩১ হাজার ৯০০ টাকা এবং ৬১ হাজার ৯০০ টাকা। ৯ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ৬৯ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে সব ধরনের স্মার্ট ফোন। আছে জেড- প্রিমিয়ার ডুয়েল মোবাইল। থাইল্যান্ড থেকে আনা হয়েছে বিভিন্ন আকারের ফ্রিজ। ৪১ হাজার ৯০০ টাকা থেকে ৭০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে এসব ফ্রিজ। নতুন ফ্রিজ এবং ওয়াশিং মেশিনের প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ বেশি বলে জানালেন বিক্রেতারা।  

যমুনা ইলেক্ট্রনিক্সের প্যাভিলিয়ন ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম বলেন, হোম এপ¬ায়েন্স, এসি ও টিভিতে ৫ শতাংশ মূল্যছাড় দেয়া হয়েছে। প্রতিটি টিভি ১৩ হাজার থেকে ৫৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এবার মেলায় শুরু থেকেই কেনাবেচা ভালো হচ্ছে। গত বছরের চেয়ে এবার বিক্রি পাঁচগুণ বেশি হবে বলে আশা করছেন তিনি। মেলার মিনিস্টার প্যাভিলিয়নে কেনাকাটায় স্ক্র্যাচ কার্ডে ২ হাজার থেকে সম্পূর্ণ ফ্রি অফার রয়েছে। এ ছাড়া কিছু ফ্রিজে ১২ শতাংশ ও ওয়াশিং মেশিনে ৩ হাজার টাকা মূল্যছাড় আছে। স্যামস্যাংয়ের প্যাভিলিয়নে এক লাখ টাকার পণ্য কিনলে স্মার্ট মোবাইল ফ্রি।

মেলায় ইলেকট্রনিক্স পণ্য ছাড়াও প্লাস্টিক, এলুমিনিয়াম গৃহস্থালির উপকরণ, ইমিটেশনের গয়না, প্রসাধন সামগ্রী, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন সামগ্রীর স্টল ও প্যাভিলিয়নগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় ছিল লক্ষণীয়। শিশুদের খেলনার দোকানেও ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় ছিল। মেলায় দর্শনার্থীদের সরব পদচারণায় মুখরিত ছিল বিনোদন কেন্দ্র, ইকোপার্ক ও বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন। 

রাজধানীর গ্রিন রোড থেকে সপরিবারে মেলায় এসেছেন বেসরকারি একটি কোম্পানিতে কর্মরত আসিফুর রহমান। তিনি জানান, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ভালো থাকায় মেলায় এসে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। গতবার হরতাল-অবরোধের কারণে মেলায় ছেলেদের নিয়ে আসা হয়নি। তিনি জানান, ঘরের কিছু গৃহস্থালি জিনিসপত্র ও বাচ্চাদের পোশাক কিনেছেন। 

পহেলা জানুয়ারি থেকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে শুরু হয়েছে ম্যাসব্যাপী আন্তজার্তিক বাণিজ্যমেলা। দর্শনার্থীদের সুবিধবার জন্য প্রতিবছরই প্রবেশমুখে টাঙিয়ে দেয়া হয় মানচিত্র। এবারও ব্যতিক্রম ঘটেনি। মেলা প্রধান ফটক থেকে শুরু করে পুরো মেলায় মাস্টার প্ল্যান লেআউট ম্যাপ বসানো হয়েছে। এবার মেলার মূল ফটকের সামনে ও ইপিবি তথ্যকেন্দ্রের পাশেসহ পুরো প্রাঙ্গণে চারটি ডিজিটাল মাস্টারপ্ল্যান লেআউট ম্যাপ বসানো হয়েছে। এ ম্যাপের মাধ্যমে কোথায় বাথরুম, মসজিদ, শিশুপার্ক রয়েছে দর্শনার্থীরা তা খুঁজে পাবেন।

সব স্টলে কমবেশি ভিড় থাকলেও বাড়তি চাপ রয়েছে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের শো-রুমে। একই জায়গায় সবধরনের পণ্য পাওয়ায় সহজেই নিজের পছন্দের পণ্যটি বেছে নিতে পারছেন, ক্রেতা- দর্শনার্থীরা।

এত সব আনন্দের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে যানজট। রাজধানীতে ছুটির দিনে তেমন যানজট না থাকলেও বাণিজ্যমেলাগামী রুটগুলোতে রয়েছে ব্যাপক যানজট। আর এ কারণেই মেলাগামী মানুষ দীর্ঘ রাস্তা পায়ে হেঁটেই মেলায় আসতে দেখা গেছে। ফিরতে আরও বেশি ভোগান্তি। মেলা থেকে বের হলেই রয়েছে ব্যাপক জ্যাম। মেলায় ক্রয় করা মালপত্র নিয়েই বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটে পরিবহনে চড়তে হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ