ঢাকা, বুধবার 18 January 2017, ৫ মাঘ ১৪২৩, ১৯ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

চিত্র-বিচিত্র

বিশ্বের দীর্ঘতম হাত ও পায়ের অধিকারী সুলতান
বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা মানুষ হিসাবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করেছেন সুলতান কোসের অনেক আগেই। তিনি তুরস্কের আঙ্কারার অধিবাসী। ২০১১ সালে এই উচ্চতা মাপা হয়। আর এই উচ্চতা মাপে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডস রেকর্ডস। কেবল পৃথিবীর লম্বা মানুষ হিসাবে নয়, পাশাপাশি তিনি আরও একটি রেকর্ড অর্জন করেছেন। এই রেকর্ডটি হচ্ছে জীবিত মানুষের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ হাত-পায়ের অধিকারী ব্যক্তি। সুরতানের বাম ও ডান পায়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ৩৬.৫ সেন্টিমিটার ও ৩৫.৫ সেন্টিমিটার। তাছাড়া তাঁর হাত ২৮.৫ সেন্টিমিটার লম্বা। মাত্র দশ বছর বয়স থেকে সুলতানের অস্বাভাবিকভাবে শরীরের বৃদ্ধি শুরু হয় আর এই বাড়া চলতে থাকে প্রাপ্তবয়স্ক পর্যন্ত। অবশেষে উপায় না পেয়ে তিনি চিকিৎসকের আশ্রয় নেন। শেষপর্যন্ত ২০১০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সঠিক চিকিৎসা করে হরমোনের সমস্যা থেকে রেহাই পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০১১ সালে গিনেস ওয়ার্ল্ডস রেকর্ডস অনুযায়ী তাঁর উচ্চতা ২৫১ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ৮ ফুট ২.৮ ইঞ্চি। তবে ২০০৯ সালে চীনের একটি সংস্থা সুলতানের উচ্চতা মেপেছিল। তখন তাঁর উচ্চতা ছিল ৮ ফুট ১ ইঞ্চি। সুতরাং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, সুরতানের দুই বছরে শরীরের উচ্চতা বেড়েছে ১.৮ ইঞ্চি। বর্তমানে তাঁকে অতিরিক্ত হরমোনের সমস্যায় আক্রান্ত হতে হচ্ছে না। কিন্তু সলতান এতটা লম্বা হওয়া সত্ত্বেও ভাঙতে পারেননি এযাবৎ পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা মানুষটির রেকর্ড। যার উচ্চতা ছিল ৮ ফুট ১১.১ ইঞ্চি। এই ব্যক্তির নাম রবার্ট ওয়াডল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা।

মানুষ কমছে, কিন্তু কুকুর বেড়েই চলেছে জাপানে
টোকিও, জানুয়ারি: জাপানে গত কয়েক বছর ধরে মানুষের জন্মহার দ্রুত কমছে। তবে এর পাশাপাশি সেখানে কুকুরের বংশ বেড়েছে অবিশ্বাস্য গতিতে। অবস্থা এমন যে, দেশে এখন মানবশিশুর চেয়ে কুকুরের সংখ্যাই বেশি। বর্তমান এই পরিস্থিতিকে বিশেষজ্ঞরা কুকুর বিস্ফোরণের সঙ্গে তুলনা করেছেন। পোশা কুকুরকে ঘিরে সেখানে গড়ে উঠেছে এক হাজার কোটি মার্কিন ডলারের ব্যবসা। এখানে যতটা না শিশুদের দেখা যায়, তার চেয়ে ঢের বেশি নজরে পড়ে কুকুরের আনাগোনা। টোকিওর অনেক এলাকায় শিশুদের পোশাকের দোকানের চেয়ে কুকুরের পোশাকের দোকানের চেয়ে কুকুরের পোশাকের দোকান বেশি। এসব দোকানে অনেক দামি পোশাক বিক্রি হয়। আবার শিশুদের একটি আশ্রয়কেন্দ্রের খোঁজ সহজেই মেলে। জাপানিরা মানুষের মতো তাঁদের পোষা কুকুরের প্রতি যতœশীল। পোষা কুকুর সম্পর্কে এক জাপানির মন্তব্য, ‘তারা আমাদের বাচ্চার মতো। আমরা একসঙ্গে খাই। একসঙ্গে ঘুমাই। যখন কোথাও বেড়াতে যাই, একসঙ্গে যাই। আমি তাদের কাপড় পরাই, কারণ তারা দেখতে সুন্দর। তারা আমার কাছে সন্তানের মতো।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ