ঢাকা, বৃহস্পতিবার 26 January 2017, ১৩ মাঘ ১৪২৩, ২৭ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

“রাস্তার সকল ডাস্টবিন ও কন্টেইনার অপসারণ করে চট্টগ্রাম নগরীর পরিবেশ আরো উন্নত করা হবে” -মেয়র আ.জ.ম নাসির

চট্টগ্রাম অফিস : স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে আরবান পাবলিক এন্ড এনভায়রনমেন্টাল হেল্থ সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এডিবি’র অর্থায়নে আবর্জনা ও বর্জ্য ডাম্পিং এর জন্য নির্মিত হয়েছে সেকেন্ডারী ট্রান্সফার ষ্টেশন’ (STS)। প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২ টি প্রকল্পের মধ্যে ১৬ জানুয়ারী সোমবার, সকাল ১১ টায় নগরীর এয়ারপোর্ট রোডস্থ ১৪ নং ঘাট এলাকায় ৫টি সেকেন্ডারী ট্রান্সফার ষ্টেশন’ এর শুভ উদ্বোধন করলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি ফলক উন্মোচন ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ৫টি এসটিএস এর শুভ উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষ্যে এয়ারপোর্ট রোডের ১৪ নং ঘাট এলাকায় অনুষ্ঠিত সুধি সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র   আ জ ম নাছির উদ্দীন। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুগ্ম সচিব ও প্রকল্প উপ পরিচালক উত্তম কুমার কর্মকার,৪১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব ছালেহ আহমদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ শফিকুল মন্নান ছিদ্দিকী। মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন ৪০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী জয়নাল আবদীন, ৩৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী শফিউল আলম, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিসেস শাহানুর বেগম।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন নগরবাসীর স্বাচ্ছন্দ্য ও পরিবেশ বান্ধব পরিবেশে জীবন যাপনের লক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। তিনি বলেন, ডোর টু ডোর আবর্জনা সংগ্রহ ও অপসারণ কার্যক্রম ব্যয় বহুল হওয়া সত্ত্বেও ঝুকিপূর্ণ এ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে ৭টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট ওয়ার্ড গুলোতে এ কর্মসূচী বাস্তবায়িত হবে।রাস্তার সকল ডাষ্টবিন ও কন্টেইনার অপসারন করে নগরীর পরিবেশ আরো উন্নত করা হবে। প্রসঙ্গক্রমে মেয়র বলেন ৪১ নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডে এয়ারপোর্ট সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিদ্যমান সে কারনে  এ ওয়ার্ডের উন্নয়ন কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। গ্রিন সিটির প্রকল্পের অধীনে এয়ারপোর্ট থেকে সড়কদ্বীপ ও আশপাশের ফুটপাত বিউটিফিকেশনের আওতায় এনে দৃষ্টি নন্দন করা হবে। মেয়র বলেন, চলমান উন্নয়ন কাজের মধ্যে ব্রিজ,কালভার্ট ও নালা নির্মাণ অন্যতম। এ ওয়ার্ডে জাইকা,এডিপি,এডিবি, থোক ও রাজস্ব সহ প্রায় ৫০ কোটি টাকারও অধিক উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, নগরীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন,আলোকায়ন,পরিচ্ছন্নতা,শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় ৩ বছরের প্লান কার্যকর করা হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে এ সময়ের মধ্যে সড়ক,অলিগলি,নালা নর্দমা,আলোকবাতি সহ যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। তিনি নগরীর সেবাধর্মী কর্মকান্ড সফল বাস্তবায়নে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন। এসটিএস-৫,৬,৮,৯ ও ১১ যথাক্রমে এফআইডিসি রোড, এয়ারপোর্ট রোড, সাগরিকা,পোর্টকানেকটিং রোড, পশ্চিম মাদারবাড়ী বরিশাল কলোনীতে প্রতিষ্ঠিত ৫টি সেকেন্ডারী ট্রান্সফার ষ্টেশন উদ্বোধন করা হলো।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ