ঢাকা, সোমবার 16 January 2017, ৩ মাঘ ১৪২৩, ১৭ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

এক যুগ পর অস্ট্রেলিয়ায় পাকিস্তানের দুর্দান্ত জয়

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পাকিস্তান দল সর্বশেষ ওয়ানডে জিতেছিল ২০০৫ সালে। অবশেষে ‘মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মোহাম্মদ আমির ও মোহাম্মদ হাফিজ নৈপুণ্যে এক যুগ পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জয় পেল পাকিস্তান। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে অসিদের ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ১৯৯২ সালে বিশ্বকাপজয়ী দলটি। এই জয়ে সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতা আনলো পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করে ৪৮.২ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২২০ রান করে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ৪৭.৪ ওভার খেলে (১৪ বল হাতে রেখেই) জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে পাকিস্তান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন হাফিজ। খেলেছেন ৭২ রানের মূল্যবান এক ইনিংস। তার ১০৪ বলের ম্যাচজয়ী এই ইনিংসটি সাজানো ৮টি চারে। তিনি শিকার জেমস ফকনারের। অপর ওপেনার ২৯ রান করেন। ওপেনিং জুটিতে পাকিস্তান পায় ৬৮ রান। তিনে ব্যাট করতে নামা বাবর আজম ৩৪ রান করে মিচেল স্টার্কের বলে জস হ্যাজেলউডের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। ১৩ রান করা আসাদ শফিকও পরাস্ত হন স্টার্কের কাছে। দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন শোয়েব মালিক (৪২*) ও উমর আকমল (১৮*)। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে দুটি করে উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক ও জেমস ফকনার। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩১ রানের মাথায় ডেভিড ওয়ার্নারকে (১৬) খুইয়ে বসে অস্ট্রেলিয়া। অপর ওপেনার উসমান খাজাও নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। ১৭ রান আসে তার ব্যাট থেকে। অসি দুই ওপেনারকেই সাজঘরে ফেরান বিপিএলে আলো ছড়ানো জুনায়েদ খান। ক্রমশই ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা অসি অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথকে সাজঘরের পথ দেখান ইমাদ ওয়াসিম। ১০১ বল মোকাবেলা করে ২টি চারের মারে ৬০ রান করেন স্মিথ। রানের খাতা খোলার আগেই মিচেল মার্শকে প্যাভিলিয়নের পথ ধরান আমির। জেমস ফকনার (১৭) ও প্যাট কামিন্সকেও (০) আউট করেন ২৪ বছর বয়সী পাকিস্তানি পেসার। ম্যাথু ওয়েডের ব্যাট থেকে আসে ৩৫ রান। ট্রাভিস হেডের ইনিংস থামে ২৯ রানে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল করেন ২৩ রান। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন আমির। দুটি করে উইকেট জমা পড়ে জুনায়েদ খান ও ইমাদ ওয়াসিমের পকেটে। হাসান আলী ও শোয়েব মালিক নেন একটি করে উইকেট। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হাফিজ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ