ঢাকা, শুক্রবার 20 January 2017, ৭ মাঘ ১৪২৩, ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মহেশখালীতে বনাঞ্চল উজাড়

মহেশখালী (কক্সবাজার) সংবাদদাতা : মহেশখালীতে ব্যাঙের ছাতার মত গজে উঠেছে লাইসেন্স বিহীন ফার্নিচারের দোকান। তৈরী হচ্ছে হরেক রকমের আসবাবপত্র যারফলে সাবাড় হচ্ছে বনাঞ্চল। মহেশখালীর ১ পৌরসভা ও ৮ ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মোড়ে মোড়ে গড়ে তুলেছে ফার্নিচারের দোকান । সেই দোকানে প্রতিদিন ব্যবহৃত হচ্ছে শতশত ফুট সেগুন, আকাশমনি সহ দেশী-বিদেশী জাতের হরেক রকমের গাছ। পরিবেশবাদীদের শ্লোগান ‘গাছ লাগান পরিবেশ বাচাঁন’ কিন্তু বনখেকোরা প্রশাসন কে ফাঁঁিক দিয়ে প্রকাশ্যে বা গোপনে বনের গাছ কেটেঁ স্বল্প মূল্যে ফার্নিচার দোকান মালিকদের কাছে বিক্রি করতঃ বন সাবাড় করেই যাচ্ছে। পরিবেশবাদীরা আরো জানান, কার্বনডাই অক্সাইড ছাড়া কখনো জীবের প্রাণ বাচাঁনো সম্ভব নয় তাই গাছপালা কাটাঁ জন জীবনে চরম বিপর্যয় আসতে পারে। উক্ত দোকানে বেশীর ভাগই ১২ নং পাহাড়ী মৌজার গাছ। মহেশখালীতে নিয়োজিত বনবিভাগের লোকজন দেখেও না দেখার বাহানায় থাকে কিন্তু বনবিভাগের লোকজনকে সরকারি বেতনভাতা দিয়ে রেখেছে বনবিভাগের গাছপালা রক্ষার জন্য। সেই সরকারি ভাবে অর্পিত দায়িত্ব কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বনাঞ্চল উজাড় পাশাপাশি পরিবেশ ধ্বংসকারীদের সাথে গোপন আতাঁত আছে বলে মন্তব্য করছেন এলাকার সচেতন মহল না হয় কি করে প্রকাশ্যে দিন-দুপুরে ট্রাক, জিপ, টেলা, ট্রলিতে করে  নিয়মিত বিভিন্ন প্রজাতের গাছ স-মিল থেকে চিরাই করে ফার্নিচারের দোকানে নিয়ে থাকে। এলাকার সচেতন মহল জানান, বনবিভাগের অসাধূ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসে (ন্ব-স্ব বিটের দায়িত্ব প্রাপ্তরা)  মোটা অংকের টাকা খেয়ে ডিপো, এসিএফ, র‌্যাঞ্জ কর্মকর্তাসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অজান্তে কাঠচোর চক্রের সদস্যদের কাঠ পাচার, পাহাড় কাটাসহ নানান অপকর্ম করার সুযোগ দিয়ে থাকে, সেই সুযোগে প্রকাশ্যে কাঠচোর চক্রের সদস্যরা প্রধান সড়কে  বাগান থেকে গাছ কেটেঁ গাড়ি যোগে আনা নেওয়া করে থাকে। এ ব্যাপারে বনবিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, কাঠচোর চক্রের সাথে বন কর্মকর্তা-কর্মচারী যোগসাজস কতটুকু খতিয়ে দেখা হবে। তা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিহীত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ