ঢাকা, বৃহস্পতিবার 26 January 2017, ১৩ মাঘ ১৪২৩, ২৭ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের অর্জন আর বিসর্জন

মাহাথির মোহাম্মদ কৌশিক : টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থান ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। তবে যতটা প্রত্যাশা করা হয় ততটা হয়নি কখনোই। সর্বশেষ নিউজিল্যান্ড সফরে সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে বাংলাদেশ দল। টেস্ট, ওয়ানডে ও টোয়েন্টি-২০ সিরিজে ধবলধোলাই হয়ে দেশে ফিরে এসেছে। কিউইদের বিপক্ষে এবারের সিরিজে অর্জনের চেয়ে বিসর্জনের গল্পটাই বেশি শুনতে হয়েছে। নির্ঘুম রাতটিও যে হতে পারে আনন্দের-এমন একটি রাতই যে বাংলাদেশের মানুষকে উপহার দিয়েছে সাকিব, মুশফিক। ঘুম ভেঙে টেলিভিশনের সুইচ অন করেছেন যারা, বিস্ময়ে হতবাক তারা! ঘুমের ঘরেও যে স্বপ্ন দেখতে মানা, যে স্বপ্নকে মনে হতে পারে দিবা স্বপ্ন-রাত পেরিয়ে সকাল হতেই সপ্তাহের শুক্রবারে নিজের গায়ে চিমটি কেটেছেন অনেকেই। ওয়েলিংটনে পর পর ২দিন নির্বিঘ্নে বাটিংয়ে পার করলো বাংলাদেশ কিভাবে? আর কিভাবেই বা স্কোরটা দ্বিতীয় দিন শেষে ৫৪২/৭? কিভাবেই বা ৩৫৯ রানের রেকর্ড পার্টনারশিপ হলো? প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে যে ছেলেটি অতীতে দেখা পায়নি কোন ডাবল সেঞ্চুরি-সেই সাকিব কি করে ওয়েলিংটনে উদযাপন করলো ডাবল সেঞ্চুরি এবং তা আবার টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ইনিংস (২১৭)! এটা কি স্বপ্ন, না অন্য কিছু? তাসমান সাগরের তীরবর্তী ওয়েলিংটন থেকে মুচকি হেসে ঘুম ভেঙে জেগে ওঠা মানুষকে সাকিব, মুশফিকুররা জানিয়ে দিয়েছেন স্বপ্ন নয়, সত্যি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে এবং টি-২০ সিরিজে ক্রিকেটারদের হতাশ পারফরমেন্সে যাদের কণ্ঠে সোচ্চার ছিল, ‘ঘুমটা ফিরিয়ে দাও’; ২দিনের পারফরমেন্স এখন তারাই বলছেন, ‘এমন রাতটি বার বার দাও’। মাঠ থেকে পীচ আলাদা করা দুস্কর। সবুজ ঘাসে ছেয়ে যাওয়া মাঠে ২২ গজী পিচও সবুজাভ! অনভ্যস্ত এমন উইকেট বাংলাদেশ তো বটেই, উপহমহাদেশের যে কোন দলের ব্যাটসম্যানদের জন্য এক ধরনের মৃত্যু ফাঁদই বটে। এক প্রাপ্ত দিয়ে গোলার মতো বাতাস হচ্ছে প্রবাহিত, স্ট্যাম্পের উপর থেকে বেলস যাচ্ছে উড়ে! ২০০১ এবং ২০০৮ এ যে  ওয়েলিংটনকে দেখেছে বাংলাদেশ, তার চেয়েও ভয়ংকর মৃত্যুফাঁদের মুখোমুখি হতে হয়েছে! সবুজাভ এই পিচের চ্যালেঞ্জটা নিবে কিভাবে মুশফিকুরের দল? অতীতে চারটি ইনিংস যেখানে ১৩২, ১৩৫, ১৪৩ এবং ১১৩-সেখানে না জানি আরো কতো ভয়ংকর রূপ ছড়ায় কিউই পেসাররা? অথচ, বৃষ্টি বিঘ্নিত প্রথম দিনে তামীম, মুমিনুলের ফিফটিতে দেখানো পথে হেঁটে সাহস সঞ্চার করে সেই ওয়েলিংটন টেস্টে উপর্যুপরি ২দিন নিউজিল্যান্ড বোলারদের উপর ছড়ি ঘুরিয়েছে বাংলাদেশ দল। দিনের চতুর্থ ওভারে সাউদির রাউন্ড দ্য উইকেট ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে মুমিনুল (৬৪) এই দিনে কোন রান না করে ফিরে আসায় ছিল শঙ্কা। প্রথম দিন ৪ রানের মাথায় স্কোয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে বেঁচে যাওয়া সাকিব দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ব্যক্তিগত ৫ রানের মাথায় রান আউট থেকে বেঁচে যাওয়ায়ও ছিল শঙ্কা। তবে দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় ওভারে বোল্টকে মিড অফ দিয়ে বাউন্ডারিতে যে বার্তা দিয়েছেন সাকিব, পার্টনার মুশফিকুরের সঙ্গে দারুণ বোঝাপড়ায় ওয়েলিংটনে বেজেছে অন্য সঙ্গীত। যে সঙ্গীতের রচয়িতা ৫ম উইকেট জুটির এই পার্টনারশিপ। দিনের প্রথম সেশনে মুমিনুলকে হারিয়ে ১১৫, দ্বিতীয় সেশনে উইকেটহীন ১২২, শেষ সেশনে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫১, টেস্টে একদিনে নিজেদের সর্বোচ্চ ৩৮৮ রানে অন্য এক বাংলাদেশকে যে দেখেছে বিশ্ব। সাকিব, মুশফিক-দু’জনেই দেখা পেয়েছেন টেস্ট ক্যরিয়ারে ৪র্থ সেঞ্চুরি। একজনের দেখাদেখি অন্যজন উদ্বুদ্ধ।
বাউন্সি ডেলিভারি ছেড়ে দিয়ে বাজে বলগুলোকে শিক্ষা দিতে পাল্লা দিয়ে বাউন্ডারি শটে মেতেছেন ২ জন। ৩১টি বাউন্ডারিতে ইনিংসে বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বাধিক চারের রেকর্ড হয়ে গেছে সাকিবের। ওয়েগনারকে সিঙ্গল শটে সাকিবের সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে খেলতে হয়েছে ১৫০টি বল, সেখানে সাউদিকে ফ্লিক শটে বাউন্ডরিতে ৪র্থ টেস্ট সেঞ্চুরি করেছেন উদযাপন মুশফিক। ১৩৭ রানের মাথায় ওয়েগনারের বলে সাকিবের ক্যাচটি জোচ্চুরি করে নিতে চেয়ে দুয়োধ্বনী খেয়েছেন ওয়াটলিং, টিভি রিপ্লেতে সেই দৃশ্যে লজ্জিত কিউইরা। ১৮২ রানের মাথায় সাউদির বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে টেলরের হাতে বেঁচে যাওয়া সাকিব ২শ’ করেই ছেড়েছেন। ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে শেষ ৭টি রানে খেলেছেন মাত্র ৩টি বল। গ্র্যান্ডহোমকে প্রিয় স্কয়ার কাটে বাউন্ডারিতে ডাবল সেঞ্চুরিতেও উদযাপনে নির্লিপ্ত সাকিব! দিনটা হতে পারতো আরো স্মরণীয়। পার্টনারশিপটা বিশ্বরেকর্ড হতে পারতো। তবে হঠাৎ মনোসংযোগ হারিয়ে বোল্টের আউট সুইং ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে এসেছেন মুশফিকুর রহিম (১৫৯)। ৩৫৯ রানের রেকর্ড পার্টনারশিপের এই কারিগরের বিদায়ের পর দিনের খেলা শেষ হওয়ার মিনিট দশেক আগে ওয়েগনারের গুডলেন্থের বল কাট করতে যেয়ে বোল্ড আউটে থেমেছেন সাকিব। তবে হাবিবুল, তামীমের পর তৃতীয় বাংলাদেশী হিসেবে ৩ হাজার ক্লাবের সদস্যপদের দিনে বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ইনিংস এবং দেড়শ’ উইকেটের পাশে ৩ হাজার রানে টেস্টে বিরল অল রাউন্ড পারফরমেন্সে ১৪ কীর্তিমানে নাম খোদাই হয়ে থাকা সাকিবকে বিদায়বেলা পিঠ চাপড়ে অভিনন্দিত করতে মাঠের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কিউই ক্রিকেটাররা এসেছেন ছুটে। ওয়েলিংটনের অনার্স বোর্ডে একসঙ্গে ২ বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নাম ওঠানোর দিনে নিউজিল্যান্ডের মাঠে সর্বোচ্চ স্কোরের রেকর্ডের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ম জুটিতে সর্বোচ্চ রেকর্ডের সঙ্গে একগুচ্ছ রেকর্ডে দিনটি যে স্বপ্নকে গেছে ছাড়িয়ে। ওয়েলিংটনে প্রথম তিন দিনের অবিশ্বাস্য কৃতিতে শেষ রাত নির্ঘুম কাটিয়েও দারুন ভাললাগা অনুভুতি ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট প্রেমীদের চোখে-মুখে। চতুর্থ দিন থেকে স্রোতটা উল্টো বইতে শুরু করেছে। শেষ বিকেলে ইমরুল কায়েসের ক্রীজের উপর পড়ে যাওয়ায় সেই যে অশনি সংকেত, তামীম, মাহামুদুল্লাহ এবং মিরাজের উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসায় ফিকে হতে থাকা স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে বাংলাদেশ দল! খুব কঠিন কোন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার মতো পরিস্থিতি ছিল না। চতুর্থ দিন শেষে ১২২ রানের লিডকে শেষ ৭টি পার্টনারশিপ কতো বড় করতে পারে, নিউজিল্যান্ডকে চতুর্থ ইনিংসে কেমন চ্যালেঞ্জে ফেলতে পারে বাংলাদেশ দল- সেদিকেই তাকিয়ে ছিল বাংলাদেশের কোটি কোচি চোখ। অথচ, ঘুম ভেঙে ৫ম দিনের ৮ম বলে সাকিবের অমার্জনীয় শটে নিজেকে বিলিয়ে দেয়ায় ওয়েলিংটনের ফর্সা আকাশটাও যেনো হয়ে গেল বাংলাদেশের সামনে ঘন কালো! মাত্র ৯৪ রানে শেষ ৭ উইকেট! প্রথম ইনিংসে সাকিব-মুশফিকুরের ৩৫৯ রানের পার্টনারশিপ, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর (৫৯৫/৮ডি.) সব জলাঞ্জলী দিল বাংলাদেশ! প্রথম ইনিংসের পারফরমেন্সে যে দলটির পক্ষে অন্তত: বাজি ধরার সাহস পেয়েছেন যারা, তারাই দেখলেন সেই দলটির করুন আত্মসমর্পণ। চতুর্থ ইনিংসে মাত্র ২১৭ রানের চ্যালেঞ্জ দিয়ে ৭ উইকেটে হারের লজ্জাটা আবার গণ্য হলো বিশ্বরেকর্ডে। প্রথম ইনিংসে ৫৯৫/৮ডি. করে হার-১৪০ বছরের টেস্ট ইতিহাসে এটাই যে অগৌরবের বিশ্বরেকর্ড। কি হয়নি এই দিনে? ৬৬/৩ থেকে স্কোর থেমেছে ১৬০ এ। ২০১২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২৯ রানের লিডের ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৫৫৬ স্কোরেও ম্যাচ বাঁচাতে পারেনি বাংলাদেশ- টেস্ট অভিষেকে অফ স্পিনার সোহাগ গাজীর দূর্দান্ত বোলিংয়ে চতুর্থ ইনিংসে ২৪৫ রানের সমীকরন মেলাতে পারেনি বাংলাদেশ-ঢাকা টেস্টে হেরে গেছে মুশফিকুররা ৭৭ রানে। অগৌরবের সেই অতীতটাও যে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ দল! খুব দরকার না পড়লে ব্যাটিংয়ে নামবেন না বলেও নামতে হলো মুশফিকুর, ইমরুল কায়েসকে ইনজুরি নিয়ে। সাউদির বাউন্সারে পীচের উপর লুটিয়ে পড়ে মাঠ ছাড়তে হলো মুশফিকুরকে (৫), ইমরুল অনন্যোপায় হয়ে কোনমতে দাঁড়িয়ে মারলেন তিনটি বাউন্ডারি (১২)। প্রথম ইনিংসের মতো পার্টনারের অভাবে ফিফটি পেয়ে ছাড়লেন সাব্বির (৫০)। ওভারপ্রতি ৩ এর অল্প কিছু বেশি লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করা মোটেও দুরূহ হওয়ার কথা নয়। এমন এক পরিস্থিতিতে দাঁড়ানো নিউজিল্যান্ডকে সহজে রানের সুযোগটা তৈরি করে দিয়েছেন তাসকিন, শুভাশিষরা অনিয়ন্ত্রিত বোলিং করে। মেহেদী হাসান মিরাজ ৩৯ রানের মধ্যে ২ ওপেনারকে ফিরিয়ে দিয়েও দলকে ফেরাতে পারেননি ম্যাচে। চতুর্থ ইনিংসে উইলিয়ামসন এবং রস টেলরের ১৬৩ রানের পার্টনারশিপটি এসেছে ওভারপ্রতি ৬.৪৩ রানে। যা চতুর্থ ইনিংসে দেড়শ’ প্লাস পার্টনারশিপে দ্রুততম বিশ্বরেকর্ড। চেজ করতে নেমে ওভারপ্রতি ৫.৪৭ হারে রান তুলে দ্বিতীয় বিশ্বরেকর্ডটি করেছে নিউজিল্যান্ড। জয় ত্বরান্বিত করতে কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ৮৯ বলে সেঞ্চুরি করে (১০৪) টেস্ট ইতিহাসে চেজিংয়ে চতুর্থ দ্রুততম ইনিংসে দলকে পৌঁছে দিয়েছেন জয়ের বন্দরে। বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখানো ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরির কৃতিত্ব ম্লান করা সাকিব দ্বিতীয় ইনিংসে শূন্য রানে ফিরে অগৌরবের রেকর্ডটাও ভারী করেছেন! টেস্টে প্রথম ইনিংসে ডাবল সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসে শূন্য রান-এমন বৈপরিত্য আছে তাকে নিয়ে মাত্র ৬ জনের। প্রথম ইনিংসে ৫শ’র বেশি করে ১৪০ বছরের টেস্ট ইতিহাসে হারের রেকর্ড খুব বেশি নয়-১৬টি। ১৮৯৪ সালে সিডনী টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৫৮৬ করে ১০ রানে অস্ট্রেলিয়ার হারটা ছিল টেস্ট ইতিহাসে এতোদিন অগৌরবের রেকর্ডে সবার উপরে। ১২৩ বছরের সেই রেকর্ড ভেঙে অগৌরবের রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ! ওয়েলিংটন টেস্টে স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে রেকর্ড স্কোর (৫৯৫/৮ডি.) করে ৭ উইকেটে হেরে সর্বোচ্চ স্কোরের ম্যাচে হারের বিশ্বরেকর্ডটা এখন বাংলাদেশের।
১৮৯৪ সালে ৬ দিনের টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫৮৬ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ইনিংসে ৩২৫ রানে অলআউট হয়ে ফলোঅনে পড়া ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে করে ৪৩৭ রান। চতুর্থ ইনিংসে ১৭৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে যেয়ে ১৬৬ রানে থামে স্বাগতিকরা, হারে ১০ রানে। ১২৩ বছরের সেই অতীতটা মুছে দিয়ে নুতন বিশ্বরেকর্ড করেছে বাংলাদেশ। ৫শ’ প্লাস করে অতীতে বাংলাদেশের হার ছিল ১টি। ২০১২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ২৯ রানের লিডের ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৫৫৬ স্কোরেও ম্যাচ বাঁচাতে পারেনি বাংলাদেশ- টেস্ট অভিষেকে অফ স্পিনার সোহাগ গাজীর দুর্দান্ত বোলিংয়ে চতুর্থ ইনিংসে ২৪৫ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেনি বাংলাদেশÑঢাকা টেস্টে হেরে গেছে মুশফিকুররা ৭৭ রানে। সেই অতীতটাও যে মনে করিয়ে দিয়েছে মুশফিকুরের দল। দুই ইনিংসে রানের ব্যবধান ৪৩৫, এটিও বাংলাদেশের রেকর্ড। ২০১২ সালে মিরপুর টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৫৫৬ রানের ইনিংসের ম্যাচে ২ ইনিংসে রানের ব্যবধান ৩৮৯ ছিল এতোদিন বাংলাদেশের রেকর্ড। দু’ইনিংসে রানের ব্যবধান ১৪০ বছরের টেস্ট ইতিহাসে ৭ম সর্বোচ্চ।
রেকর্ড স্কোরেও হার
দল    স্কোর    প্রতিপক্ষ    ভেন্যু    তারিখ
বাংলাদেশ    ৫৯৫/৮ডি    নিউজিল্যান্ড    ওয়েলিংটন    ১২ জানু.২০১৭
অস্ট্রেলিয়া    ৫৮৬    ইংল্যান্ড    সিডনি    ১৪ ডিসে.১৮৯৪
পাকিস্তান    ৫৭৪/৮ডি    অস্ট্রেলিয়া    মেলবোর্ন    ২৯ ডিসে.১৯৭২
অস্ট্রেলিয়া    ৫৫৬    ভারত    অ্যাডিলেড    ১২ ডিসে.২০০৩
বাংলাদেশ    ৫৫৬    উইন্ডিজ    ঢাকা    ১৩ নভে.২০১২
টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ৫ ইনিংস
স্কোর    ওভার    ইনিংস    প্রতিপক্ষ    ভেন্যু    তারিখ
৬৩৮    ১৯৬.০    ২য়    শ্রীলঙ্কা    গল    ৮ মার্চ ২০১৩
৫৫৬    ১৪৮.৩    ২য়    উইন্ডিজ    ঢাকা    ১৩ নভে.২০১২
৫৫৫/৬    ১৩৬.০    ৩য়    পাকিস্তান    খুলনা    ২৮ এপ্রিল ২০১৫
৫৯৫/৮    ১৩৬.০    ১ম    নিউজিল্যান্ড    ওয়েলিংটন    ১২ জানু.২০১৭
৫০৩    ১৫৩.৪    ১ম    জিম্বাবুয়ে    চট্টগ্রাম    ১২ নভে.২০১৪
টেস্টে বাংলাদেশের সেরা ৫ জুটি
জুটি        উইকেট        রান        ইনিংস        প্রতিপক্ষ        ভেন্যু        তারিখ
মুশফিক-সাকিব    ৫ম       ৩৫৯    ১ম    নিউজিল্যান্ড    ওয়েলিংটন    ১২ জানু.২০১৭
ইমরুল-তামীম    ১ম    ৩১২    ৩য়    পাকিস্তান    খুলনা    ২৮ এপ্রিল ২০১৫
আশরাফুল-মুশফিক    ৫ম    ২৬৭    ২য়    শ্রীলঙ্কা    গল    ৮ মার্চ ২০১৩
ইমরুল-শামসুর       ২য়        ২৩২        ২য়        শ্রীলঙ্কা        চট্টগ্রাম        ৪ ফেব্রু.২০১৪
ইমরুল-তামীম        ১ম        ২২৪        ১ম        জিম্বাবুয়ে        চট্টগ্রাম        ১২ নভে.২০১৪

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ