ঢাকা, শুক্রবার 20 January 2017, ৭ মাঘ ১৪২৩, ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে ভাসমান খাবারের দোকানে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য

চারঘাট (রাজশাহী) সংবাদদাতা: চারঘাট-বাঘাসহ রাজশাহী আঞ্চলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে রয়েছে হরেক রকম খাদ্যদ্রব্যের ভাসমান দোকান। যেখানে মিলছে বিভিন্ন ধরনের আচার ফুচকা, চটপটি, নুডুলস, ঝালমুড়ি, রঙ  বেরঙের আইসক্রিম, চানাচুর, শরবতসহ বিভিন্ন ধরনের ভাজাপোড়া খাবার।
ভ্রাম্যমাণ এসব দোকানে খাবার ঢেকে রাখা হয় না বলে এসব খাবারে সব সময় ধুলাবালি পড়া এসব খাদ্য স্বাস্থ্যসম্মত নয়, অথচ সচেতনতার অভাবে সেই খাবারই স্কুল পডুয়া সন্তানকে কিনে দিচ্ছেন অভিভাবকরা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরাই কিনে খাচ্ছে এসব খাদ্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাস্তার পাশে বিক্রি করা খোলা খাবার খেলে ক্ষুধামন্দা, জন্ডিস, হেপাটাইটিস, পেটের পীড়া, পেটের প্রদাহসহ মারাত্মক সব রোগ হতে পারে। চারঘাটের সারদা পাইলট স্কুলের সামনে অনেক শিশু শিক্ষার্থীদের এসব অস্বাস্থ্যকর খাদ্য কিনে দিচ্ছেন খোদ অভিভাবকরাই। শিশু শিক্ষার্থী জেমির মা ডলি খাতুন নিজেই সন্তানকে অস্বাস্থ্যকর এসব আচার কিনে দিতে দেখে, কেন এমন অস্বাস্থ্যকর খাবার কিনে দিচ্ছেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, বুঝতে পারছি অস্বাস্থ্যকর খাবার তবুও সন্তানের জেদে কিনে দিতে হচ্ছে। স্কুলের সামনে খোলা খাবার বিক্রি বন্ধ করলে এই সমস্যা কিছুটা হলেও কমবে বলে মনে করেন তিনি। টিফিন শুরু বা স্কুল ছুটি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুরা ভিড় করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে এসব খাবারের দোকানে। বাঘা আইডিয়াল স্কুলের সামনে বিভিন্ন রঙ মেশানো মুড়ি বিক্রি হতে দেখে বিক্রেতা নজরুলের কাছে ‘রঙ মেশানো মুড়ি মুড়ি স্বাস্থ্যসম্মত’ কি না  জানতে চাইলে তিনি কিছু না বলে ভ্রাম্যমাণ গাড়ি নিয়ে অন্যদিকে চলে যান।
এ বিষয়ে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ডা. সাইফুল ফেরদৌস বলেন, রাস্তার পাশে বিক্রি করা খোলা খাবার খেলে শিশুদের ক্ষুধামন্দা, জন্ডিস, হেপাটাইটিস, পেটের পীড়া, পেটের প্রদাহসহ মারাত্মক সব রোগ হতে পারে। এছাড়া এসব খাবারে পানি বাহিত যে কোন ধরনের মারাত্মক রোগ দেখা দিতে পারে শিশুদের। এসব রোগ থেকে শিশুদেরকে রক্ষা করতে হলে অভিভাবকদের সচেতনতা এবং ব্যক্তিগতভাবে সবাই সচেতন হওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব দিতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ