ঢাকা, শুক্রবার 20 January 2017, ৭ মাঘ ১৪২৩, ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মুসলিম দেশগুলোর কাছে কী প্রত্যাশা করছে রোহিঙ্গারা?

বিবিসি : মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের বিষয়ে করণীয় নিয়ে আলোচনা করতে গতকাল বৃহস্পতিবার কুযালালামপুরে ইসলামিক বিভিন্ন দেশের সংগঠন ওআইসির এক বিশেষ  বৈঠক ডাকে মালয়েশিয়া।
আর এই বৈঠককে ঘিরে রোহিঙ্গা সংগঠনের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়ে জাতিসংঘ কমিশন গঠন করে তদন্তের দাবি জানানো হযেেছ। এজন্য ওআইসির দেশগলোর সহায়তা চেয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গনাইজেশন।
এদিকে বৈঠকের ঠিক আগের দিন বুধবার রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের সহিংসতা এবং কম্বোডিয়া ও রুয়ান্ডার মতো গণহত্যা রোধে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ওআইসির মিয়ানমার-বিষযক দূত এবং মালয়েশিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ হামিদ আলবার।                    
এদিকে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সেনা অভিযানের প্রেক্ষাপটে প্রচুর সংখ্যায রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশের ফলে সংকটে প্রতিবেশী দেশটিও। ফলে বাংলাদেশও রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিজেদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরতে চায় এই সম্মেলনে। বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো শাহরিযার আলম।
ব্রিটেনে বসবাসরত রোহিঙ্গা নেতা আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গনাইজেশননের চেয়ারম্যান, নুরুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, যখন তারা একটা জরুরি বৈঠক ডেকেছেন তখন আমরা আশা করছি একটা ইতিবাচক সমাধান আসবে। আমাদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছ তা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের শামিল। এর একটি নিরপেক্ষ তদন্ত দরকার। আমরা চাই জাতিসংঘের কমিশন গঠন করে তদন্ত করা হোক। কিন্তু ওআইসি এক্ষেত্রে কতটা ভূমিকা রাখতে পারবে? এমন প্রশ্নে এই রোহিঙ্গা নেতা বলেন, এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সবচেয়ে বয় সংগঠন। তারা চাইলে এ বিষয়ে চাপ তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশও ওআইসির সম্মেলনে রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিজেদের প্রত্যাশার বিষয়ে তুলে ধরবে। সেখানে তারা বাংলাদেশের কাছ থেকে কি আশা করছে?
মিস ইসলাম বলেন, তারা চান, বাংলাদেশের একটা অস্থাযয়ী আশ্রয় দেয়ার পর, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে ওআইসি সদস্য দেশগুলোকে বাংলাদেশকে মানবিক সহায়তা দিতে হবে। এরপর বাংলাদেশ থেকে তাদের (রোহিঙ্গাদের) ফিরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করবে। আমরা রিফিউজি হিসেবে জীবন যাপন করতে চাই না। আমরা নিজেদের দেশে ফিরে যেতে চাই। তারাও (বাংলাদেশে বসবাস কারী রোহিঙ্গারা) ফিরে যেতে চায়। ওখানে (মিয়ানমারে) পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় তারা এভাবে চলে আসছে। মংডুতে একটা সেফ জোন করা দরকার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ