ঢাকা, শুক্রবার 20 January 2017, ৭ মাঘ ১৪২৩, ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সাবেক প্রধান বিচারপতি এম এম রুহুল আমীনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সুপ্রিম কোর্টে ছুটি

স্টাফ রিপোর্টার : সাবেক প্রধান বিচারপতি এম এম রুহুল আমীনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে ছুটি পালিত হয়েছে। এদিকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে মরহুম প্রধান বিচারপতির জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমিন চৌধুরী, বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির, বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন, আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিরা এই জানাযায় অংশ নেন। এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নুল আবেদীন, বর্তমান সভাপতি ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সম্পাদক মাহবু উদ্দিন খোকনসহ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরাও অংশ নেন জানাযায়।
মরহুম প্রধান বিচারপতির বড় ছেলে আইনজীবী রাশিদ আহমেদ সুমন সাংবাদিকদের জানান, উত্তরার ১২ নম্বরে তার বাবাকে বাদ জোহর দাফন করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে গত বুধবার জানানো হয় সাবেক প্রধান বিচারপতি এম এম রুহুল আমীনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার পর সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে ছুটি থাকবে।
গত মঙ্গলবার ভোরে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তিকাল করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলে ব্যারিস্টার রাশিদ আহমেদ সুমন ও ব্যারিস্টার এম আশরাফ আলী সুজনকে রেখে গেছেন।
সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে সাবেক প্রধান বিচারপতি রুহুল আমীনের ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছিল। রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় দ্বিতীয়বার অস্ত্রোপচারের চেষ্টা হলেও বাঁচানো যায়নি।
২০০৮ সালের ১ জুন দায়িত্ব  নেন দেশের ১৬ তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে এম এম রুহুল আমীন শপথ নেন। অবসরে যান ২০০৯ সালের ২২ ডিসেম্বর।
জরুরি অবস্থার সরকারের শেষের ছয় মাস দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নেতৃত্ব দেন তিনি। এর কয়েকদিন ছয় মাস পরেই দায়িত্ব নেয় আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার।
বিচারপতি এমএম রুহুল আমীনের জন্ম ১৯৪২ সালের ২৩ ডিসেম্বর, লক্ষ্মীপুর জেলায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৩ সালে ইতিহাসে মাস্টার্স এবং ১৯৬৬ সালে এলএলবি করে পরের বছর তিনি জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দেন। ১৯৮৪ সালে জেলা ও দায়রা জজ হন। দীর্ঘদিন জেলা ও দায়রা আদালতে দায়িত্ব পালনের পর ১৯৯৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি অস্থায়ী বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্টে নিয়োগ পান বিচারপতি রুহুল আমীন। দুই বছরের পর তাকে স্থায়ী করা হয়। তাকে আপিল বিভাগে নিয়োগ দেয়া হয় ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ