ঢাকা, বুধবার 25 January 2017, ১২ মাঘ ১৪২৩, ২৬ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

স্বয়ংক্রিয় রোবট পণ্য পৌঁছে দেবে

এমএস শহিদ : ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথে গ্রাহকের কাছে পণ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়ার ঘোষনা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট অ্যামাজন। এ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি স্বয়ংক্রিয় ড্রোন তৈরীতে কাজ করে যাচ্ছে। তবে অ্যামাজনের আগেই চাকা সংবলিত স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে সক্ষম ডেভিভারি বা সরবরাহকারী রোবট বুটের দেখা পেতে পারেন। এ সুবিধা পেতে বাংলাদেশকে হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। তবে যুক্তরাজ্যের লন্ডন, জার্মানির ডুজেন্ডারফিন এবং সুইজারল্যান্ডের বার্নের নাগরিকরা হয়তো খুব শিগগির এ জাতীয় রোবটের দেখা পেয়ে যাবেন। এ ধরনের স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালিত রোবটের মাধ্যমে অর্ডার করা প্যাকেজ, পণ্য এবং খাবার-দাবার সরবরাহ করা হবে। স্টাটশিপ টেকনোলজিস নামের একটি এস্তোনিয়ান রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জুলাই মাসে পরীক্ষামূলকভাবে এ সংক্রান্ত একটি প্রজেক্ট চালু করেছে। স্টাটশিপ টেকনোলজিস কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন স্কাইপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এহতিহেইনল এবং জানুস ফরিস। অ্যামাজনের তৈরী ড্রোনের মতো এই রোবট উড়বে না। ছয় চাকা বিশিষ্ট এই রোবট গড়িয়ে চলবে, এর সাথে থাকবে জিপিএস রাডার এবং ৯টি ক্যামের যেগুলোর সাহায্যে এটি তার গন্তব্য ঠিক করে নেবে এবং পথের সব বাধা এড়িয়ে এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে যথাসময়ে গন্তব্যস্থানে পৌঁছে যাবে। এটি আপনা-আপনি ২ থেকে ৩ মাইল ব্যসার্ধের মধ্যে চলতে সক্ষম। স্টাটশিপ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছে, এ রোবট নিরাপদ এবং অধিকরত কার্যকরী। কেননা তারা পরীক্ষা করে দেখেছে, এই রোবটগুলো পাঁচ হাজার মাইল ভ্রমণে ৪ লাখ লোকের সংস্পর্শে এলেও কোনো দুর্ঘটনার মুখোমুখি হয়নি। আশা করা হচ্ছে, ২০১৭ সালের দিকে এ রাবটগুলো পুরোপুরি বাণিজ্যকভাবে কার্যক্রম শুরু করবে। তবে মানব অপারেটররা এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করবে। নির্মাতারা জানিয়েছেন, ডেলিভারি রোবটগুলোকে সামাজিক রীতি-নীতিও শেখানো হয়েছে। চলতি পথে রোবটগুলো যদি কোনো বয়স্ক লোকের সামনে পড়ে যান তবে তাকে সম্মান জানিয়ে পথে ছেড়ে দিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়াবে বা বিকল্প পথ থাকলে তা ব্যবহার করে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যাবে। কুরিয়ার পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করা বিরক্তিরকর। তাই আগামী বৎসরগুলোতে প্রত্যেকের জন্য পৃথক পৃথক করে সিডিউল ডেলিভারি সেবার গুরুত্ব ক্রমশ বাড়বে। পথে ডেভিভারী রোবটের সংখ্যা যতো বাড়বে ততোই মানুষ এগুলোর সাতে অভ্যস্থ হবে যাবে। এখনো পর্যন্ত এ প্রকল্পে কোনো সমস্যা বা দুর্ঘটনা দেখা না দিলেও ডেলিভারী বা সরবরাহকারী রোবটের সংখ্যা বৃদ্ধির সাতে সাথে পথে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে তার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যাপারে উদ্যোক্তারা পুরোপুরি প্রস্তুত আছে বলে জানানো হয়েছে।
এলঙ্গী আচার্য্য, কুমারখালী, কুষ্টিয়া।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ